ফিচার সংবাদ
তামাক কোম্পানির অপতৎপরতা রুখতে আইন শক্তিশালী করা জরুরি
বিদ্যমান তামাক নিয়ণ্ত্রণ আইনের দূর্বলতার সুযোগ নিয়ে বহুজাতিক সিগারেট কোম্পানিগুলো নিত্যনতুন কৌশলে তাদের পণ্যের প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছে। এছাড়া, বিভ্রান্তিকর তথ্যের মাধ্যমে তামাকের কর বৃদ্ধি ও তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন সংশোধন প্রক্রিয়াকে বিলম্বিত ও প্রশ্নবিদ্ধ করছে। গবেষণায় দেখা গেছে, বিদ্যমান তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন ভঙ্গেও বেপরোয়া বহুজাতিক
বন্দর চুক্তি নিয়ে গোপনীয়তা কেন ?
।। এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া।। দেশের বন্দরগুলো বাংলাদেশের অর্থনীতির রক্তপ্রবাহ হিসেবে পরিচিত। গত কয়েক দশকে অর্থনীতির যে উত্থান ও প্রসার, তার নেপথ্যে বড় ভূমিকা রাখছে চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন বন্দর। রাজস্ব আয়, পণ্যের অবাধ চলাচল আর সহনীয় ফি ও মাশুলের কারণে ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তাদের কাছে বন্দরের গুরুত্ব বাড়লেও এখন এমনভাবে তা বিদেশিদের হাতে তুলে দেওয়া
নারীর অধিকার সুরক্ষায় আইন শক্তিশালীকরণ জরুরি
নারীর শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, সামাজিক সুবিধা, এবং ন্যায়বিচারের মতো মৌলিক অধিকার সুরক্ষায় শক্তিশালী জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন আইন বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। সরকার ২০৩০ সালের মধ্যে সবার জন্য জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন নিশ্চিত করার অঙ্গীকার করলেও বিদ্যমান আইনের দুর্বলতা এই লক্ষ্য অর্জনে বড় বাধা হিসেবে কাজ করছে। আজ ২৫ নভেম্বর, আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন
কারগারও কবি নজরুলের কণ্ঠরোধ করতে পারে নাই
।। এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া ।। “ মহা - বিদ্রোহী রণক্লান্ত আমি সেই দিন হব শান্ত। যবে উৎপীড়িতের ক্রন্দন-রোল আকাশে-বাতাসে ধ্বনিবে না, অত্যাচারীর খড়ুগ কৃপাণ ভীম রণ, ভূমে রণিবে না- বিদ্রোহী রণক্লান্ত আমি সেই দিন হব শান্ত। ” না কবি কাজী নজরুল ইসলাম কোনও দিন শান্ত হননি। তাঁর বিপ্লব চলেছে সারা জীবন। শেষ জীবনে হয়তো অনেক কিছুই বুঝতেন না, কিন্তু
বিশ্ব টয়লেট দিবস ২০২৫
মানসম্মত ও প্রবেশগম্য টয়লেট নিশ্চিতের দাবি পরিবেশবাদীদের
বাংলাদেশ গত দুই দশকে স্যানিটেশন খাতে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি করেছে। কিন্তু এ অর্জনের পাশাপাশি আমাদের এখনো কিছু বড় চ্যালেঞ্জ রয়ে গেছে। নগর দরিদ্র, পথচারী, বিশেষত নারী ও প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য গণশৌচাগার পরিষেবা প্রায় অনুপস্থিত। কিন্তু এ পরিষেবাটি শুধুমাত্র অবকাঠামো নয়, বরং স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা, মর্যাদা ও মানবাধিকারের প্রতীক। মানসম্মত ও
অবহেলার শিকার মওলানা ভাসানী
।। এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া।। ১৭ নভেম্বর, ২০২৫ স্বাধীন বাংলাদেশের স্বপ্নদ্রষ্টা মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর ৪৯তম মৃতু্যবার্ষিকী ছিল। ভোর বেলার প্রায় সকল গণমাধ্যমে চোখ ভোলালাম। আজ মওলানা ভাসানীর মৃতু্যবার্ষিকী সংবাদটি দেখলাম। খুটিয়ে খুটিয়ে দেখলাম ২০২৪ এর গণআন্দোলনের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত অর্ন্তবর্তীকালিন সরকারের প্রধান
মেহনতি মানুষের মুক্তির দিশারী মওলানা ভাসানী
।। মিতা রহমান।। মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী আফ্রো-এশিয়া-ল্যাতিন আমিরিকার মানুষের কাছে “মজলুম জননেতা” হিসাবে পরিচিত। তিনি ছিলেন বিংশশতকী ব্রিটিশ ভারতের অন্যতম তৃণমূল রাজনীতিবিদ ও গণআন্দোলনের নায়ক। বেশ কিছু সাধারণ ও স্থানীয় নির্বাচনে জয়ীও হয়েছিলেন, তবে কখনও ক্ষমতায় যাওয়ার চেষ্টা করেন নি। তাঁর নেতৃত্বের ভিত্তি ছিল কৃষক শ্রমিক
ভাসানী-জিয়া ও জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস
।। এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া।। ৭ নভেম্বরের বিপ্লবের প্রেক্ষাপটে মাওলানা ভাসানী একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ছিলেন এবং তার ভূমিকাও আলোচনার দাবি রাখে। যদিও ১৯৭৫ সালের এই দিনের ঘটনার সঙ্গে সরাসরি তার সরাসরি অংশগ্রহণ ছিল না, তবে তার দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অবস্থান এবং সংগ্রামের মধ্য দিয়ে তিনি যে নীতি ও আদর্শ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, তা ৭
২৮ অক্টোবরের লগি-বৈঠা ও আ'লীগের কালো অধ্যায়
।। এম. গোলাম মোস্তফা ভূইয়া ।। ২০০৬ সালের ২৮শে অক্টোবর ঢাকার পল্টন-বায়তুল মোকাররম এলাকায় আওয়ামী লীগ ও জামায়াতে ইসলামীর মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনাকে "লগি-বৈঠার পৈশাচিকতা" হিসেবে উল্লেখ করা হয়, যেখানে উভয় আওয়মী লীগের ভয়াবহ লগি-বৈঠার তান্ডব, প্রকাশ্যে অস্ত্র ব্যবহার ও মানুষ হত্যা করে লাশের উপর পৈচাশিকতার নগ্ন বহিঃপ্রকাশ ঘটেছিল। যা ব্যাপক আলোড়ন
সম্রাট আকবরের রাজত্বকালের সূচনা
আজ ১৩ অক্টোবর ২০২৫, সোমবার। নানা উল্লেখযোগ্য ঘটনার দিক থেকে ইতিহাসে এ দিনটিও গুরুত্বপূর্ণ ও স্মরণীয়। আসুন, একনজরে জেনে নেয়া যাক ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যুদিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়। ঘটনাবলি খ্রিষ্টপূর্ব ৫৩৯ - ইরানে হাখামানেশিয় সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা সাইরাস ইরাকের ঐতিহাসিক
৬২'র শিক্ষা আন্দোলন ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়
।।এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া।। ১৯৬২ সালের ১৭ই সেপ্টেম্বর ঐতিহাসিক শিক্ষা দিবস। শিক্ষার অধিকার আদায়ে এই দিনেই ঢাকার রাজপথে তৎকালীন পাকিস্তানী শাসকগোষ্টির পুলিশের গুলিতে জীবন উৎস্বর্গ করেছিল মোস্তফা ওয়াজিল্লাহ, বাবুল প্রমুখ ছাত্র নেতারা। পাকিস্তানের সামরিক শাসক ফিল্ডমার্শাল আইয়ুব খানের শাসনামলে শরীফ কমিশনের নেতৃত্বে একটি শিক্ষানীতি প্রনয়ণ
