ঢাকা, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬,
সরকার অনুমোদিত নিবন্ধন নম্বর ১৯১
Reg:C-125478/2015

হরমুজ প্রণালী নিয়ে সতর্ক করলো ইরান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক


প্রকাশ: ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৬:৪৭ অপরাহ্ন | দেখা হয়েছে ৫ বার


হরমুজ প্রণালী নিয়ে সতর্ক করলো ইরান

হরমুজ প্রণালীর কাছাকাছি থাকা সব জাহাজকে ‘যুক্তরাষ্ট্রের প্রতারণায় বিভ্রান্ত হবেন না’ বলে বার্তা দিয়েছে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) নৌবাহিনী। একইসঙ্গে তারা অনুমোদিত নয় এমন নৌরুট অতিক্রমের উদ্দেশে যেকোনো ধরনের সন্দেহজনক কার্যকলাপ থেকে বিরত থাকতে সতর্ক করেছে।

 

নৌবাহিনী বলেছে, ‘অন্যথায়, আপনাদেরকে লক্ষ্যবস্তু করা হবে।’

তাদের এক বার্তায় বলা হয়, মার্কিন সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে ইরানের তিনটি তেল ট্যাংকারে হামলার যে আগ্রাসন চালানো হয়েছে, তার কঠোর জবাব দেওয়া হবে।

 

একইসঙ্গে নৌবাহিনী দাবি করেছে, তারা হরমুজ প্রণালীতে অনুমোদিত নয় এমন রুট দিয়ে চলাচলকারী তিনটি তেল ট্যাংকার ও অন্য এলাকায় থাকা মার্কিন সংশ্লিষ্ট তিনটি জাহাজে হামলা চালিয়েছে।

স্থানীয় সময় শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় দেওয়া নৌবাহিনীর এক বিবৃতিতে বলা হয়, প্রিয় ইরানের বীর ও জাগ্রত জাতি, আজ সকালে সন্ত্রাসী ও আগ্রাসী মার্কিন সামরিক বাহিনী–বিক্ষোভ ও মরিয়া হয়ে ওঠার বর্বরোচিত এক কর্মকাণ্ডের অংশ হিসেবে–ইরানের তিনটি তেল ট্যাংকারে হামলা চালায়, যার ফলে ক্ষয়ক্ষতি সাধিত হয়েছে।

 

 

অপর এক বিবৃতিতে আইআরজিসি জানায়, তারা ইরানি জাহাজকে লক্ষ্যবস্তু করা ও নৌ অবরোধে অংশ নেওয়া যুক্তরাষ্ট্রের একটি বিমানবাহী রণতরী ও নৌবাহিনীর একটি ডেস্ট্রয়ারকে লক্ষ্য করে বেশ কয়েকটি ব্যালিস্টিক মিসাইল নিক্ষেপ করেছে।

তাসনিম নিউজ জানিয়েছে, আইআরজিসি দাবি করেছে, এই দুটি যুদ্ধজাহাজ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর এবং আরও হামলার আশঙ্কায় ওই এলাকা ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়েছে।

 

আইআরজিসি এর আগে মার্কিন সেন্টকমের একটি বিবৃতির কথাও উল্লেখ করেছে, যেখানে কমান্ডার ব্র্যাড কুপার বলেছিলেন, ‘তোমরা যদি আমাদের দুটি জাহাজে গুলি চালাও, তবে আমরা আরও বড় অর্থনৈতিক মূল্য আদায় করব— তোমাদের তিনটি জাহাজ ধ্বংস করে দিয়ে।’

আইআরজিসি বলেছে, যুক্তরাষ্ট্র যদি তাদের বৈরী ও আগ্রাসী কার্যক্রম চালিয়ে যায়, তবে মার্কিন সরকারকে ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর পক্ষ থেকে কঠোর প্রতিক্রিয়ার মুখোমুখি হতে হবে। আমরা আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে এখন অনেক বেশি শক্তিশালী।

সূত্র: আল জাজিরা ও ইরনা


   আরও সংবাদ