ঢাকা, শুক্রবার, ২১ জুন ২০২৪,
সরকার অনুমোদিত নিবন্ধন নম্বর ১৯১
Reg:C-125478/2015

প্রশাসন এখন ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান: গয়েশ্বর

ডেস্ক রিপোর্ট


প্রকাশ: ৯ জুন, ২০২৪ ০৯:২২ পূর্বাহ্ন | দেখা হয়েছে ২৫ বার


প্রশাসন এখন ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান: গয়েশ্বর

ঢাকা: দেশের প্রশাসন এখন ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়।

শনিবার (০৮ জুন) বিকেলে বিএনপির নয়াপল্টন কার্যালয়ের সামনে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপি আয়োজিত বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া, বিএনপি নেতা ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন এবং স্বেচ্ছাসেবক দলের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি জহির উদ্দিন তুহিনসহ রাজবন্দীদের মুক্তির দাবিতে এক মানববন্ধনে তিনি একথা বলেন।

মানববন্ধনটি বিএনপি কার্যালয় থেকে শুরু হয়ে ফকিরাপুল বাজার পর্যন্ত বিস্তৃত হয়।

 

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যতদিন ক্ষমতায় আছেন, ততদিন মনে হয় না খালেদা জিয়া মুক্তি পাবেন। বাংলাদেশের এমন কোনো কারাগার নেই যেখানে আমাদের কর্মীরা বন্দি নেই। এই আটকও একটি বাণিজ্য। ধরে আনতে পারলে বাণিজ্য। আত্মীয় স্বজনরা দেখা করতে এলে টাকা, খাবার দিতে এলে টাকা, আদালতে এনে রিমান্ড না নেওয়া জন্য টাকা। এরকম অনেক খাত আছে। প্রশাসন এখন ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান। এটি জনগণের নিরাপত্তার জন্য নয়। খুনি, দুর্নীতিবাজ ও লুটেরাদের রক্ষা করাই যেন প্রশাসনের কাজ।

তিনি বলেন, আজকে বিচারের আগেই পুলিশ হাত-পা ভেঙে বিচার করছেন। থানায় ঢুকে ছাত্রলীগের কর্মীরা পুলিশের সামনে বিএনপি নেতাকর্মীদের পেটাচ্ছেন। কোনো বিচার নেই।

এমপি আনার হত্যা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আনার এক সময় সর্বহারা পার্টি করতেন। আওয়ামী লীগে যোগদান করে মুক্তিযোদ্ধা হয়ে গেলেন। আনার যে খুন হয়েছে তা এখনও প্রমাণ করতে পারেনি। তার শরীরের টুকরো এখন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। আর যদি খুন হয়েই থাকেন, খুনিরা কেন তাকে খুন করলেন তা কেন প্রকাশ করা হচ্ছে না?

বিএনপির এই নেতা বলেন, প্রস্তাবিত বাজেটে চার লাখ কোটি টাকার রাজস্ব আয়ের কথা বলা হয়েছে। এই টাকায় রাষ্ট্রের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন হবে। জনগণের টাকায় বেতন হবে, জনগণের টাকায় খাবেন আর জনগণের ওপর লাঠি চালাবেন, এটি একটি সীমাহীন বেয়াদবি। গরু মোটাতাজা করার মত চোর-ডাকাত এবং লুটতারাজদের মোটাতাজা করার জন্য এ বাজেট। এ রাজস্ব আদায় হবে কিভাবে? উৎপাদন কমে গেছে। কর্মহীন যুবকের জন্য কিছু নেই। তারপরও যদি রাজস্ব দিতে হয় তাহলে জনগণের না খেয়ে মরা ছাড়া উপায় নেই।

তিনি বলেন, ভারতের নির্বাচনে মোদী বুঝেছেন নির্বাচন কাকে বলে। সেখানে এখনও জবাবদিহিতা আছে। কিন্তু আমাদের দেশে কোনো জবাবদিহিতা নাই। তাই সরকার যা ইচ্ছে তাই করছে।

বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আহ্বায়ক আবদুস সালামের সভাপতিত্বে সদস্য সচিব রফিকুল আলম মজনুর সঞ্চালনায় এতে আরও বক্তব্য দেন স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এস এম জিলানী, ওলামা দলের আহ্বায়ক মাওলানা সেলিম রেজা, মৎস্যজীবী দলের সদস্য সচিব আব্দুর রহিম, বিএনপির তথ্য বিষয়ক সম্পাদক রিয়াজ উদ্দীন নসূ, স্বেচ্ছাসেবক দলের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সদস্য সচিব পাপ্পা শিকদার, ছাত্রদলের পাভেল শিকদার, খালিদ হাসান জ্যাকী, শামসুজ্জামান সূরুজ, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ইউনুস মৃধা, মোহাম্মদ মোহন, মোশাররফ হোসেন খোকন, আবদুস সাত্তার, হাজী মনির হোসেন চেয়ারম্যান, সাইদুর রহমান মিন্টু প্রমুখ।


   আরও সংবাদ