ঢাকা, বুধবার, ১৭ জুলাই ২০২৪,
সরকার অনুমোদিত নিবন্ধন নম্বর ১৯১
Reg:C-125478/2015

সন্তানকে বুকের দুধ খাওয়ালে মায়ের হৃৎপিণ্ড ভালো থাকে

ডেস্ক রিপোর্ট


প্রকাশ: ১৪ অগাস্ট, ২০২৩ ১০:০২ পূর্বাহ্ন | দেখা হয়েছে ১৯৮ বার


সন্তানকে বুকের দুধ খাওয়ালে মায়ের হৃৎপিণ্ড ভালো থাকে

ছয় মাস বা তার বেশি সময় ধরে সন্তানকে বুকের দুধ খাওয়ালে প্রসবের পর অন্তত তিন বছর মায়েদের কার্ডিওভাসকুলার সমস্যা হওয়ার ঝুঁকি কমে যায়। নতুন একটি গবেষণায় উঠে এসেছে এ তথ্য। খবর গালফ নিউজের।

ইন্টারন্যাশনাল ব্রেস্টফিডিং জার্নালে প্রকাশিত এই সমীক্ষায় দেখা গেছে, যে নারীরা কমপক্ষে ছয় মাস ধরে শিশুকে বুকের দুধ খাওয়ান তারা তাদের শিশুর জন্মের তিন বছর পর্যন্ত নিম্ন রক্তচাপ এবং শরীরের ওজন পুনরুদ্ধার অনুভব করেন।

কার্ডিও-মেটাবলিক বেনিফিট বিশেষত সেই নারীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ যারা গর্ভাবস্থার সম্মুখীন হয়েছেন, যা পরবর্তী জীবনে তাদের কার্ডিওভাসকুলার ডিজিজ (সিভিডি) হওয়ার সম্ভাবনা বাড়িয়ে তুলতে পারে।


ফ্লিন্ডার ইউনিভার্সিটির প্রেগন্যান্সি হেলথ অ্যান্ড বিয়ন্ড রিসার্চ গ্রুপের নেতৃত্বদানকারী অধ্যাপক ক্লেয়ার রবার্টসের মতে, গর্ভাবস্থার জটিলতা রয়েছে এমন নারীদের জন্য গবেষণাটি ইতিবাচক ছিল, কারণ তারা তিন বছর প্রসবোত্তর সময়ে নিম্ন রক্তচাপ এবং উন্নত কোলেস্টেরল পরিমাপ রেকর্ড করেছে।


তিনি বলেন, এর মানে হলো বুকের দুধ খাওয়ানো নারীদের কার্ডিও মেটাবলিক ঝুঁকির কারণগুলোকে উন্নত করে। এটি নতুন মায়েদের জন্য ভালো খবর যারা ভবিষ্যতে কার্ডিওভাসকুলার এবং বিপাকীয় রোগের ঝুঁকিতে থাকতে পারেন। গর্ভাবস্থার জটিলতা পরবর্তীকালে কার্ডিওভাসকুলার রোগের ঝুঁকির সঙ্গে যুক্ত থাকে এবং তাদের শিশুরাও জীবনের প্রথম দিকে স্বাস্থ্যের প্রতিবন্ধকতার ঝুঁকিতে থাকে।

অ্যাডিলেড ইউনিভার্সিটির ডা. মালিসা পাথিরানা বলেন, আমরা দেখেছি যারা সন্তানদের স্তন্যপান করাননি তাদের তুলনায় যে নারীরা কমপক্ষে ছয় মাস তাদের শিশুদের স্তন্যপান করিয়েছেন তাদের বডি মাস ইনডেক্স, কম রক্তচাপ এবং কম কেন্দ্রীয় রক্তচাপ ছিল।

পাথিরানা বলনে, আমরা দেখেছি যে নারীরা কমপক্ষে ছয় মাস তাদের সন্তানদের বুকের দুধ খাওয়াননি তারা অন্তত একটি গর্ভাবস্থার জটিলতাসহ যেমন প্রিক্ল্যাম্পসিয়া, গর্ভকালীন উচ্চ রক্তচাপ এবং গর্ভকালীন ডায়াবেটিসের সম্মুখীন হয়েছেন। তাদের রক্তচাপ উল্লেখযোগ্যভাবে কম, কোলেস্টেরল প্রফাইল উন্নত এবং কম ইনসুলিন ছিল।

সমীক্ষাটি পরিচালনা করা হয়েছে ২০১৮ এবং ২০২১ সালের মধ্যে ২৮০ জন নারী এবং তাদের শিশুদের ওপরে।


   আরও সংবাদ