ঢাকা, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬,
সরকার অনুমোদিত নিবন্ধন নম্বর ১৯১
Reg:C-125478/2015

মানবতাবিরোধী অপরাধের শঙ্কা জাতিসংঘের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক


প্রকাশ: ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৬:১৫ অপরাহ্ন | দেখা হয়েছে ১৩ বার


মানবতাবিরোধী অপরাধের শঙ্কা জাতিসংঘের

অধিকৃত পশ্চিম তীরের তিনটি শরণার্থীশিবির থেকে ৩৩ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনিকে জোরপূর্বক সরিয়ে দেওয়ার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের আশঙ্কা জানিয়েছে জাতিসংঘ। সংস্থাটির মানবাধিকারবিষয়ক দপ্তর বলেছে, এ ধরনের দীর্ঘমেয়াদি ও পরিকল্পিত বাস্তুচ্যুতি ‘জোরপূর্বক স্থানান্তর’ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

 

এক প্রতিবেদনে এ সতর্কতা জানানো হয়। তবে প্রতিবেদনটি প্রত্যাখ্যান করেছে ইসরায়েল।

 

শুক্রবার (৫ সেপ্টেম্বর) বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে অধিকৃত পশ্চিম তীরের উত্তরাঞ্চলে ‘অপারেশন আয়রন ওয়াল’ নামে সামরিক অভিযান শুরু করে ইসরায়েল। ওই অভিযানের পর ৩৩ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত হন।

 

অভিযানের শুরুতে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী, পুলিশ ও অন্যান্য নিরাপত্তা বাহিনী শরণার্থীশিবিরগুলোতে প্রবেশ করে। জাতিসংঘের দাবি, এ সময় বেসামরিক মানুষ নিহত হন।

পাশাপাশি শত শত বাড়িঘর ধ্বংস এবং বিভিন্ন অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

 

 

 

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ইসরায়েলি বাহিনী শিবিরগুলোর পানি ও বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়। মানবিক সহায়তা পৌঁছানোর পথও বন্ধ করে দেওয়া হয়। পরে বাড়ি বাড়ি গিয়ে বাসিন্দাদের শিবির ছেড়ে যেতে বাধ্য করা হয়।

জাতিসংঘের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অভিযান শুরুর কয়েক দিনের মধ্যেই ইসরায়েলি নিরাপত্তা বাহিনী শিবিরগুলোর ওপর নিয়ন্ত্রণ আরও জোরদার করে। একপর্যায়ে সেখানকার পুরো জনগোষ্ঠীকে জোরপূর্বক সরিয়ে দেওয়া হয়।

জাতিসংঘ সতর্ক করে বলেছে, জেনিন, নূর শামস ও তুলকারেমের শরণার্থীশিবির থেকে ৩৩ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনিকে দীর্ঘ সময় ধরে পরিকল্পিতভাবে বাস্তুচ্যুত করার ঘটনা ‘জোরপূর্বক স্থানান্তর’ হিসেবে মানবতাবিরোধী অপরাধের গুরুতর উদ্বেগ তৈরি করছে।

জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জুলাই পর্যন্ত ওই তিন শরণার্থীশিবির থেকে বাস্তুচ্যুত ৩৩ হাজার ৩৬২ জন ফিলিস্তিনি শরণার্থীকে নিজ নিজ বাড়িতে ফিরতে দেওয়া হয়নি।


   আরও সংবাদ