স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশ: ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২১:০৮ অপরাহ্ন | দেখা হয়েছে ২২ বার
১৪ দলকে নিয়ে প্রথমবার আয়োজিত আসিয়ান কাপের উদ্বোধনী ম্যাচেই মাঠে নামছে বাংলাদেশ। শুক্রবার মালয়েশিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে প্রথমবারের মতো ফিফা আয়োজিত কোনো টুর্নামেন্টে খেলতে যাচ্ছে লাল-সবুজের দল।
কোচ থমাস ডুলির অধীনে ২৩ সদস্যের চূড়ান্ত দল নিয়ে বর্তমানে জাকার্তায় অবস্থান করছে বাংলাদেশ। ভারতের নাম প্রত্যাহারের সুবাদে ফিফার অর্থায়নে এই টুর্নামেন্ট খেলার সুযোগ পেয়েছে বাংলাদেশ।
সেই সুযোগের পূর্ণ সদ্ব্যবহার করতে মুখিয়ে আছেন ডুলির শিষ্যরা।
আসিয়ান কাপে খেলার রোমাঞ্চ ছুঁয়ে যাচ্ছে হামজা চৌধুরিকেও।
ফিফার নতুন এই প্রতিযোগিতায় শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতার মুখে পড়তে হবে বাংলাদেশকে। ‘এ’ গ্রুপে জামাল-হামজাদের প্রতিপক্ষ মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর ও স্বাগতিক ইন্দোনেশিয়া।
প্রতিপক্ষ যত শক্তিশালীই হোক, নিজেদের লক্ষ্য ঠিক করে রেখেছে বাংলাদেশ। অনুশীলনে শেফিল্ড ইউনাইটেডের তারকা মিডফিল্ডার হামজা বলেন, ‘এই টুর্নামেন্টে খেলার সুযোগ পেয়ে আমরা দারুণ রোমাঞ্চিত ও গর্বিত। র্যাঙ্কিংয়ে এগিয়ে থাকা দলগুলোর বিপক্ষে খেলার এটি বড় একটা সুযোগ। আমাদের প্রধান লক্ষ্য থাকবে যতটা সম্ভব বেশি পয়েন্ট আদায় করে নেওয়া। কাউকে ভয় পেয়ে আমরা এখানে আসিনি, নিজেদের সামর্থ্যের ওপর আমাদের পূর্ণ বিশ্বাস আছে। ইনশাআল্লাহ, এই অভিজ্ঞতা থেকে অনেক কিছু শিখে দেশের মুখ উজ্জ্বল করতে চাই।’
মাঠের লড়াইয়ে নামার আগে জাকার্তার পরিবেশও মুগ্ধ করেছে হামজাকে। তিনি বলেন, ‘সত্যিই অসাধারণ। আমি যেমনটা আশা করেছিলাম, ঠিক তেমনই। মানুষজন খুবই বন্ধুত্বপূর্ণ ও সদয়। এখানে ফুটবলের প্রতি মানুষের প্রচুর আগ্রহ রয়েছে এবং সুযোগ-সুবিধাগুলো খুব ভালো। শুক্রবারের ম্যাচের অপেক্ষায় আছি। দেখি কী হয়!’
মাঠের প্রস্তুতি ও সার্বিক আয়োজন নিয়েও সন্তুষ্ট হামজা। তার ভাষায়, ‘অনুশীলনের পিচ অসাধারণ ছিল, সত্যি নিখুঁত। চমৎকার মাঠে অনুশীলন করে আমরা বেশ উপভোগ করেছি। স্টেডিয়াম এখনও দেখা হয়নি, ইনশাআল্লাহ কাল দেখব। সব মিলিয়ে অভিযোগ করার মতো কিছুই নেই; হোটেল ও সবার ব্যবহার চমৎকার ছিল।’
বাংলাদেশের প্রথম পরীক্ষা মালয়েশিয়ার বিপক্ষে। অভিজ্ঞতা ও তারুণ্যের মিশেলে গড়া দলটির প্রতিপক্ষকে যথেষ্ট শক্তিশালীই মনে করছেন হামজা।
মালয়েশিয়া সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘তারা বেশ ভালো র্যাংকিংয়ে আছে। দলে দারুণ গুণমানের খেলোয়াড় এবং একজন অভিজ্ঞ প্রধান কোচ রয়েছেন। বিশেষ করে পরবর্তী বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে তারা যদি মূল পর্বে যেতে লড়াই করে, তবে অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না। দেশের ফুটবলের ওপর সবাই বেশ গুরুত্ব দিচ্ছে।’