সম্পাদকীয় সংবাদ
অপরাধী কে? রাষ্ট্র, মানুষ, না সময়? পর্ব-১ : অ্যাডভোকেট এম.এ.এ. বাদশাহ্ আলমগীর
অপরাধের মুখোমুখি আয়নায় কার মুখ দেখা যায়? : জন্মের পরপরই কেউ ‘অপরাধী’ হয় না। একটি শিশু পৃথিবীতে আসে নিষ্পাপ, নির্দ্বিধায়। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তার চারপাশে তৈরি হয় নিয়ম, বাধা, চাপ, লোভ, অপমান, ক্ষুধা, অবহেলা আর এক অদৃশ্য কিন্তু নির্মম শৃঙ্খলের জাল। তখন প্রশ্ন জাগে—অপরাধ কি মানুষ নিজে করে, না সময় তাকে বাধ্য করে? রাষ্ট্র কি সত্যি একজন মা, না একজন
অ্যাডভোকেট আজিজুর রহমান দুলু – এক জীবন্ত বিবেক, এক বিচারযোদ্ধার প্রতিচ্ছবি : এম.এ.এ. বাদশাহ্ আলমগীর
যেখানে আইন থামে, সেখানেই মানুষ জাগে : সব দেশে সংবিধান থাকে, আইন থাকে, আদালত থাকে—কিন্তু সব দেশে আজিজুর রহমান দুলু থাকেন না। তিনি কেবল একজন খ্যাতিমান আইনজীবী নন, তিনি এক দৃষ্টি, এক দর্শন, এক অন্তর্দৃষ্টি—যার আলোয় শুধু আইনের পথ নয়, মানবতার গলি ঘরেও আলো পড়ে। তিনি মনে করিয়ে দেন, ন্যায় কেবল বিধানে নয়, তা প্রকাশ পায় সাহসে, সহানুভূতিতে ও বিবেকের সাহচর্যে।
ভাঙা আয়নার দেশে ন্যায়: সংবিধানের পাতা বনাম জীবনের প্রতিচ্ছবি : এম.এ.এ. বাদশাহ্ আলমগীর
আয়নার সামনে দাঁড়ালে রাষ্ট্র কী দেখে? প্রতিদিন আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে আমরা দেখি মুখের রেখা, চোখের ক্লান্তি, হয়তো বিবেকের দাগ। কিন্তু যদি রাষ্ট্র আয়নার সামনে দাঁড়ায়? সে কী দেখে—সংবিধানের অলংকৃত অক্ষর, না জনগণের চোখের অশ্রু? এই প্রশ্নটি শুধু দার্শনিক নয়, এটি আমাদের সময়ের সবচেয়ে বাস্তব, প্রাসঙ্গিক এবং জরুরি প্রশ্ন।প্রতিটি সমাজের একটি আয়না থাকা
ভয়ের থানা, বিভ্রান্তির আদালত: যেখানে ন্যায় খোঁজে আশ্রয়, আর মানুষ খোঁজে হৃদয়
-একটি রাষ্ট্রীয় আয়নার রক্তাক্ত প্রতিবিম্ব: এম.এ.এ. বাদশাহ্ আলমগীর
“Every man is guilty of all the good he did not do.” — Voltaire. শিশুর প্রথম শব্দ কান্না, আর মৃত্যুপথযাত্রী বৃদ্ধের শেষ আবেদন—"স্যার, বিচার চাই..." এই দুই মুহূর্তের মাঝে যে যাত্রা, সেটি থানার গেট আর আদালতের সিঁড়িতে এসে বারবার থেমে যায়। থানা ও আদালত — একদিকে রাষ্ট্রের আশ্রয়স্থল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের আতঙ্কের ছায়া। এ যেন সৃষ্টির দুটি হাত—যার এক হাত দিয়ে ন্যায় দেওয়ার
আইন যখন নিঃশব্দ, ন্যায় তখন কোথায় দাঁড়ায়? আর বাস্তবতা কতদূরে? : এম.এ.এ. বাদশাহ্ আলমগীর
“Where law ends, does justice begin?” — এই প্রশ্নটি যেন প্রতিটি বিবেকবান মানুষের হৃদয়ে আজ এক বেদনার ধ্বনি হয়ে বেজে ওঠে। আইন এবং ন্যায়— দুটি শব্দ, দুটি দর্শন, দুটি যাত্রাপথ। একটির পা বাঁধা কাগজে, অন্যটির ডানা মেলে হৃদয়ের গগনে। আইন শিখিয়ে দেয় কী করব, কিন্তু ন্যায় শেখায় কেন করব না। আইন বিচার করে ‘ঘটনা’ দেখে, ন্যায় বিচার করে ‘মানুষ’ দেখে। আইন বলে—ধারা ৩০২।
আইনের হাত আছে, চোখ নেই, কিন্তু মস্তিষ্ক কোথায়???
যখন আইন কাজ করে হাতে, দেখে না চোখে, আর চিন্তা করে না মস্তিষ্কে—তখন ন্যায় কীভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়?
এম.এ.এ.বাদশাহ্ আলমগীর Advocate The Subordinate Courts of Bangladesh Associated with Practice at the High Court রাত গভীর হলে, একটা শব্দও হয়ে ওঠে বজ্রসম। যেমন ‘ন্যায়’ শব্দটা। দিনের আলোয় আমরা যাকে খুঁজি খসখসে আইনপত্রে—রাতের নিস্তব্ধতায় সে হয়ে ওঠে এক ব্যর্থ প্রতিধ্বনি। কোথাও কোনও কাঁদতে থাকা চোখের ভিতর, কোনও অসহায় কণ্ঠের চুপচাপ আকুতিতে, কিংবা আদালতের বারান্দায় বসে থাকা এক পরিত্যক্ত জীবনের
