ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশ: ২১ জুলাই, ২০২৬ ০৯:৪৫ পূর্বাহ্ন | দেখা হয়েছে ২৬ বার
ইসলাম পরিপূর্ণ জীবন-বিধান। আর পৃথিবী হলো ক্ষণস্থায়ী আবাসস্থল।
পরিপূর্ণ এই জীবন-বিধান অনুসরণ করে ক্ষণস্থায়ী পৃথিবীর পরীক্ষায় উত্তম আমলের মাধ্যমে উত্তীর্ণরাই পরকালে সফল হিসেবে বিবেচিত হবেন। যাদের চিরস্থায়ী ঠিকানা হবে জান্নাত।
আর সফল হতে না পারাদের জন্য রয়েছে চিরশাস্তির জাহান্নাম। এজন্য পরকালে সফল হতে বিভিন্ন সময়ে বর্ণিত হাদিসে উম্মতদের যেমন নানা বিষয়ে আদেশ-নিষেধের কথা জানিয়েছেন নবীজি (সা.), তেমনি বাতলে দিয়েছেন মহান রবের সন্তুষ্টি অর্জনের পথও।
এর মধ্যে একটি হাদিসে দুনিয়াবি জীবনে বান্দার ছোট্ট একটি দোয়ায় আল্লাহ তা’আলার রহমতের দরজা খুলে দেয়ার কথা এসেছে। যা হাদিসের ভাষায় আসমানের দরজা উন্মোচন হিসেবে পরিচিত।
ইবন উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, একবার আমরা রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সঙ্গে সালাতরত ছিলাম। এমন সময় মুসল্লিদের একজন বললেন-
اللَّهُ أَكْبَرُ كَبِيرًا وَالْحَمْدُ لِلَّهِ كَثِيرًا وَسُبْحَانَ اللَّهِ بُكْرَةً وَأَصِيلاً
বাংলা: আল্লাহু আকবার কাবিরান, ওয়ালহামদুহু লিল্লাহি কাছিরান ওয়া সুবহানাল্লাহি বুকরাতান ওয়া আসিলান।
অর্থ: আল্লাহ মহান, অতি মহান, আল্লাহ তা’আলার জন্য অনেক অনেক প্রশংসা এবং সকাল-সন্ধ্যা আমি আল্লাহর পবিত্রতা বর্ণনা করছি।
পরে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন- কে এই দোয়া পাঠ করেছে? তখন উপস্থিত একজন বলল, ইয়া রাসুলাল্লাহ (সা.) আমি। এরপর নবীজি (সা.) বললেন, আমার খুব আশ্চর্য লেগেছে। এই কালিমাগুলোর জন্য আসমানের সব দরজা খুলে দেওয়া হয়েছে। ইবন উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, রাসুল (সা.) এর কাছে এই কথা শোনার পর থেকে আমি এই কালিমাগুলো বলা কখনও পরিত্যাগ করিনি। (সুনান আত তিরমিজি, হাদিস: ৩৫৯২)