ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশ: ৩১ জানুয়ারী, ২০২৬ ০৯:৫৮ পূর্বাহ্ন | দেখা হয়েছে ৮৩ বার
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সহসভাপতি (ভিপি) আবু সাদিক কায়েম বলেছেন, আগামীর বাংলাদেশ হবে ইনসাফের বাংলাদেশ, আর সেই বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হবেন মানবিক নেতা ও জুলাই আন্দোলনের অন্যতম সংগঠক ডা. শফিকুর রহমান।
শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় কুমিল্লা টাউন হলে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে তিনি এ কথা বলেন।
আবু সাদিক কায়েম বলেন, জুলাই বিপ্লব পরবর্তী এদেশে আর কোনো ভণ্ডামি ও ফ্যামিলি কার্ডের রাজনীতি চলবে না। যারা মা ও বোনদের বিবস্ত্র করার হুমকি দেয়, যারা ফ্যামিলি কার্ডের নামে রাজনীতি করে এবং সেই ফ্যামিলি ধ্বংসে হামলা চালায়, তারা এই নতুন বাংলাদেশের শত্রু।
ডাকসু ভিপি বলেন, জুলাই বিপ্লবের দেড় বছর পর দেশে এসে একজন নেতা ‘ফ্যামিলি কার্ড’ খেলছেন, অথচ তার দলের নেতাকর্মীরাই ফ্যামিলি ধ্বংসের রাজনীতিতে জড়িত।
তিনি বলেন, যে গণভোটের মাধ্যমে জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি দেওয়ার লড়াই চলছে, সেখানে ওই নেতার ‘হা’র পক্ষে একটি কথাও আমরা শুনি না কেন?
তিনি আরও বলেন, জুলাই সনদ মানে শহীদদের আত্মত্যাগের স্বীকৃতি, আর গণভোটে ‘হ্যাঁ’ মানেই আজাদি, ইনসাফ ও শহীদ উসমানের হত্যার বিচার। ‘না’ মানে গোলামি, এই গোলামি জুলাই পরবর্তী বাংলাদেশ মেনে নেবে না।
তিনি বলেন, গত ৫শ দিনে একটি বিশেষ রাজনৈতিক গোষ্ঠী সারাদেশে চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, সন্ত্রাস ও হত্যাকাণ্ড চালিয়েছে।
কথা আর কাজের কোনো মিল নেই এমন রাজনীতি আর চলতে দেওয়া হবে না।
আবু সাদিক কায়েম উল্লেখ করেন, গত ১৬ বছর ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে রাজপথে থেকে আন্দোলন সংগ্রাম করেছে জামায়াত এবং জুলাই বিপ্লবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে দলটি। জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান শহীদ পরিবারের পাশে দাঁড়িয়ে বৈষম্যহীন ও ইনসাফভিত্তিক বাংলাদেশ গড়তে কাজ করছেন।
ডাকসু ভিপি বলেন, দেশের তরুণ সমাজ ইতোমধ্যেই ইনসাফের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে।
বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদ নির্বাচনের ফলাফলই তার প্রমাণ। আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে ইনসাফের প্রতিনিধি ও ১১ দলীয় জোটের প্রার্থীদের বিজয়ী করতে সারাদেশের মানুষ মুখিয়ে আছে।