ঢাকা, শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬,
সরকার অনুমোদিত নিবন্ধন নম্বর ১৯১
Reg:C-125478/2015

মানবিকতা-সেবার মনোভাব নিয়ে জনগণকে পুলিশি সেবা দিতে হবে

ডেস্ক রিপোর্ট


প্রকাশ: ১ অক্টোবর, ২০২৬ ১০:০১ পূর্বাহ্ন | দেখা হয়েছে ৩০ বার


মানবিকতা-সেবার মনোভাব নিয়ে জনগণকে পুলিশি সেবা দিতে হবে

পুলিশ প্রধান (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির পেশাদারিত্বের সঙ্গে মানবিকতা ও সেবার মনোভাব নিয়ে জনগণকে পুলিশি সেবা দেওয়ার জন্য পুলিশ সদস্যদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর মিরপুরে পুলিশ স্টাফ কলেজ বাংলাদেশ-এর মাল্টিপারপাস হলে দুই দিনব্যাপী কমিউনিটি পুলিশিং নীতিমালা প্রণয়ন সংক্রান্ত কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ আহ্বান জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পুলিশ স্টাফ কলেজ বাংলাদেশ-এর রেক্টর (অতিরিক্ত আইজি) কাজী মো. ফজলুল করিম।

 

কর্মশালার উদ্যোগকে অত্যন্ত ইতিবাচক ও সময়োপযোগী উল্লেখ করে আইজিপি বলেন, জনমুখী পুলিশিংয়ের মূল ভিত্তি হলো, জনগণের আস্থা অর্জন এবং সেই আস্থাকে কার্যকর অংশীদারিত্বে রূপ দেওয়া।

জনগণের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ ও পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদারের মাধ্যমে অপরাধ প্রতিরোধ এবং নিরাপদ সমাজ গঠনে কমিউনিটি ও বিট পুলিশিং গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে তিনি উল্লেখ করেন। তিনি কমিউনিটি পুলিশিংয়ের মাধ্যমে কিশোর গ্যাং প্রতিহত করা এবং মাদকবিরোধী অভিযান যথাযথভাবে পরিচালনার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।

 

মো. আলী হোসেন ফকির বলেন, দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে প্রতিভাবান তরুণ খেলোয়াড় খুঁজে বের করে সেরা খেলোয়াড়দের সমন্বয়ে জাতীয় কাবাডি দল গঠনের লক্ষ্যে ‘১ম কমিউনিটি পুলিশিং কাবাডি টুর্নামেন্ট-২০২৬’ সারাদেশে প্রাণচাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। তিনি বলেন, কাবাডি আমাদের জাতীয় খেলা ও গৌরবের অংশ।

এ ধরনের উদ্যোগের মাধ্যমে আমরা সমাজের সব শ্রেণি-পেশার মানুষের কাছে পৌঁছাতে পারছি।

 

আইজিপি বলেন, বাংলাদেশ পুলিশ সততা, ন্যায়সংগত আচরণ এবং পারস্পরিক সম্মানের সঙ্গে জনগণকে সেবা দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। পুলিশ সদস্যদের উদ্দেশে তিনি বলেন, শান্তিপূর্ণ ও সহনশীল কমিউনিটি গড়ে তোলার লক্ষ্যে জনগণের সঙ্গে আমাদের অংশীদারত্ব আরও শক্তিশালী করে পারস্পরিক আস্থা অর্জনের মাধ্যমে অপরাধ প্রতিরোধ করতে হবে।

অনুষ্ঠানে রেক্টর কাজী মো. ফজলুল করিম ‘বাংলাদেশে কমিউনিটি ও বিট পুলিশিং পুনর্গঠন : একটি জনমুখী, প্রতিরোধমূলক ও গোয়েন্দা-তথ্যনির্ভর পুলিশিং কাঠামোর পথে’ শীর্ষক মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। তিনি বিদ্যমান অভিজ্ঞতা ও অর্জনের ভিত্তিতে কমিউনিটি ও বিট পুলিশিংকে আরও প্রতিরোধমূলক, জবাবদিহিমূলক, তথ্যনির্ভর ও জনসম্পৃক্ত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

মূল প্রবন্ধের ওপর আলোচনা করেন অতিরিক্ত আইজি (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) মো. সায়েদুর রহমান এবং ভাইস-রেক্টর ড. মো. আব্দুস সোবহান। তারা কমিউনিটি ও বিট পুলিশিংকে আরও কার্যকর করার বিভিন্ন বাস্তব দিক তুলে ধরে মতামত দেন।

কর্মশালা থেকে প্রাপ্ত মাঠপর্যায়ের অভিজ্ঞতা, মতামত ও সুপারিশ সমন্বয় করে বাংলাদেশ পুলিশের কমিউনিটি ও বিট পুলিশিংকে আরও কার্যকরভাবে প্রাতিষ্ঠানিকীকরণের লক্ষ্যে একটি বাস্তবমুখী ও বাস্তবায়নযোগ্য সুপারিশমালা প্রণয়ন করা হবে।

কর্মশালায় বাংলাদেশ পুলিশের কমিউনিটি অ্যাফেয়ার্স অফিসার ও সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করছেন।


   আরও সংবাদ