সম্পাদকীয় সংবাদ
ভোটের দিন — জালিয়াতি রোধে তিন পক্ষের করণীয়
ভোটের দিন — জালিয়াতি রোধে তিন পক্ষের করণীয়ঃ: এম.এ.এ. বাদশাহ্ আলমগীর (এজেন্ট, ভোটার ও নির্বাচন কমিশন) ভোট শুধু কাগজের টুকরো নয়—এটা জনতার কণ্ঠ, জাতির আত্মমর্যাদা। যদি ভোটে ভরসা না থাকে, রাষ্ট্রের নৈতিক ভিত্তিই কেঁপে ওঠে। (সংবিধান: ধারা ৭ ও ১১)। আন্তর্জাতিক নীতিতেও একই বার্তা—UDHR (ধারা ২১), ICCPR (ধারা ২৫) ও OSCE/ Venice নির্দেশনা সবাই বলছে: নির্বাচন
আইন কি সবার জন্য সমান?: এম.এ.এ. বাদশাহ্ আলমগীর
(ট্রাইব্যুনালে—ডিফেন্স পক্ষ মোবাইল খামে জমা দেয়, প্রসিকিউশন পক্ষ ওপেন ব্যবহার করে)
“আইন কি সবার জন্য সমান?”—এই প্রশ্নটি সভ্যতার ইতিহাসে গভীর ও বারবার ফিরে আসা একটি প্রশ্ন। এটির উত্তর কেবল সংবিধানের কলামেই নেই; সত্যিকার পরীক্ষাটা হয় আদালতের মাঠে—নির্বাহী আচরণে, প্রাতিষ্ঠানিক শৃঙ্খলায়, এবং নৈতিক দায়বদ্ধতায়। বাংলাদেশের সংবিধানের ২৭ অনুচ্ছেদ বলে: ‘সকল নাগরিক আইনের সামনে সমান এবং আইনের সমান সুরক্ষা লাভের অধিকারী।”এটি
নির্বাচন ১২ ফেব্রুয়ারিতেই হবে
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারিতেই জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে বলে সরকারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি বলেছেন, নির্ধারিত সময়ের এক দিন আগেও নয়, এক দিন পরেও নয়, ১২ ফেব্রুয়ারিতেই নির্বাচন হবে। মঙ্গলবার রাতে ঢাকার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় যুক্তরাষ্ট্রের দুই সাবেক জ্যেষ্ঠ কূটনীতিক আলবার্ট
নির্বাচনে পর্যবেক্ষক দল পাঠাবে ইউরোপীয় ইউনিয়ন
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) বাংলাদেশে একটি বড় সংখ্যক পর্যবেক্ষক দল পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আজ ঢাকায় প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে ইইউ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের প্রধান পর্যবেক্ষক ও ইউরোপীয় পার্লামেন্টের সদস্য ইভারস আইজাবস এ সিদ্ধান্তের কথা জানান। পরে প্রধান উপদেষ্টার
মব জাস্টিস: ভিড়ের উন্মাদনায় ন্যায়ের অপমৃত্যু : এম.এ.এ. বাদশাহ্ আলমগীর
মব জাস্টিস: ভিড়ের উন্মাদনায় ন্যায়ের অপমৃত্যু : এম.এ.এ. বাদশাহ্ আলমগীর “বিচারের বাণী যখন নিভৃতে কাঁদে, তখন রাজদণ্ড আর ধর্মদণ্ড উভয়েই অর্থহীন হয়ে পড়ে।” — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রবীন্দ্রনাথের সেই কথাটি আজ অপ্রস্তুতভাবে আমাদের সামনে দাঁড়িয়েছে। মব জাস্টিস বা জনবিচার কোনো হঠাৎ আবেগের ঝলক নয়; এটি রাষ্ট্র, সমাজ ও নৈতিকতার দীর্ঘসূত্রী অবহারের
মৃত্যু ঘোষণার বিজ্ঞান ও আদালতে জিজ্ঞাসা: জীবন আর মৃত্যুর সীমানায় দাঁড়িয়ে চিকিৎসকেরা : এম.এ.এ. বাদশাহ্ আলমগীর
হাসপাতালের বিছানা বনাম আদালতের কাঠগড়া একজন ডাক্তার হাসপাতালের ওয়ার্ডে স্টেথোস্কোপ কানে লাগিয়ে নীরবতা শুনছেন। তিনি ঘোষণা করলেন—“রোগী মৃত।” সেই ঘোষণাই পরে আদালতের কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে হয়ে ওঠে তীক্ষ্ণ প্রশ্নের লক্ষ্যবস্তু। “ডাক্তার সাহেব, আপনি কত মিনিট হার্টবিট শুনেছিলেন?” “ECG করেছিলেন কি?” “চোখে আলো ফেলে পিউপিল রিয়েকশন দেখেছিলেন?” চিকিৎসক
ন্যায়বিচারের মুখোশে প্রতিশোধ: রাষ্ট্র কাকে রক্ষা করছে? : এম.এ.এ. বাদশাহ্ আলমগীর
একটি ছোট্ট কক্ষ। জানালা নেই। আলো নেই। শুধু এক কোণে লোহার শিক। গুয়ারানতানামো বে-র এক বন্দী একদিন লিখেছিলেন, “আমি জানি না, আমি কী অপরাধ করেছি। শুধু জানি, আমি ভুল সময়ে ভুল জায়গায় ছিলাম।” তার জীবনের সবকিছু কেড়ে নেওয়া হয়েছিল—কিন্তু আদালতের সামনে দাঁড়াবার ন্যূনতম অধিকারও দেওয়া হয়নি। প্রশ্নটা তখন শুধু একজন মানুষের নয়; প্রশ্নটা রাষ্ট্রের: ন্যায়বিচার
রাজনীতি ও বিচার: স্বাধীনতা নাকি বন্দিত্ব? : এম.এ.এ. বাদশাহ্ আলমগীর
আদালতের ভেতরে রাষ্ট্রের হাত: আদালতের বেঞ্চে অসমতা ঢাকার আদালতকক্ষে এক বিকেল।রিকশাচালক শফিক মিয়া—ফি বাকি থাকায় উকিল আসেননি। অন্যদিকে প্রভাবশালী ব্যবসায়ী—তিন আইনজীবী, প্রস্তুত জামিন। কাগজে দুজন সমান। কক্ষে তারা দুই ভুবনের মানুষ। ইতিহাসের শৃঙ্খল সংবিধান বলেছে—“সব নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান।” কিন্তু স্বাধীনতার পর থেকে এ সমতা কাগজেই
আইনের দাঁড়িপাল্লা কি সত্যিই সবার জন্য সমান?: অ্যাডভোকেট এম.এ.এ. বাদশাহ্ আলমগীর
আদালতের ভেতর যেন এক অদৃশ্য চাপা উত্তেজনা। দেয়ালে ঝুলছে সংবিধানের ফ্রেম করা প্রতিশ্রুতি—“সকল নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান।” কাঠের বেঞ্চের একপাশে বসে আছেন শফিক মিয়া—রিকশাচালক, হাতে মলিন কাগজের ফাইল, চোখে ভয় ও অনিশ্চয়তা। অন্য পাশে স্যুট-টাই পরা এক প্রভাবশালী ব্যবসায়ী, পাশে তিনজন অভিজ্ঞ উকিল, হাতে দামি ফোন, ঠোঁটে নিশ্চিন্ত হাসি। অভিযোগ?
রাষ্ট্র যখন বিচারকের আসনে পক্ষ নেয়: ন্যায়বিচারের পাল্লা কার হাতে? : অ্যাডভোকেট এম. এ. এ. বাদশাহ্ আলমগীর
"যদি আইন সবার জন্য সমান না হয়, তবে অপরাধ করার সাহস রাষ্ট্রই দেয়।" — হান ফেই, চীনা দার্শনিক। বিচারের ইতিহাসে এমন এক মুহূর্ত বারবার ফিরে আসে—যখন আদালতের কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে থাকে না শুধু একজন অভিযুক্ত, বরং রাষ্ট্র নিজেই।কারণ ন্যায়বিচারের পাল্লা, যা মানুষের আশার প্রতীক হওয়ার কথা, তা একদিন নীরবে ঝুঁকে পড়ে একদিকের দিকে-ক্ষমতার দিকে। আইন তখন কেবল
রাষ্ট্র কি অপরাধী? নাকি রাষ্ট্রই অপরাধ সৃষ্টি করে?: শেষ পর্ব: অ্যাডভোকেট এম.এ.এ. বাদশাহ্ আলমগীর
“যদি আইন সবার জন্য সমান না হয়, তবে অপরাধ করার সাহস রাষ্ট্রই দেয়।”-হান ফেই, চীনা দার্শনিক। রাষ্ট্র -যে প্রতিষ্ঠানকে আমরা ন্যায়বিচারের রক্ষক, দুর্বলের আশ্রয় বলে মনে করি — কখনো কখনো নিজেই সেই আশ্রয়ের জায়গায় বিষবৃক্ষ হয়ে ওঠে। যখন আইন, নীতি ও প্রতিষ্ঠান শক্তিশালী ও সৎ থাকে, তখন সমাজে আস্থা বাড়ে এবং অপরাধ কমে। কিন্তু আইন যদি পক্ষপাতপূর্ণ হয়,
ভাষা জানে, বিবেক বোঝে, কিন্তু আইন শুনে না : অ্যাডভোকেট এম.এ.এ. বাদশাহ্ আলমগীর
ভাষার আয়নায় বিবেক: যখন আইন হৃদয়কে বুঝতে ব্যর্থ হয় আইন কেন যেন ‘কান’ হারিয়ে ফেলেছেঃ একজন মানুষ কাঁদে। আদালত নীরব থাকে। একজন মা চিৎকার করে বলেন, “বিচার চাই!” বিচারক বলেন, “এই অনুরোধ আদালতের এখতিয়ারে পড়ে না।” আমরা এমন এক সময়ে দাঁড়িয়ে আছি, যেখানে আইন শোনে না, কারণ তার কান নেই। ভাষা—জানে,বিবেক—বোঝে, কিন্তু আইন—শুধু ধারা খোঁজে, ব্যাখ্যা
