ঢাকা, মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬,
সরকার অনুমোদিত নিবন্ধন নম্বর ১৯১
Reg:C-125478/2015

‘বাকি ৩৫ লাখ টাকা কি মরার পর পাব?’

স্পোর্টস ডেস্ক


প্রকাশ: ৫ মে, ২০২৬ ০৯:২৪ পূর্বাহ্ন | দেখা হয়েছে ২১ বার


‘বাকি ৩৫ লাখ টাকা কি মরার পর পাব?’

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) ঘিরে পারিশ্রমিক বিতর্ক আবারও সামনে এসেছে। এবার আলোচনার কেন্দ্রে জাতীয় দলের স্পিনার নাসুম আহমেদ।

তিনি দাবি করেছেন সিলেট টাইটান্সের হয়ে খেলার পরও তার উল্লেখযোগ্য অঙ্কের টাকা এখনো বকেয়া রয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে নিজের পাওনা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তিনি।

 

গত বিপিএল মৌসুমে সিলেট টাইটান্সের হয়ে দারুণ পারফরম্যান্স করেছিলেন নাসুম। ১২ ম্যাচে ১৮ উইকেট নিয়ে যৌথভাবে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি হন এই বাঁহাতি স্পিনার।

তার পারফরম্যান্সে ভর করে দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ার পর্যন্ত উঠেছিল দলটি। তবে মাঠের সাফল্যের পরও আর্থিক দিক থেকে সন্তুষ্ট নন তিনি।

 

এর আগে বিষয়টি সামনে এলে সিলেট টাইটান্সের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, নাসুম আহমেদের সঙ্গে চুক্তি অনুযায়ী সব পাওনা পরিশোধ করা হয়েছে। ফ্র্যাঞ্চাইজিটির দাবি ছিল, তার কোনো বকেয়া অর্থ নেই এবং বিষয়টি বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডে সমাধানও হয়েছে।

তবে নতুন করে আলোচনায় এনেছেন নাসুম নিজেই। তিনি জানিয়েছেন, ৩৫ লাখ টাকা পেয়েছেন ঠিকই, কিন্তু চুক্তি অনুযায়ী তার মোট পারিশ্রমিক ছিল ৭০ লাখ টাকা। অর্থাৎ আরও ৩৫ লাখ টাকা এখনো পাওনা রয়েছে বলে দাবি করছেন তিনি। এই দাবির পক্ষে হোয়াটসঅ্যাপে পাঠানো একটি চুক্তিপত্রও প্রকাশ করেছেন নাসুম।

নিজের পোস্টে ক্ষোভ ঝেড়ে নাসুম লিখেছেন, ‘হ্যালো টাইটান্স। আমার ৩৫ লাখ টাকা তো দিয়েছেন, সরাসরি চুক্তির বাকি ৩৫ লাখ টাকা কি দিবেন? নাকি মরার পর চল্লিশার সময় দিবেন? দিলেও সেটা আমাকে জানাবেন দয়া করে, যেন আমি আমার ফ্যামিলিকে বলে যেতে পারি সিলেট টিম মালিক মাহিদুল ইসলাম সামি আমার টাকা দিবে আমি মরার পর।’

এছাড়া সিলেট টাইটান্সের উপদেষ্টা ফাহিম আল চৌধুরীকেও উদ্দেশ্য করে তিনি লিখেছেন, ‘ফাহিম ভাই, আপনাকে সালাম। আমি জানি আপনি ব্যস্ত। একটু সময় হলে দয়া করে ভয়েসগুলো শুনবেন-আপনাকে নিয়ে আমি কী কী কথা বলেছি, আর তারা আমার সঙ্গে কী কথা বলেছে। আপনার কাছে আমার কিছু চাওয়ার নেই। আপনি আমাদের এলাকার মানুষ, বড় ভাই হিসেবে আপনি একটা দল গড়ে তুলেছিলেন। সেই জায়গা থেকে ছোট ভাই হিসেবে আপনাকে জানালাম।’

তিনি আরও যোগ করেন, ‘ভাই, আমার টাকাগুলো যেন পাই-এই বিষয়ে একটু দেখবেন। আমার কথা বলার মতো কেউ নেই। আল্লাহর শুকরিয়া, আপনার নাম্বারটা পেয়েছি, দুই মিনিট কথা বলতে পেরেছি। আপনার সময় নেই বলে বেশি কথা হয়নি। তবে আপনাকে ধন্যবাদ জানাই যে আপনি দুই মিনিট হলেও আমাকে সময় দিয়েছেন।’


   আরও সংবাদ