ধর্ম সংবাদ
কোরআনের বর্ণনায় মানুষের হাসি
হাসি-কান্নায় গড়া মানুষের জীবন। মানুষ যদি পৃথিবীতে আল্লাহর ভয়ে কান্না করে এবং আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের জীবনবিধান মেনে পথ চলে, তবে তার বিদায় হবে হাসতে হাসতে। তখন জগদ্বাসী তার জন্য কান্না করবে। পার্থিব জীবনে মুমিন কতটা হাসবে এ লেখায় সে নির্দেশনাই তুলে ধরা হলো। হাসি-কান্না আল্লাহর হাতে। মানবজীবনে হাসি ও কান্নার অংশ নির্ধারণ করেন মহান আল্লাহ। তিনি
আমল নষ্ট করে যেসব কাজ
নেক আমল পরকালীন জীবনের মূলধন। আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের বড় মাধ্যম। তাই আখিরাতে শান্তি ও সফলতা লাভে বান্দার কবুলযোগ্য আমলের বিকল্প নেই। কিন্তু জীবন চলার পথে নিজের ইচ্ছা ও অনিচ্ছায় এমন কিছু বদ আমল সংঘটিত হয়, যা খাঁটি ও কবুল হওয়া আমলগুলো নষ্ট করে দেয়। এখানে আমল বিনষ্টকারী সেই বদ আমলগুলো তুলে ধরা হলো: রিয়া বা লৌকিকতা মানুষের নিয়তনির্ভর
যখন দান করলে সওয়াব বেশি
আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, এক ব্যক্তি নবী (সা.)-এর কাছে এসে বলল, হে আল্লাহর রাসুল! কোন দান সওয়াবের দিক দিয়ে বড়? তিনি বললেন, তোমার সে সময়ের দান করা, যখন তুমি সুস্থ থাকবে, মালের লোভ অন্তরে থাকবে, তুমি দরিদ্রতার ভয় করবে এবং ধন-দৌলতের আশা রাখবে। আর তুমি দান করতে বিলম্ব কোরো না। পরিশেষে যখন তোমার প্রাণ কণ্ঠাগত হবে, তখন বলবে, অমুকের জন্য এত, অমুকের জন্য এত।
দৃষ্টি সংযত রাখার সাত উপকার
আল্লাহ মুমিন নর-নারীকে দৃষ্টি অবনত রাখার নির্দেশ দিয়েছেন। অনেকেই ধারণা করেন, দৃষ্টি অবনত রাখার বিধানটি শুধু নৈতিকতা ও চারিত্রিক স্খলনের সঙ্গে সম্পৃক্ত। কিন্তু বিষয়টি তেমন নয়। আল্লাহ দৃষ্টি অবনত রাখার ভেতর অপরিসীম কল্যাণ রেখেছেন। নিম্নে এমনি কয়েকটি কল্যাণের বর্ণনা দেওয়া হলো— ১. আক্ষেপ কমে : আক্ষেপের আগুন, না পাওয়ার হতাশা এবং বঞ্চিত
আল্লাহর কাছে প্রিয় ১০ আমল
মানবজীবনের প্রকৃত সফলতা আল্লাহ তাআলার সন্তুষ্টি অর্জন করা। তাই একজন মুমিনের প্রতিটি শ্বাস, প্রতিটি পদক্ষেপ, প্রতিটি কাজই হওয়া উচিত সেই মহান সন্তুষ্টির সন্ধানে নিবেদিত। কিন্তু কোন কোন কাজ আল্লাহর কাছে বেশি প্রিয়-এ প্রশ্নটি যুগে যুগে প্রত্যেক ঈমানদারের হৃদয়ে অনুরণিত হয়েছে। যার মাধ্যমে একজন বান্দা সহজ, সুন্দর ও শুদ্ধভাবে তার রবের নৈকট্য
অন্যের বিপদে পাশে থাকার উপকার
মানুষের জীবনে এমন অনেক মুহূর্ত আসে, যখন সে সাহায্যের জন্য চিৎকার করে না—তবু তার চোখ, নীরবতা আর ভাঙা কণ্ঠ সব বলে দেয়। ইসলাম ঠিক সেখানেই আমাদের শিক্ষা দেয় যে বিপদগ্রস্ত ভাইয়ের পাশে দাঁড়াতে হবে। এ ধরনের পরিস্থিতিতে মুমিনের করণীয় হলো, যদি কোনো সহযোগিতা করার সামর্থ্য থাকে, তাহলে তাকে সহযোগিতা করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করা। এটাই আমাদের মহানবী (সা.)-এর
শাওয়ালের ৬ রোজার গুরুত্ব ও ফজিলত
আরবি হিজরি ক্যালেন্ডারে রমজানের পরের মাস শাওয়াল। এ মাসে মুমিন বান্দারা ফিতরা প্রদান, ঈদুল ফিতর পালন ও ৬ রোজা রাখার মধ্য দিয়ে পরকালীন উন্নতি সাধন, নেকির পাল্লা ভারী ও গৌরব অর্জন করে থাকেন। শাওয়ালের ৬ রোজা অনেক ফজিলতপূর্ণ আমল। এ রোজার ব্যাপারে অনেক উৎসাহমূলক বর্ণনা হাদিস শরিফে রয়েছে। রমজানের শাওয়ালের ৬ রোজার গুরুত্ব ও ফজিলত শাওয়ালের
জুমাতুল বিদায় মুসল্লির ঢল
ঢাকাসহ দেশের হাজারো মসজিদে পবিত্র রমজান মাসের শেষ শুক্রবারের জুমার নামাজ (জুমাতুল বিদা) আদায় করেছেন ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা। এতে বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর শান্তি, কল্যাণ ও সমৃদ্ধি কামনায় বিশেষ দোয়া-মোনাজাত করা হয়েছে। শুক্রবার (২০ মার্চ) রাজধানীসহ সারা দেশে গভীর ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্যে জুমা আদায় করেন মুসল্লিরা। বৈরী আবহাওয়া উপেক্ষা করে
লাইলাতুল কদর আজ
যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্য পরিবেশে সোমবার (১৬ মার্চ) রাতে সারাদেশে পবিত্র লাইলাতুল কদর পালিত হবে। এ উপলক্ষে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে বাদ মাগরিব বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে আলোচনা সভা ও দোয়া আয়োজন করা হয়েছে। সভায় পবিত্র কোরআন ও হাদিসের আলোকে লাইলাতুল কদরের ফজিলত, গুরুত্ব ও তাৎপর্য তুলে ধরে ওয়াজ করবেন বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের
রমজানের ২০ আমল
১. শাবান মাসের শেষ দিনে রমজানের চাঁদ দেখা: আল্লাহর রাসূল (সা.)-এর নির্দেশ- তোমরা চাঁদ দেখে রোজা রাখবে, চাঁদ দেখে ঈদ করবে। -সহিহ বোখারি ও মুসলিম ২. দিনে রোজা রাখা: আল্লাহতায়ালা বলেন- তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি রমজান মাসে উপনীত হবে, সে যেন রোজা রাখে। -সূরা আল বাকারা : ১৮৫ ৩. রাতে তারাবির নামাজ পড়া: আল্লাহর রাসূল (সা.) বলেন, যে ব্যক্তি রমজান মাসে রাতে জেগে নামাজ
রমজান মাস কেন শ্রেষ্ঠ?
মুসলমানদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও পুণ্যময় মাস রমজানুল মোবারক। বছর ঘুরে রমজান মাস মুমিনের জীবনে রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের কারণ হয়ে আগমন করে। এটি শুধু সিয়াম সাধনার মাস নয়; বরং এটি আল্লাহর রহমত বর্ষণের, গুনাহ মাফের এবং জাহান্নাম থেকে মুক্তির বিশেষ সময়। এ মাসের ফজিলত ও মর্যাদা কোরআন ও সহিহ হাদিস দ্বারা সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত। রাসূলুল্লাহ
হালাল উপার্জন ছাড়া ইবাদত কবুল হয় না
হালাল রিজিক ভক্ষণ করা প্রত্যেক মুসলমানের জন্য আবশ্যক। মহান আল্লাহ তাঁর প্রিয় বান্দাদের হালাল রিজিক ভক্ষণের নির্দেশ দিয়েছেন। পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘হে রাসুলরা! তোমরা পবিত্র বস্তু ভক্ষণ করো এবং নেক কাজ করো।’ (সুরা : মুমিনুন, আয়াত : ৫১)। এই নির্দেশ শুধু নবী-রাসুলদের জন্য নয়, বরং সব ঈমানদারের জন্য এই নির্দেশ প্রযোজ্য। কারণ হালাল রিজিক
