ঢাকা, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬,
সরকার অনুমোদিত নিবন্ধন নম্বর ১৯১
Reg:C-125478/2015

চট্টগ্রাম বন্দরের সক্ষমতা বাড়াতে চুক্তি করা হয়েছে

ডেস্ক রিপোর্ট


প্রকাশ: ৯ অক্টোবর, ২০২৬ ১৯:৪৭ অপরাহ্ন | দেখা হয়েছে ২৪ বার


চট্টগ্রাম বন্দরের সক্ষমতা বাড়াতে চুক্তি করা হয়েছে

চট্টগ্রাম বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধির উদ্দেশ্যেই চুক্তি করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বাণিজ্য, শিল্প, বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের এফিসিয়েন্সি বৃদ্ধির উদ্দেশ্য নিয়ে (চট্টগ্রামের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনালের সক্ষমতা বৃদ্ধি) এই চুক্তিটি করা হয়েছে।

এটাকে দেশ বিক্রির চুক্তি বলা পুরোপুরি অমূলক।

 

চট্টগ্রাম বন্দরের সবচেয়ে বড় ও নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) পরিচালনার দায়িত্ব দুবাইভিত্তিক বৈশ্বিক টার্মিনাল অপারেটর 'ডিপি ওয়ার্ল্ড’-কে প্রদান করা হয়েছে।

আনুষ্ঠানিকভাবে ১৫ বছর মেয়াদি এই কনসেশন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর)। যদিও অনেকে এই চুক্তির সমালোচনা করছেন।

 

শুক্রবার (০৯ অক্টোবর) দুপুরে সিলেট সিটি করপোরেশনে শারদীয় দুর্গাপূজা মতবিনিময় ও অনুদান বিতরণ শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

বিনিয়োগকারীদের নতুন বিনিয়োগকে আকৃষ্ট করতে হলে পণ্যের উৎপাদন খরচ এবং রপ্তানি খরচ পৃথিবীর অন্যান্য জায়গার তুলনায় প্রতিযোগিতামূলক অবস্থানে নিয়ে আসতে হবে।

বাংলাদেশকে যদি সরকার বৈশ্বিক প্রতিযোগিতার স্থানে নিয়ে যেতে না পারে, কীভাবে বিনিয়োগ আকৃষ্ট করবে, প্রশ্ন রাখেন মন্ত্রী।

 

তিনি বলেন, যারা বন্দরে কাজ করছে, তাদের কারও কর্মচ্যুতি ঘটবে না সরকার নিশ্চিত হয়েছে। বরং যে বেতনে কাজ পাচ্ছেন, আগামী দিনে এফিসিয়েন্সি বৃদ্ধির কারণে বেনিফিটটা বাড়বে। মানে আজকে যে পারিশ্রমিক পান সেটির পরিমাণও বৃদ্ধি পাবে।

এর আগে সিলেট সিটি করপোরেশনের সভাকক্ষে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষ্যে আয়োজিত মতবিনিময় সভা ও অনুদান বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, বাংলাদেশ ধর্মীয় সম্প্রীতির অনন্য সম্পদ। পৃথিবীর অনেক বড় গণতান্ত্রিক দেশেও এ ধরনের সম্প্রীতির নজির দেখা যায় না। সব ধর্মের মানুষের পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সহাবস্থানের এই ঐতিহ্য অক্ষুণ্ন রাখতে হবে।

অনুষ্ঠানে সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আবদুল কাইয়ুম চৌধুরী, সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার সারোয়ার মুর্শেদ শামীম, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন, সিলেট মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরী, জালালাবাদ গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন সিস্টেম লিমিটেডের পরিচালক বদরুজ্জামান সেলিম, রামকৃষ্ণ মিশন ও আশ্রমের অধ্যক্ষ স্বামী চন্দ্রনাথানন্দ মহারাজ, হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টি সুদীপ রঞ্জন সেন বাপ্পু এবং বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির সহ সভাপতি মৃত্যুঞ্জয় ধর ভোলা প্রমুখ।

স্বাগত বক্তব্য রাখেন, সিসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রেজাই রাফিন সরকার। 

অনুষ্ঠানে সিলেট নগরীর ৮৫টি দুর্গাপূজা মণ্ডপের প্রতিনিধিদের হাতে ৪০ হাজার টাকা করে মোট ৩৪ লাখ টাকার অনুদান তুলে দেন বাণিজ্যমন্ত্রী।


   আরও সংবাদ