ঢাকা, রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬,
সরকার অনুমোদিত নিবন্ধন নম্বর ১৯১
Reg:C-125478/2015

পরবর্তী মার্কিন প্রেসিডেন্ট কে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক


প্রকাশ: ৩ অক্টোবর, ২০২৬ ১১:০১ পূর্বাহ্ন | দেখা হয়েছে ৫০ বার


পরবর্তী মার্কিন প্রেসিডেন্ট কে

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজের প্রেসিডেন্টের মেয়াদ, রাজনৈতিক উত্তরাধিকার এবং ভবিষ্যৎ নিয়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) চ্যাটবট ‘গ্রক’-এর কাছে ঘণ্টার পর ঘণ্টা নানা প্রশ্ন করেছিলেন। এমনকি তার মেয়াদ শেষে যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং পরবর্তী নেতৃত্ব নিয়েও তিনি এআইয়ের মতামত জানতে চেয়েছিলেন বলে জানিয়েছে টাইম ম্যাগাজিন।

 

শুক্রবার (২ অক্টোবর) প্রকাশিত টাইম-এর এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে হোয়াইট হাউসের ওভাল অফিসে প্রযুক্তি উদ্যোক্তা ও ধনকুবের ইলন মাস্কের সঙ্গে এক গোপন বৈঠকে ট্রাম্প দীর্ঘ সময় ধরে মাস্কের মালিকানাধীন এআই চ্যাটবট গ্রকের কাছে বিভিন্ন প্রশ্ন করেন।

 

 

 

বৈঠকে ট্রাম্প নিজের প্রেসিডেন্ট পদ ও রাজনৈতিক উত্তরাধিকার নিয়ে নানা প্রশ্নের পাশাপাশি ভেনেজুয়েলার তৎকালীন প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে যুক্তরাষ্ট্র আটক করলে দেশটির জনগণ কীভাবে প্রতিক্রিয়া জানাতে পারে, তা জানতে চান।

ওই বৈঠকে উপস্থিত এক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে টাইম জানায়, সে সময় ট্রাম্প ভেনেজুয়েলার নৌযানের বিরুদ্ধে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার নির্দেশ দিচ্ছিলেন।

এসব নৌযানকে যুক্তরাষ্ট্র মাদক পাচারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বলে অভিযোগ করেছিল।

 

মাদুরোকে আটক করা হলে ভেনেজুয়েলার জনগণের প্রতিক্রিয়া কী হতে পারে—ট্রাম্পের এমন প্রশ্নের জবাবে গ্রক মাদুরোকে দমনমূলক ও ব্যাপকভাবে অজনপ্রিয় নেতা হিসেবে বর্ণনা করে এবং তার পতনে অনেক ভেনেজুয়েলান উল্লাস করতে পারেন বলে উত্তর দেয় বলে ওই কর্মকর্তা জানান।

 

এর প্রায় এক মাস পর, ২০২৬ সালের ৩ জানুয়ারি মার্কিন বাহিনী ভেনেজুয়েলায় অভিযান চালিয়ে মাদুরোকে আটক করে। পরবর্তী সময়ে ভেনেজুয়েলার বিভিন্ন স্থানে মাদুরোর আটকের ঘটনায় উল্লাসের দৃশ্য দেখা যায় বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এ ঘটনার পর ট্রাম্প গ্রকের সক্ষমতা সম্পর্কে আরও ইতিবাচক ধারণা পোষণ করেন বলে টাইম-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ওই বৈঠকের অভিজ্ঞতার পর ট্রাম্প গ্রককে অত্যন্ত বুদ্ধিদীপ্ত বলে মনে করতে শুরু করেন। একই সঙ্গে দ্বিতীয় মেয়াদে হোয়াইট হাউসে ফেরার পর কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সক্ষমতা নিয়ে তার আগ্রহও বাড়তে থাকে।

টাইম-এর প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, এ সময় ট্রাম্প প্রযুক্তি খাতের শীর্ষ নির্বাহীদের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়াচ্ছিলেন। এআইকে সরকারি ও কৌশলগত কাজে ব্যবহারের বিষয়টিও তার প্রশাসনে ক্রমেই গুরুত্ব পাচ্ছিল।

 

যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের ২২তম সংশোধনী অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি দুইবারের বেশি প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হতে পারেন না। ফলে ট্রাম্পের বর্তমান মেয়াদ শেষ হওয়ার পর তার তৃতীয়বার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার সাংবিধানিক সীমাবদ্ধতা রয়েছে। এ প্রেক্ষাপটে তার রাজনৈতিক উত্তরাধিকার ও পরবর্তী নেতৃত্ব নিয়ে প্রশ্নটি যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।


   আরও সংবাদ