ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশ: ১৮ অক্টোবর, ২০২৬ ০৯:৪৮ পূর্বাহ্ন | দেখা হয়েছে ৩১ বার
চট্টগ্রাম বন্দরে কম শুল্কের পণ্যের ঘোষণায় উচ্চ শুল্কের প্রসাধনী, গাড়ির যন্ত্রাংশসহ বিভিন্ন পণ্য আমদানির অভিযোগে আটটি চালানে বড় ধরনের অনিয়ম উদ্ঘাটন করেছে এনবিআরের সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স সেল (সিআইসি) ও কাস্টমস হাউস।
শনিবার (১৭ অক্টোবর) এনবিআর এ তথ্য জানায়।
শনিবার (১৭ অক্টোবর) প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।
এনবিআরের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আল আমিন শেখ জানান, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে যৌথ অভিযানে চীন, পাকিস্তান ও থাইল্যান্ড থেকে আসা এসব চালান পরীক্ষা করে ঘোষণাবহির্ভূত পণ্য পাওয়া গেছে।
পাওয়ার স্প্রেয়ার মেশিনের ঘোষণায় প্রসাধনী ও স্টেজ লাইট, টুথপিকের চালানে নিষিদ্ধ ক্রিম ও যৌন উত্তেজক স্প্রে, রবার বুশের আড়ালে দামি গাড়ির যন্ত্রাংশ এবং হিট ট্রান্সফার পেপারের পরিবর্তে পিভিসি ফ্লেক্স ব্যানার পাওয়া যায়।
এ ছাড়া স্টেইনলেস স্টিল সার্কেল ও এক্সকাভেটর গিয়ারের ঘোষণায় নাট-বল্টু, স্ক্রু, বিয়ারিংসহ বিভিন্ন পণ্য আমদানির তথ্যও মিলেছে।
এসব চালানে আনুমানিক কয়েক কোটি টাকার শুল্ক ফাঁকির চেষ্টা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
অন্যদিকে কাস্টমসের সিস্টেমে লক করা একটি কনটেইনারের মূল সিল ভেঙে ভিন্ন সিল লাগিয়ে সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগও পেয়েছে তদন্তকারী দল।
পরে কনটেইনারটি জব্দ করে নিরাপত্তা হেফাজতে নেওয়া হয়। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট আমদানিকারক ও সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টদের বিরুদ্ধে কাস্টমস আইন, ২০২৩-এর ৩৩ ও ১৭১ ধারায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে এনবিআর।