ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৮ মে ২০২৬,
সরকার অনুমোদিত নিবন্ধন নম্বর ১৯১
Reg:C-125478/2015

কারাগারে ঈদ

ডেস্ক রিপোর্ট


প্রকাশ: ২৮ মে, ২০২৬ ১৭:৪৮ অপরাহ্ন | দেখা হয়েছে ১৬ বার


কারাগারে ঈদ

এবারের ঈদেও সাধারণ বন্দিদের পাশাপাশি কারাগারে আছেন কয়েক ডজন সাবেক মন্ত্রী-এমপি, ভিআইপি, সাবেক ঊর্ধ্বতন সামরিক ও বেসামরিক আমলা। নতুন পাঞ্জাবিতে ঈদ করবেন তারা।

 

থাকছে বিশেষ খাবার— পোলাও, মুরগির রোস্ট, গরু ও খাসির মাংস, মিষ্টান্নসহ মজাদার খাবার। ঈদের জামাতে নামাজ আদায়ের পাশাপাশি থাকছে খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগ এবং পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ।

 

কারাসূত্র জানায়, দেশের ৭৪টি কারাগারে বর্তমানে আনুমানিক ৮২ হাজার বন্দি রয়েছেন। যদিও কারাগারগুলোর মোট ধারণক্ষমতা ৪৬ হাজার।

 

 

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে এসব বন্দির জন্য থাকছে বিশেষ আয়োজন।

নির্ভরযোগ্য কারাগার সূত্র জানায়, ঈদ উপলক্ষে বন্দিদের জন্য বিশেষ খাবারের তালিকায় রাখা হয়েছে পোলাও, মুরগির রোস্ট, গরু ও খাসির মাংস, মিষ্টান্নসহ আরও কয়েকটি পদ।

 

 

সকালে পরিবেশন করা হবে পায়েশ ও মুড়ি। দুপুরে থাকবে পোলাও, গরু-খাসির মাংস (হিন্দুদের জন্য), মুরগির রোস্ট, চমচম, কোল্ডড্রিংক্স, পান-সুপারি ও সালাদ। বিকেলে পরিবেশন করা হবে সাদা ভাত, রুই মাছ ভাজা ও আলুর দম।

এ ছাড়া বন্দিদের স্বজনদের জন্যও রাখা হয়েছে বিশেষ ব্যবস্থা। দর্শনার্থীদের জন্য থাকবে ফ্রি জুস কর্নার, চিপস ও শিশুদের জন্য চকলেট।

 

২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের ঘটনাকে কেন্দ্র করে মানবতাবিরোধী অপরাধসহ বিভিন্ন মামলায় ঢাকার কেরানীগঞ্জের বিশেষ কারাগারে সাবেক মন্ত্রী, সংসদ সদস্য ও পদস্থ কর্মকর্তাসহ ১৩০ জন বন্দিও ঈদের বিশেষ খাবার পাবেন।

 

এরই মধ্যে তাদের পরিবারের দেওয়া নতুন পাঞ্জাবি, নতুন পোশাকসহ অন্যান্য জিনিসপত্র নিয়ম অনুযায়ী তারা গ্রহণ করেছেন।

 

বিশেষ কারাগারে থাকা এসব বন্দির বেশিরভাগই বয়স্ক এবং আগে থেকেই বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত। তারা নিয়মিত ওষুধ সেবন করছেন এবং কারাগারেও সেই চিকিৎসা চলমান রয়েছে বলে জানা গেছে।

 

কারা অধিদপ্তরের সহকারী কারা মহাপরিদর্শক (উন্নয়ন ও মিডিয়া) মো. জান্নাত-উল ফরহাদ বলেন, ঈদ উপলক্ষে বন্দীদের জন্য বিশেষ খাবার, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, ক্রীড়া আয়োজন এবং পরিবারের সঙ্গে অতিরিক্ত সাক্ষাতের সুযোগ রাখা হয়েছে। এসব সুবিধা শুধুমাত্র বন্দীদের নিজ পরিবারের সদস্যদের জন্য প্রযোজ্য হবে।

 

এ ছাড়া ঈদের দ্বিতীয় দিনে বন্দিদের প্রীতি ফুটবল ম্যাচ এবং তৃতীয় দিনে প্রীতি ক্রিকেট ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে।

 

ঈদের দিন, দ্বিতীয় দিন ও তৃতীয় দিনের মধ্যে যেকোনো একদিন পরিবারের দেওয়া খাবার গ্রহণের সুযোগ দেওয়া হবে।


   আরও সংবাদ