ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশ: ১৯ অক্টোবর, ২০২৬ ০৯:২৯ পূর্বাহ্ন | দেখা হয়েছে ৩ বার
বাংলাদেশ সচিবালয় রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের পুরোনো বাণিজ্য মেলার মাঠে স্থানান্তরের একটি প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। ২০২৯ সাল থেকে নতুন এই কমপ্লেক্স থেকে সরকারি সুযোগ-সুবিধা ও দপ্তরগুলোর কার্যক্রম শুরু হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
আজ রোববার বিকেলে সচিবালয়ে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি জানান, বিখ্যাত স্থপতি লুই আই কানের তৈরি মাস্টারপ্ল্যান অনুযায়ী আগারগাঁওয়ে প্রায় ৩১ দশমিক ৫৮ একর জমির ওপর নতুন এই সচিবালয় নির্মাণ করা হবে। পুরো প্রকল্পটি বাংলাদেশ সরকারের নিজস্ব অর্থায়নে বাস্তবায়ন করা হবে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার ২৫তম বৈঠকে সচিবালয় স্থানান্তরের প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়। পরে সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে সংবাদ সম্মেলনে এ সিদ্ধান্তের কথা জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি।
তিনি আরও জানান, নকশা অনুযায়ী শেরেবাংলা নগরের পুরোনো বাণিজ্য মেলার মাঠের প্রায় ৩১.৫৮ একর জায়গায় মোট প্রায় ৩৩.১৬ লাখ বর্গফুট স্পেসসম্বলিত ৩টি বেজমেন্টসহ (২০০টি ভূ-উপরিস্থ পার্কিংসহ ৩,৮০০টি গাড়ি পার্কিং) ১৪টি ১২ তলা ভবন নির্মাণ হবে। এতে থাকবে মসজিদ, ৩৫০ জন ধারণক্ষমতাসম্পন্ন ২টি মাল্টিপারপাস হল, ১টি ক্যাফেটেরিয়া এবং ১টি ডাকঘর। প্রকল্প এলাকার প্রায় ৩০ শতাংশ জায়গায় সবুজায়ন ও জলাধারের সংস্থান রাখা হয়েছে। বর্তমান সচিবালয় ১৭ একর জায়গার নির্মিত।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, লুই আই কানের মাস্টার প্ল্যান অনুযায়ী ঢাকার শেরেবাংলা নগরের পুরোনো বাণিজ্য মেলার মাঠ প্রাঙ্গণে বাংলাদেশ সচিবালয় স্থাপনের লক্ষ্যে স্থাপত্য অধিদপ্তর কর্তৃক ধারণাগত স্থাপত্য নকশা প্রণয়ন করা হয়।
সভায় মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্তও গ্রহণ করা হয়েছে। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নাম পরিবর্তন করে ‘নারী ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়’ অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
সভায় বিশেষ সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন অধ্যাদেশ, ২০২৬-এর খসড়া নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে। এতে আমদানিনির্ভর জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরশীলতা হ্রাসসহ বিদ্যুৎ খাতে ভর্তুকির পরিমাণ কমবে। অধিকতর জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের লক্ষ্যে বিদ্যুৎ বিভাগ ‘জাতীয় নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কৌশলপত্র ২০২৬-২০৩০’ প্রণয়ন করেছে। আগামী গ্রীষ্মের আগে ৩ থেকে ৪ হাজার মেগাওয়াট ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্য সরকার ইতোমধ্যে প্রণোদনা ঘোষণা করছে।