ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশ: ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৫:০২ অপরাহ্ন | দেখা হয়েছে ৪ বার
বৈষম্য বিরোধী আন্দোলন কেন্দ্রিক যাত্রাবাড়ী থানার পৃথক দুটি মামলায় সন্ধিগ্ধ আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে সাবেক চিফ হুইপ আ স ম ফিরোজকে। বুধবার (০৯ সেপ্টেম্বর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সারাহ ফারজানা হক তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দেন।
সিএমএম আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর শামসুদ্দোহা সুমন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এর মধ্যে নাইম হাওলাদার (১৭) হত্যা মামলায় গত ৩ সেপ্টেম্বর আ স ম ফিরোজকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা গোয়েন্দা পুলিশের উপপরিদর্শক নাজিম উদ্দিন ফকির।
একইদিনে তারেক চৌকিদার হত্যাচেষ্টা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন যাত্রাবাড়ী থানার উপপরিদর্শক রফিকুল ইসলাম ভুইয়া।
দুটি আবেদনের শুনানির জন্য আজকের দিন ধার্য করা হয়।
সে অনুযায়ী আসামি আ স ম ফিরোজকে শুনানির জন্য আদালতে হাজির করা হয়। এরপর শুনানি শেষে বিচারক উভয় মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন মঞ্জুর করেন।
নাঈম হত্যা মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই দুপুর ১টা ৩৫ মিনিটের সময় যাত্রাবাড়ী থানার এলাকাধীন উত্তর কুতুবখালী উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে অবস্থান করে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র জনতাকে প্রতিহত করার জন্য আসামিরা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রসহ আগ্নেয়াস্ত্র নিয়া ঘটনাস্থলে অবস্থানরত ছাত্র জনতার উপর অতর্কিত হামলা করে। আসামিদের এলোপাথাড়ি ছোড়া গুলিতে ভিকটিম নাইম হাওলাদার (১৭) বাম কাঁধের সামনের দিকে গুলিবিদ্ধ হয়। গুলিবিদ্ধ নাইমকে সঙ্গীয় লোকজন তাকে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করান। হাসপাতালে ভর্তি থাকাকালীন ওইদিন ৩টা ১২ মিনিটে ভিকটিম নাইম হাওলাদার মৃত্যুবরণ করে।
অপর মামলার বিবরণে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই দুপুর অনুমান ১২টা ১৫ মিনিটের বৈষম্য বিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে সুবর্না পান্না ম্যানসন, ১৭৮ উত্তর কুতুবখালী, যুবশক্তি সংসদ রোড চকওয়ালার ছয় তলা ভবনের ছাদে অবস্থান করার সময় মো. তারেক চৌকিদার (২৪) তার রুমমেট শিহাব ছাদে গুলিবিদ্ধ হন। আসামিরা ছাত্র-জনতাকে প্রতিহত করার জন্য পরস্পর যোগসাজসে রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়ে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে গুলি চালালে ভিকটিমের বাম হাতের উপরিভাগে গুলি লেগে আহত হন। উপস্থিত লোকজনের সহায়তায় ভিকটিমকে চিকিৎসার জন্য দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়া চিকিৎসা গ্রহণ করান।