ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশ: ৮ জানুয়ারী, ২০২৬ ১৮:২০ অপরাহ্ন | দেখা হয়েছে ৩৯ বার
নির্বাচনী চ্যালেঞ্জ নির্বাচন কমিশন (ইসি) যথাযথভাবে মোকাবিলা করবে বলে প্রত্যাশার কথা জানিয়েছে ইউরোপীয় ইইউনিয়ন (ইইউ)।
বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) সংস্থাটির একটি প্রতিনিধিদল প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমওম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে সাক্ষাতে এমন প্রত্যাশার কথা তুলে ধরে।
ইইউ-এর প্রধান পর্যবেক্ষক ইভার্স, ইয়ার্স বৈঠকের পর সাংবাদিকদের বলেন, আমরা মাত্র আমাদের মিশন শুরু করেছি। আমাদের একটি টিম আছে, যারা পুরো প্রক্রিয়ার শেষ পর্যন্ত কাজ করবে এবং সব বিস্তারিত তুলে ধরে একটি চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করবে।
এ প্রেক্ষাপটে বলতে চাই, বাংলাদেশকে একটি প্রাণবন্ত গণতন্ত্র হিসেবে আপনাদের সম্পূর্ণ নির্বাচনী প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণের এ সুযোগকে আমরা অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখছি।
প্রাক-নির্বাচনী পরিবেশকে আপনি কীভাবে দেখছেন- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, যেমনটি আমি বলেছি, আমরা সদ্য এখানে এসেছি। বাংলাদেশ একটি সুন্দর দেশ, যেখানে বহুমাত্রিক ও বৈচিত্র্যময় সমাজ রয়েছে। আমরা শুধু ঢাকা নয়, দেশের অন্যান্য অঞ্চলও পর্যবেক্ষণ করব, যা আমাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
নির্বাচন পর্যবেক্ষণে ইইউ কোন বিষয়গুলোর ওপর গুরুত্ব দেবে- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, প্রক্রিয়াগত বিষয়গুলো—যেমন ভোটার নিবন্ধন, অবাধ ও সুষ্ঠু ভোটগ্রহণের আয়োজন এবং পুরো প্রক্রিয়ার বিশ্বাসযোগ্যতা। তবে আমাদের কাজ এখনই শুরু হয়েছে। এটি বাংলাদেশে আমার প্রাথমিক সফর, যেখানে আমি নির্বাচন প্রক্রিয়ায় যুক্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশীজনদের সঙ্গে বৈঠক করছি। সে কারণেই আমার প্রথম দিকের সফরগুলোর একটি ছিল কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনে।
নির্বাচন কমিশন আপনাদের কী জানিয়েছে-এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, তারা আমাদের পুরো প্রক্রিয়াটি ব্যাখ্যা করেছেন এবং বিভিন্ন চ্যালেঞ্জের কথাও তুলে ধরেছেন। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, সংসদ নির্বাচন ও গণভোট একসঙ্গে আয়োজন করা একটি বড় চ্যালেঞ্জ। আশা করি, নির্বাচন কমিশন বিষয়টি যথাযথভাবে মোকাবিলা করবে। এ ক্ষেত্রে আমরা একই অবস্থানে রয়েছি। বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন আমাদের জানিয়েছে, ২০২৪ সালের আগস্টের ঘটনাপ্রবাহের পরিপ্রেক্ষিতে এ নির্বাচনগুলো ঐতিহাসিক ও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
বর্তমানে অন্তর্বর্তী সরকার কার্যক্রম চালাচ্ছে, এরপর পূর্ণাঙ্গ সংসদ গঠিত হবে, যা দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশে উপস্থিত থাকতে পেরে আমরা আনন্দিত এবং বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে একসঙ্গে এই গুরুত্বপূর্ণ গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণের অপেক্ষায় রয়েছে। আরও জানাতে চাই, আমাদের একটি প্রাথমিক প্রেস কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হবে আগামী রোববার। এটি হবে উদ্বোধনী প্রেস কনফারেন্স, সময় দুপুর ১টা, স্থান এখনো চূড়ান্ত হয়নি।