ঢাকা, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬,
সরকার অনুমোদিত নিবন্ধন নম্বর ১৯১
Reg:C-125478/2015

ইউনেস্কোর সঙ্গে সহযোগিতা আরও জোরদারে আগ্রহী বাংলাদেশ

ডেস্ক রিপোর্ট


প্রকাশ: ৩০ জুলাই, ২০২৬ ১২:০৫ অপরাহ্ন | দেখা হয়েছে ১০ বার


ইউনেস্কোর সঙ্গে সহযোগিতা আরও জোরদারে আগ্রহী বাংলাদেশ

ঢাকা : শিক্ষা, সংস্কৃতি, বিজ্ঞান, জলবায়ু সহনশীলতা, যুব উন্নয়ন ও ডিজিটাল রূপান্তরসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ইউনেস্কোর সঙ্গে দীর্ঘদিনের অংশীদারত্ব আরও শক্তিশালী করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম। 

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ইউনেস্কোর বাংলাদেশ প্রতিনিধি ড. সুসান ভিজে’র সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এ আগ্রহের কথা জানান।

 

 

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায়।

সাক্ষাৎকালে প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশের উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রায় ইউনেস্কোর দীর্ঘদিনের সহযোগিতার প্রশংসা করেন।

 

 

তিনি বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে ইউনেস্কোর ঐতিহাসিক সম্পর্ক রয়েছে। এর মধ্যে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের স্বীকৃতি এবং সম্প্রতি টাঙ্গাইল শাড়ির বয়নশিল্পকে ইউনেস্কোর ‘রিপ্রেজেন্টেটিভ লিস্ট অব দ্য ইনট্যানজিবল কালচারাল হেরিটেজ অব হিউম্যানিটি’-তে অন্তর্ভুক্তির বিষয়টি উল্লেখযোগ্য।

 

শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেন, সরকার মানসম্মত শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন ও তরুণদের ক্ষমতায়নে দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে। এ ক্ষেত্রে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ (টিভিইটি), ভাষা প্রশিক্ষণ এবং আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সনদ প্রদানের মাধ্যমে সম্ভাব্য অভিবাসী কর্মীদের দক্ষতা বৃদ্ধিতে ইউনেস্কোর সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান জানান তিনি।

 

তিনি আরও জানান, পারস্পরিক সুবিধাজনক সময়ে ইউনেস্কোর মহাপরিচালককে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানাতে সরকার প্রস্তুত রয়েছে।

এ সময় ইউনেস্কোর বাংলাদেশ প্রতিনিধি ড. সুসান ভিজে বাংলাদেশের জাতীয় উন্নয়ন অগ্রাধিকারে সহযোগিতা অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন। তিনি শিক্ষা, সংস্কৃতি, যুব সম্পৃক্ততা ও টেকসই উন্নয়নসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা সম্প্রসারণে ইউনেস্কোর আগ্রহের কথা জানান।

ড. সুসান ভিজে বাংলাদেশের সৃজনশীল অর্থনীতির সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে বলেন, দেশের তরুণদের প্রতিভা, উদ্ভাবন ও সৃজনশীলতাকে কাজে লাগানোর ক্ষেত্রে এ খাত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

সৃজনশীল অর্থনীতির এ সম্ভাবনাকে স্বাগত জানিয়ে শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেন, দেশের উন্নয়ন পরিকল্পনায় সৃজনশীল অর্থনীতিকে অন্তর্ভুক্ত করা এবং জাতীয় অর্থনীতির মূলধারায় একীভূত করা প্রয়োজন।

সাক্ষাতে উভয় পক্ষ বাংলাদেশ ও ইউনেস্কোর মধ্যে বিদ্যমান দীর্ঘস্থায়ী অংশীদারত্বকে আরও জোরদার করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করে। তারা অন্তর্ভুক্তিমূলক, টেকসই ও জ্ঞানভিত্তিক উন্নয়নের লক্ষ্যে একসঙ্গে কাজ করার প্রত্যয় জানান।


   আরও সংবাদ