ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশ: ২৭ অক্টোবর, ২০২৬ ০৯:৪৪ পূর্বাহ্ন | দেখা হয়েছে ১৪ বার
ফেনী রেলওয়ে স্টেশনে যাত্রাবিরতি দিয়ে প্রথমবারের মতো কক্সবাজারের উদ্দেশ্যে ছেড়ে গেছে মহানগর এক্সপ্রেস।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) প্রথম যাত্রায় ফেনী থেকে ট্রেনটিতে কক্সবাজারের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন ৪৭ জন যাত্রী।
তবে নির্ধারিত সময়ের এক ঘণ্টা চার মিনিট পর স্টেশন ছাড়ে ট্রেনটি।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) রাত সাড়ে ৮টায় ঢাকার কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনের ৩ নম্বর প্ল্যাটফর্ম থেকে কক্সবাজারের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করে ট্রেনটি।
রাত ১টা ৪ মিনিটে ফেনী স্টেশনে পৌঁছানোর কথা থাকলেও পৌঁছায় রাত ১টা ৫৫ মিনিটে। পরে রাত ২টা ১০ মিনিটে স্টেশন ছেড়ে যায় ট্রেনটি।
এতে নির্ধারিত সময়ের তুলনায় ৫১ মিনিট দেরিতে স্টেশনে পৌঁছায় এবং এক ঘণ্টা চার মিনিট বিলম্বে ছেড়ে যায়।
এদিন ঢাকা থেকে ফেনী আসেন রেলপথ মন্ত্রণালয় এবং সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিব।
ফেনী স্টেশন থেকে যাত্রা শুরুর আগে তিনি ট্রেনের যাত্রীদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং ফুল দিয়ে বরণ করে নেন। এ সময় ফেনী-১ আসনের সংসদ সদস্য রফিকুল আলম মজনুসহ রেলওয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ফেনী রেলওয়ে স্টেশন সূত্র জানায়, মহানগর এক্সপ্রেসে ফেনী স্টেশন থেকে যাত্রার জন্য মোট ৬২টি আসন বরাদ্দ রয়েছে। এর মধ্যে কক্সবাজারগামী যাত্রীদের জন্য ৪৭টি এবং চট্টগ্রামগামী যাত্রীদের জন্য ১৫টি আসন। কক্সবাজারগামী আসনের মধ্যে শোভন চেয়ারের ৩০টি, স্নিগ্ধার ১৫টি এবং এসি বার্থের দুটি আসন রয়েছে।
ট্রেনটির লোকোমাস্টার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন মো. জাহিদুল ইসলাম মিয়া, সহকারী লোকোমাস্টার শাহ আলম এবং গার্ড ইমরুল কায়েস। ট্রেনটিতে ৩০২৯ নম্বর লোকোমোটিভের সঙ্গে রয়েছে ১৮টি কোচ।
এর আগে ঢাকা-কক্সবাজার রুটে চলাচলকারী কক্সবাজার এক্সপ্রেস ও পর্যটক এক্সপ্রেসের ফেনীতে যাত্রাবিরতির দাবি জানিয়ে আসছিলেন স্থানীয় যাত্রীরা। মহানগর এক্সপ্রেসের রুট সম্প্রসারণের ফলে ফেনী থেকে সরাসরি কক্সবাজার যাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে। কক্সবাজারগামী যাত্রীদের জন্য মাত্র ৪৭টি আসন বরাদ্দ থাকায় চাহিদা পূরণ নিয়ে সংশয় রয়েছে।
ফেনী রেলওয়ে স্টেশনের স্টেশন মাস্টার মো. হারুন বলেন, মহানগর এক্সপ্রেস ফেনী স্টেশনে যাত্রাবিরতি দিয়ে কক্সবাজারের উদ্দেশ্যে ছেড়ে গেছে। প্রথম দিন ট্রেনটিতে ফেনী থেকে কক্সবাজারগামী ৪৭ জন যাত্রী ছিলেন। নানা আনুষ্ঠানিকতার কারণে প্রথম দিন কিছুটা বিলম্ব হয়েছে।