ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশ: ২২ অগাস্ট, ২০২৬ ০৯:১৬ পূর্বাহ্ন | দেখা হয়েছে ৩৭ বার
ভর বর্ষা মৌসুমেও রাজধানীর কাঁচাবাজারে সবজির দামে কোনো স্বস্তি নেই। চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে প্রায় সব ধরনের সবজি ও মাছ।
ফলে আয়ের সাথে ব্যয়ের সঙ্গতি মেলাতে হিমশিম খাচ্ছেন স্বল্প ও নিম্নআয়ের মানুষ।
শুক্রবার (২১ আগস্ট) রাজধানীর মিরপুর ১০, ১৩ ও ২ নম্বর সেকশন, মোহাম্মদপুর এবং ফার্মগেট এলাকা ঘুরে বাজারদরের এমন তথ্য জানা যায়।
মিরপুর ২ নম্বরে বাজার করতে আসা অফিস সহায়ক আরজুল্লা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, গরমকালের মতোই চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে সবজি। কাঁচাবাজারে এসে সবজি কিনতেই পকেটের টাকা শেষ হয়ে যাচ্ছে, মাছের বাজারে যাওয়ার আর উপায় নেই।
একই বাজারের সবজি বিক্রেতা আনারুল জানান, পাইকারি বাজারে প্রায় সব ধরনের সবজি একই রকম আছে। তাই খুচরা বাজারেও কম বেশি হয়নি।
দুয়েকটা পণ্যের দাম কমলেও খুচরা বাজারে তারতম্য নেই।
আজকের দরদাম
পটল ৮০ টাকা, কাকরোল ১০০ টাকা, করলা ৮০-১০০ টাকা, দেশি শসা ১০০ টাকা, হাইব্রিড শসা ৭০-৮০ টাকা, ভেন্ডি ৮০ টাকা, বরবটি ৮০ টাকা, ধুন্দুল ৮০ টাকা, বেগুন (ধরনভেদে) ৮০-১০০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ৬০ টাকা, গাজর ১২০ টাকা, লাউ ৬০-৮০ টাকা, জালি কুমড়া ৮০ টাকা, কচুর মুখি ৮০ টাকা, লতি ৮০ টাকা এবং পেঁপে ৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। কাঁচা কলা প্রতি হালি ৪০-৫০ টাকা।
বাজারে লাল শাক ও শাপলা ফুল প্রতি আটি ২০ টাকা। লাউ শাক, পুঁই শাক ও ডাটা শাক ৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
চালের বাজারে সামগ্রিক স্থিতিশীলতা দেখা গেছে। খুচরা বাজারে মিনিকেট (মোজাম্মেল) ৮৫ টাকা, মিনিকেট (রশিদ ও ফ্রেশ) ৮০ টাকা, আঠাশ ৬০ টাকা, পাইজাম ৬০ টাকা এবং মোটা চাল (গুটি-স্বর্ণা) ৫৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
পাইকারি বিক্রেতারা জানান, মোটা চালের দাম কিছুটা নিম্নমুখী।
পাইকারি বাজারে ৫০ কেজির বস্তা মিনিকেট (মোজাম্মেল) তিন হাজার ৬০০ টাকা, মিনিকেট (রশিদ) তিন হাজার ১০০ টাকা, আঠাশ দুই ৬০০ টাকা, পাইজাম দুই হাজার ৫৫০- দুই হাজার ৬০০ টাকা এবং গুটি-স্বর্ণা দুই হাজার ৬০০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে।
সব ধরনের মাছ সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে
এক কেজির বেশি ওজনের ইলিশ দুই হাজার ৬০০ থেকে তিন হাজার টাকা। ৪০০ থেকে ৬০০ গ্রামে ওজনের ইলিশ প্রতি কেজি এক হাজার ৫০০ টাকার উপরে এবং ২০০-২৫০ গ্রামের ইলিশ প্রতি কেজি ৮০০ টাকা থেকে এক হাজার টাকা কেজি দামে বিক্রি হচ্ছে।
অন্যান্য মাছের মধ্যে রুই ও কাতলা (১-১.৫ কেজি) ৩৩০-৩৫০ টাকা ও (২ কেজি) ৪০০-৪৫০ টাকা। নদীর মাছের মধ্যে আইড় ৮০০-১,০০০ টাকা, কাঁচকি ৬০০ টাকা, পাবদা ৫০০-৬০০ টাকা, রুপচাঁদা এক হাজার ২০০ টাকা, বেলে এক হাজার ২০০ টাকা, ট্যাংরা ৮০০ টাকা এবং বড় চিংড়ি ৯০০-এক হাজার ২০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।
মাংস, ডিম ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য
গরুর মাংস ৭৮০-৮০০ টাকা, খাসির মাংস ১,২০০, বকরির মাংস ১১০০টাকা. টাকা, ব্রয়লার মুরগি ২০০ টাকা, সোনালী ৩৩০ টাকা এবং লেয়ার মুরগি ৩৬০ টাকা কেজি। ফার্মের ডিমের হালি বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকা দরে।
দেশি মসুর ডাল ১৬০-১৭০ টাকা, মোটা মসুর ডাল ১০০-১১০ টাকা, মুগ ডাল ১৭০ টাকা। বোতলজাত সয়াবিন তেল ১৯৯ টাকা লিটার এবং খোলা সয়াবিন ২০২ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
পেঁয়াজ, রসুন ও মশলা
দেশি পেঁয়াজ ৫০ টাকা, আলু (ধরনভেদে) ২৫-৪০ টাকা, আদা ১৬০-১৮০ টাকা, দেশি রসুন ১২০ টাকা এবং আমদানি করা বড় রসুন ১৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।