ঢাকা, শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬,
সরকার অনুমোদিত নিবন্ধন নম্বর ১৯১
Reg:C-125478/2015

চড়া দামেই বিক্রি হচ্ছে মুরগি

ডেস্ক রিপোর্ট


প্রকাশ: ৮ অগাস্ট, ২০২৬ ০৮:১১ পূর্বাহ্ন | দেখা হয়েছে ১৬ বার


চড়া দামেই বিক্রি হচ্ছে মুরগি

বিদেশ থেকে কাঁচামরিচ আমদানি হওয়ায় সপ্তাহের ব্যবধানে রাজধানীর কাঁচাবাজারগুলোতে কাঁচামরিচের দাম কেজিতে ১৫০ টাকা কমেছে। বর্তমানে ২৪০ থেকে ২৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে কাঁচামরিচ।

 

একইসঙ্গে দু-একটি সবজি ছাড়া ৮০ থেকে ১০০ টাকার নিচে মিলছে না অধিকাংশ সবজি। তবে গত সপ্তাহের চড়া দামেই বিক্রি হচ্ছে মুরগি।

 

শুক্রবার (৭ আগস্ট) রাজধানীর শেওড়াপাড়া ও তালতলা বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

রাজধানীর বাজার ঘুরে দেখা গেছে, মানভেদে ২৫০ গ্রাম কাঁচামরিচ বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৮০ টাকায়, যা কেজিতে ২৪০ থেকে ২৮০ টাকা।

 

 

গত সপ্তাহেও কাঁচামরিচ ৪০০ থেকে ৪৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছিল। শুধু কাঁচামরিচই নয়, অন্যান্য সবজিও ৮০ থেকে ১০০ টাকার নিচে কিনতে পারছেন না ক্রেতারা।

 

এসব বাজারে বেগুন প্রতি কেজি ১০০ থেকে ১৮০ টাকা, টমেটো ১৪০ থেকে ২০০ টাকা এবং করলা ১০০ থেকে ১২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। পটল, ঢেঁড়শ, কাকরোল ও ঝিঙা মানভেদে কেজিপ্রতি ৮০ থেকে ১০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। পেঁপে ৪০ টাকা এবং আলু ৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। তবে সপ্তাহের ব্যবধানে পেঁয়াজের দাম কেজিতে ৫ টাকা কমে ৫০ থেকে ৫৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

 

আরও পড়ুন

আবারও কমল সোনার দাম

আবারও কমল সোনার দাম

 

 

এসব বাজারে কচুর লতি ৮০ থেকে ১০০ টাকা, কচুরমুখি ৮০ টাকা, শসা ৮০ থেকে ১০০ টাকা, বটবটি ১০০ টাকা, গাজর ১৪০ টাকা ও মিষ্টি কুমড়া ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

 

বাজারগুলোতে এক হালি লেবু ১৫ থেকে ৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। দেশি ধনেপাতা ৩০০ টাকা এবং হাইব্রিড ধনেপাতা ২৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। কাঁচা কলা হালি ৪০ টাকা, চালকুমড়া ৬০ থেকে ৮০ টাকা পিস এবং ক্যাপসিকাম ৩৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

 

এসব বাজার ঘুরে দেখা গেছে, সোনালি মুরগি ৩৩০ টাকা এবং সোনালি হাইব্রিড মুরগি ৩০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। লাল লেয়ার ৩৫০ টাকা, ব্রয়লার ১৯০ টাকা এবং দেশি মুরগি ৭৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

 

এসব বাজারে লালশাক আঁটি ২০ টাকা, লাউশাক আঁটি ৫০ টাকা, কলমিশাক দুই আঁটি ২০ টাকা, পুঁইশাক ৪০ টাকা এবং ডাঁটাশাক দুই আঁটি ৪০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। 

 

বাজারগুলোতে গরুর মাংস ৭৮০ থেকে ৮০০ টাকা এবং খাসির মাংস ১ হাজার ৩০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করতে দেখা গেছে।

 

এসব বাজারে ৩০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ প্রতি কেজি ১ হাজার ২০০ থেকে ১ হাজার ৩০০ টাকা, ৫০০ থেকে ৭০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ ২ হাজার থেকে ২ হাজার ২০০ টাকা এবং ১ কেজি ওজনের ইলিশ ৩ হাজার ২০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

 

বাজারগুলোতে এক কেজি চাষের শিং মাছ (আকারভেদে) ৩০০ থেকে ৬০০ টাকা, দেশি শিং ১ হাজার ২০০ থেকে ১ হাজার ৪০০ টাকা, রুই মাছ (আকারভেদে) ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকা, দেশি মাগুর ৯০০ থেকে ১ হাজার ২০০ টাকা, মৃগেল ৩৫০ থেকে ৪৫০ টাকা, চাষের পাঙ্গাস ১৮০ থেকে ২০০ টাকা, চিংড়ি ৮০০ থেকে ১ হাজার ৪০০ টাকা, বোয়াল ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা, বড় কাতল ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকা, পোয়া ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা, পাবদা ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকা, তেলাপিয়া ২০০ টাকা, কৈ ২০০ থেকে ২২০ টাকা, মলা ৫০০ টাকা, বাতাসি টেংরা ১ হাজার ৪০০ টাকা, টেংরা ৫০০ থেকে ৮০০ টাকা, কাচকি ৪০০ টাকা এবং পাঁচমিশালি মাছ ২২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

 

আরও পড়ুন

স্বর্ণ খাত স্বচ্ছ করতে চায় সরকার

স্বর্ণ খাত স্বচ্ছ করতে চায় সরকার

 

 

এসব বাজারে এক ডজন মুরগির লাল ডিম ১৫০ টাকা, হাঁসের ডিম এক ডজন ২০০ টাকা, দেশি মুরগির ডিমের হালি ১০০ টাকা এবং সোনালি কক মুরগির ডিমের হালি ৭০ টাকা দরে বিক্রি করতে দেখা গেছে।

 

এদিকে দেশের বিভিন্ন স্থানে টানা বৃষ্টি ও নিম্নাঞ্চলে জলাবদ্ধতার কারণে মরিচ ও সবজির ক্ষেত ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে মাঠপর্যায়ে উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

 

এ ব্যাপারে তালতলা বাজারের সবজি বিক্রেতা ইউনুস মিয়া বলেন, বৃষ্টির কারণে ফসলের ক্ষতি হওয়ায় কাঁচামরিচসহ সব সবজির দাম বেড়েছে। তবে কাঁচামরিচ আমদানি হওয়ায় দাম কমতে শুরু করেছে। আগামী সপ্তাহে দাম আরও কমে আসবে।

 

বাজার করতে আসা বেসরকারি চাকরিজীবী কবির হোসেন বলেন, বাজারে এসে হিসাব মেলানো যাচ্ছে না। ৮০ থেকে ১০০ টাকার নিচে সবজি নেই। কোনো পণ্যের দাম বাড়লে আর কমছে না।


   আরও সংবাদ