স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশ: ২৪ জুন, ২০২৬ ০৯:৪২ পূর্বাহ্ন | দেখা হয়েছে ২৪ বার
আক্রমণের পর আক্রমণ, বল দখলে একচ্ছত্র আধিপত্য। তবুও কাঙ্ক্ষিত গোলের দেখা পেল না ইংল্যান্ড।
শেষ পর্যন্ত ঘানার জমাট রক্ষণ ও গোলরক্ষকের দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে আটকে গেল থমাস টুখেলের দল। বিশ্বকাপের ‘এল’ গ্রুপের ম্যাচে ঘানার সঙ্গে গোলশূন্য ড্র করে মাঠ ছাড়তে হয়েছে ইংল্যান্ডকে।
ম্যাচের শুরু থেকেই নিয়ন্ত্রণ ছিল ইংল্যান্ডের হাতে। প্রথমার্ধে প্রায় পুরোটা সময় বল নিজেদের দখলে রেখে আক্রমণ সাজায় তারা।
ডেকলান রাইস, জুড বেলিংহ্যাম, ননি মাদুয়েকে ও হ্যারি কেইনকে ঘিরে একের পর এক আক্রমণ তৈরি হলেও ঘানার রক্ষণ দেয়াল ভাঙতে পারেনি তারা।
ঘানার কৌশল ছিল পরিষ্কার, নিজেদের অর্ধে বাড়তি খেলোয়াড় রেখে জায়গা বন্ধ করে দেওয়া এবং সুযোগ পেলেই পাল্টা আক্রমণে ওঠা।
বেলিংহ্যামকে ঘিরে রাখে ঘানার মিডফিল্ড, ফলে ইংল্যান্ডের আক্রমণের গতি বারবার থেমে যায়।
প্রথমার্ধে ডান দিকে ননি মাদুয়েকে ও রিস জেমস কয়েকবার ঘানার রক্ষণে চাপ তৈরি করেন। ১২ মিনিটে জেমস-মাদুয়েকের সমন্বয়ে তৈরি হওয়া আক্রমণ শেষ মুহূর্তে ঠেকিয়ে দেন ঘানার ডিফেন্ডাররা। এরপর জেমসের কয়েকটি ক্রসও ঠিকানা খুঁজে পায়নি।
দ্বিতীয়ার্ধেও একই চিত্র। গোলের জন্য মরিয়া ইংল্যান্ড আক্রমণের পর আক্রমণ করতে থাকে। ঘানার রক্ষণ ভাঙতে না পেরে শেষ দিকে আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে তারা।
৮৬ মিনিটে ইংল্যান্ডের সামনে সবচেয়ে বড় সুযোগ আসে। বুকায়ো সাকার শট দারুণ দক্ষতায় ঠেকিয়ে দেন ঘানার গোলরক্ষক বেঞ্জামিন আসারে। একই আক্রমণে বল একবার পোস্টেও লাগে। এরপর সুবিধাজনক জায়গা থেকে হ্যারি কেইনের নেওয়া শট চলে যায় ক্রসবারের ওপর দিয়ে।
ইনজুরি সময়েও ইংল্যান্ড কয়েকটি ভালো সুযোগ তৈরি করে। কর্নার থেকে মার্ক গুয়েহির হেড প্রায় গোললাইন থেকে ফিরিয়ে দেন ঘানার ডিফেন্ডাররা। এরপর আরও কয়েকটি সেটপিস পেলেও সেগুলো কাজে লাগাতে পারেনি ইংল্যান্ড। শেষ মুহূর্তে গোলরক্ষক আসারে এগিয়ে এসে কয়েকটি বিপদ সামলে দেন।
এই ড্রয়ের ফলে নকআউট পর্ব নিশ্চিতের অপেক্ষা বাড়ল ইংল্যান্ডের। গ্রুপ ‘এল’-এর শেষ ম্যাচের ফলের ওপর এখন নির্ভর করছে তাদের পরের রাউন্ডে উঠা। অন্যদিকে ঘানা গুরুত্বপূর্ণ এক পয়েন্ট নিয়ে লড়াইয়ে টিকে রইল।