ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬,
সরকার অনুমোদিত নিবন্ধন নম্বর ১৯১
Reg:C-125478/2015

আসবে ৭৮০ কোটি ৭৬ লাখ টাকার সার

ডেস্ক রিপোর্ট


প্রকাশ: ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০৯:৩৬ পূর্বাহ্ন | দেখা হয়েছে ১৫ বার


আসবে ৭৮০ কোটি ৭৬ লাখ টাকার সার

বেলারুশ, মরক্কো ও সৌদি আরব থেকে ১ লাখ ১০ হাজার মেট্রিক টন সার আমদানির অনুমোদন দিয়েছে সরকার। এর মধ্যে ৩০ হাজার মেট্রিক টন এমওপি, ৪০ হাজার মেট্রিক টন ডিএপি এবং ৪০ হাজার মেট্রিক টন বাল্ক গ্র্যানুলার ইউরিয়া সার রয়েছে।

এসব সার আমদানিতে মোট ব্যয় হবে ৭৮০ কোটি ৭৬ লাখ ২৭ হাজার ৫৩৯ টাকা।

 

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এ-সংক্রান্ত প্রস্তাবের অনুমোদন দেওয়া হয়।

 

 

বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, কৃষি মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে বেসরকারি পর্যায়ে বেলারুশ থেকে মেসার্স সুফলা ট্রেডিং করপোরেশনের মাধ্যমে ৩০ হাজার মেট্রিক টন এমওপি সার আমদানির প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে সরকার। মেসার্স সুফলা ট্রেডিং করপোরেশন থেকে এ সার কিনতে মোট ব্যয় হবে ১ কোটি ১৯ লাখ ৬৯ হাজার ১০০ মার্কিন ডলার বা বাংলাদেশি মুদ্রায় ১৪৭ কোটি ১৮ লাখ ৫০ হাজার ৯৯৯ টাকা।

প্রতি মেট্রিক টন সারের দাম পড়বে ৩৯৮.৯৭ মার্কিন ডলার।

 

কৃষি মন্ত্রণালয়ের অপর এক প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে জিটুজি পদ্ধতিতে মরক্কোর ওসিপি নিউট্রিক্রপস, এসএ এবং বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএডিসি) মধ্যে স্বাক্ষরিত চুক্তির আওতায় ঐচ্ছিক দ্বিতীয় লটের ৪০ হাজার মেট্রিক টন ডিএপি সার আমদানির প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে সরকার।

মরক্কোর ওসিপি নিউট্রিক্রপস, এসএ থেকে এ সার কিনতে মোট ব্যয় হবে ৪৩৯ কোটি ৮৬ লাখ ২৬ হাজার ১৮০ টাকা। প্রতি মেট্রিক টন সারের দাম পড়বে ৮৮৯.৩৩ মার্কিন ডলার।

 

অন্যদিকে, শিল্প মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের জন্য সৌদি আরবের সাবিক এগ্রি-নিউট্রিয়েন্টস কোম্পানি থেকে চতুর্থ লটের ৪০ হাজার মেট্রিক টন বাল্ক গ্র্যানুলার ইউরিয়া সার আমদানির প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে সরকার। এ সার কিনতে ব্যয় হবে ১৯৩ কোটি ৭১ লাখ ৫০ হাজার ৩৬০ টাকা। প্রতি মেট্রিক টন সারের দাম পড়বে ৩৯১.৬৬ মার্কিন ডলার।

এ ছাড়া, শিল্প মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে ডিএপি ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএপিএফসিএল) জন্য ২০ হাজার মেট্রিক টন এবং টিএসপিসিএলের জন্য ১০ হাজার মেট্রিক টন ফসফরিক অ্যাসিড আমদানির দুটি প্রস্তাব আলোচনা থেকে প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়।


   আরও সংবাদ