ঢাকা, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬,
সরকার অনুমোদিত নিবন্ধন নম্বর ১৯১
Reg:C-125478/2015

বিজিবিকে আরও শক্তিশালী করার সিদ্ধান্ত

ডেস্ক রিপোর্ট


প্রকাশ: ২০ জুলাই, ২০২৬ ১৬:১৯ অপরাহ্ন | দেখা হয়েছে ৩০ বার


বিজিবিকে আরও শক্তিশালী করার সিদ্ধান্ত

সীমান্ত সুরক্ষা আরও জোরদার করতে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশকে (বিজিবি) আধুনিক, দক্ষ ও প্রযুক্তিনির্ভর বাহিনী হিসেবে গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এর অংশ হিসেবে বাহিনীতে জনবল বাড়ানোর পাশাপাশি আধুনিক প্রযুক্তি, যানবাহন, অস্ত্র ও অন্যান্য সরঞ্জাম যুক্ত করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

 

 

 

সীমান্তে নিরাপত্তা জোরদারের পাশাপাশি মাদক চোরাচালান প্রতিরোধেও বিজিবির সক্ষমতা বাড়ানো হবে। এ ক্ষেত্রে বাহিনীর ডগ স্কোয়াডের সক্ষমতা কাজে লাগানোর পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।

 

সোমবার (২০ জুলাই) দুপুরে রাজধানীর পিলখানায় বিজিবি সদর দপ্তর পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

 

 

দায়িত্ব গ্রহণের পর এই প্রথম বিজিবি সদর দপ্তর পরিদর্শনে যান সালাহউদ্দিন আহমদ।

পরিদর্শনকালে তিনি বাহিনীর সার্বিক কার্যক্রম, সীমান্ত পরিস্থিতি, জনবল, ব্যাটালিয়ন ও সেক্টরগুলোর সক্ষমতা এবং ভবিষ্যৎ চাহিদা সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা নেন।

 

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সীমান্ত সুরক্ষা আরও কার্যকর করতে বিজিবির সক্ষমতা বাড়ানো জরুরি।

এ জন্য জনবল বৃদ্ধির পাশাপাশি আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো হবে। প্রযুক্তির মাধ্যমে সীমান্তে নজরদারি জোরদার করা গেলে দ্রুত তথ্য সংগ্রহ এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হবে।

 

তিনি বলেন, সীমান্ত নিরাপত্তার পাশাপাশি মাদক চোরাচালান প্রতিরোধেও বিজিবির ভূমিকা আরও শক্তিশালী করা হবে। নতুন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ডগ স্কোয়াড ব্যবহারের বিধান রাখা হয়েছে। তবে নতুন ডগ স্কোয়াড গড়ে তুলতে সময় লাগবে। সে সময় পর্যন্ত মাদকবিরোধী অভিযানে বিজিবির বিদ্যমান ডগ স্কোয়াডের সহায়তা নেওয়া হবে।

আরও পড়ুন

এনজিওগুলোকে নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বিনিয়োগের আহবান জ্বালানিমন্ত্রীর

এনজিওগুলোকে নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বিনিয়োগের আহবান জ্বালানিমন্ত্রীর

 

বিজিবির সক্ষমতা বাড়াতে নতুন যানবাহন, আধুনিক সরঞ্জাম ও অস্ত্র সংগ্রহের বিষয়ে একাধিক নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলেও জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। পাশাপাশি ‘ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার’ কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে।

সাম্প্রতিক বন্যায় বিজিবির উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রমের প্রশংসা করে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, দুর্গম এলাকায় নৌকার মাধ্যমে ত্রাণ পৌঁছে দেওয়া এবং উদ্ধার অভিযানে বিজিবির ভূমিকা দেশব্যাপী প্রশংসিত হয়েছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের জনসম্পৃক্ত কার্যক্রম আরও সম্প্রসারণ করা হবে।

বিজিবির প্রশাসনিক অবকাঠামো উন্নয়ন, হাসপাতালের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং চিকিৎসক ও নার্স নিয়োগসহ বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের কথাও তুলে ধরেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি জানান, এসব প্রকল্প বর্তমানে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। প্রকল্পগুলো দ্রুত বাস্তবায়নে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া হবে।

সীমান্ত সুরক্ষা থেকে শুরু করে মাদকবিরোধী অভিযান এবং দুর্যোগকালীন উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম-সব ক্ষেত্রেই বিজিবির সক্ষমতা বাড়ানোর পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। জনবল, প্রযুক্তি ও আধুনিক সরঞ্জাম যুক্ত হলে দেশের সীমান্ত নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা


   আরও সংবাদ