ঢাকা, শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬,
সরকার অনুমোদিত নিবন্ধন নম্বর ১৯১
Reg:C-125478/2015

শহীদদের আকাঙ্ক্ষার বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় কাজ শুরু করেছি

ডেস্ক রিপোর্ট


প্রকাশ: ১৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ০৯:৩১ পূর্বাহ্ন | দেখা হয়েছে ২৩ বার


শহীদদের আকাঙ্ক্ষার বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় কাজ শুরু করেছি

​প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পরদিনই সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে এসে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানিয়েছেন তারেক রহমান। শ্রদ্ধা জানানোর পর তিনি স্মৃতিসৌধের পরিদর্শন বইয়ে স্বাক্ষর করেন। বইয়ে লেখেন, ‘শহীদদের আকাঙ্ক্ষার বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় কাজ শুরু করেছি’।

বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে তিনি মন্ত্রিপরিষদের নতুন সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে এই শ্রদ্ধা জানান।

পরে নতুন প্রধানমন্ত্রী সেখানকার পরিদর্শন বইয়ে সইয়ের পাশাপাশি বৃক্ষরোপণ করেন।

 

পরিদর্শন বইয়ের পাতায় প্রায় ১৫০ শব্দের মন্তব্যে তিনি লেখেন, ‘বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম। ফ্যাসিবাদী শাসন, শোষণের অবসানের পর একটি অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে, গণতন্ত্রকামী জনগণের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হয়ে দেশের জনগণ গণতন্ত্রের পথে নতুন যাত্রা শুরু করেছে। আলহামদুলিল্লাহ।

আমি আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া জানাই।’

 

তিনি আরও লেখেন, ‘বাংলাদেশের নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নবগঠিত মন্ত্রী সভাসহ আমি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা নিবেদন করছি, যাদের আত্মত্যাগে আমাদের স্বাধীন বাংলাদেশ। ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা অর্জনের যুদ্ধ থেকে শুরু করে ২০২৪ সালে দেশ এবং জনগণের স্বাধীনতা রক্ষার যুদ্ধসহ দেশের ইতিহাসে এ যাবৎকালে দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলনের সব শহীদদের প্রতিও আমি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করছি।’

নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী লেখেন, ‘আমি এবং আমরা বিশ্বাস করি, শহীদদের আকাঙ্ক্ষা ছিল একটি নিরাপদ, মানবিক, গণতান্ত্রিক, স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা।

শহীদদের আকাঙ্ক্ষার বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার জন্যই আমরা কাজ শুরু করেছি। আল্লাহ যেন আমাদের জনগণের সামনে ঘোষিত প্রতিটি কর্মসূচি বাস্তবায়নের তৌফিক দান করেন। আমি আবারও আল্লাহর দরবারে সব শহীদের মাগফেরাত কামনা করছি।’

 

প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিপরিষদের সদস্যদের আগমনকে কেন্দ্র করে স্মৃতিসৌধ এলাকায় তিন স্তরের নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। পুলিশ, র‌্যাব ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা সমন্বিতভাবে দায়িত্ব পালন করেন।

মহাসড়কে বাড়ানো হয় গোয়েন্দা নজরদারি। ডগ স্কোয়াড ও বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিটের মহড়া দেওয়া হয়। এছাড়া পুরো স্মৃতিসৌধ এলাকা আনা হয় সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায়।

 


   আরও সংবাদ