স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশ: ৭ অগাস্ট, ২০২৬ ০৮:৩৮ পূর্বাহ্ন | দেখা হয়েছে ১৫ বার
ঢাকা জাতীয় স্টেডিয়াম কমপ্লেক্স এলাকায় অবৈধ দখল, মাদক, ছিনতাই ও নানা অনিয়ম বন্ধে শুক্রবার থেকে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) বিকেলে স্টেডিয়াম এলাকা পরিদর্শন শেষে এ তথ্য জানান যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক।
প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় পুরো স্টেডিয়ামপাড়াকে আধুনিক, নিরাপদ ও ক্রীড়াবান্ধব ‘স্পোর্টস হাব’ হিসেবে গড়ে তুলতেই এই কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।
বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টায় জাতীয় স্টেডিয়াম কমপ্লেক্সের সার্বিক পরিবেশ ও অবকাঠামো ঘুরে দেখেন মো. আমিনুল হক।
এ সময় স্টেডিয়াম এলাকার জরাজীর্ণ ও নিরাপত্তাহীন পরিবেশ দেখে হতাশা প্রকাশ করেন তিনি। পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের ঐতিহ্যবাহী এই ক্রীড়া অবকাঠামোগুলো তাদের কাঙ্ক্ষিত পরিবেশ হারিয়ে ফেলেছে।
সন্ধ্যার পর স্টেডিয়াম এলাকায় মাদকসেবী ও ছিনতাইকারীদের উপদ্রব বেড়ে যাওয়ার একাধিক অভিযোগের কথা উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী জানান, এসব অপরাধ নিয়ন্ত্রণে শুক্রবার থেকে মোবাইল কোর্ট পরিচালনার পাশাপাশি স্টেডিয়ামের বিভিন্ন গেটে পুলিশ বক্স স্থাপন করা হবে। একই সঙ্গে নিয়মিত পুলিশি টহলের ব্যবস্থাও করা হবে।
স্টেডিয়ামের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখা ও অবকাঠামো সংস্কারের বিষয়ে মো. আমিনুল হক জানান, সিটি করপোরেশনের সহযোগিতায় দ্রুত ময়লা অপসারণ, রাস্তা সংস্কার এবং জরাজীর্ণ ভবনগুলোর উন্নয়ন করা হবে।
একই সঙ্গে স্টেডিয়ামের দোকানগুলোর লিজ, ভাড়া ও চুক্তিপত্র পুনর্মূল্যায়নের জন্য সংশ্লিষ্টদের কঠোর নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। কোথাও সরকারি রাজস্ব ফাঁকির ঘটনা ঘটে থাকলে তা সংশোধন করে আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের (এনএসসি) প্রাপ্য রাজস্ব নিশ্চিত করার কথাও জানান প্রতিমন্ত্রী।
সংবাদ সম্মেলনে ক্রীড়াবিদদের বকেয়া ভাতা নিয়েও কথা বলেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী। আইবাস++ (iBAS++) সিস্টেমের পদ্ধতিগত জটিলতার কারণে ২৮ জন ক্রীড়াবিদের ভাতা আটকে ছিল। এর মধ্যে ২৬ জনের সমস্যা ইতোমধ্যে সমাধান করা হয়েছে। বাকি দুজনের জটিলতাও দ্রুত নিষ্পত্তি হবে বলে জানান তিনি।
প্রতিমন্ত্রী আশ্বস্ত করে বলেন, কোনো ক্রীড়াবিদের ভাতার অর্থ নষ্ট হবে না।