ঢাকা, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬,
সরকার অনুমোদিত নিবন্ধন নম্বর ১৯১
Reg:C-125478/2015

১০ দেশের ওপর শতভাগ শুল্কের প্রস্তাব যুক্তরাষ্ট্রের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক


প্রকাশ: ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৭:২৫ অপরাহ্ন | দেখা হয়েছে ৯ বার


১০ দেশের ওপর শতভাগ শুল্কের প্রস্তাব যুক্তরাষ্ট্রের

রাশিয়া ও ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরও কঠোর করতে ভারতসহ ১০টি দেশের ওপর সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের প্রস্তাব করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এ বিষয়ে ‘লিন্ডসে ও. গ্রাহাম স্যাংকশনিং রাশিয়া অ্যান্ড ইরান অ্যাক্ট অব ২০২৬’ নামের একটি বিল মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদে গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়াগত ধাপ পার হয়েছে।

 

বুধবার বিলটির চূড়ান্ত ভোট হওয়ার কথা রয়েছে। বিলটি পাস হলে রাশিয়ার তেল ও গ্যাস আমদানিকারক দেশগুলোর ওপর সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের ক্ষমতা মার্কিন প্রেসিডেন্টকে দেওয়ার প্রস্তাব কার্যকর হতে পারে।

 

এর আগে মঙ্গলবার প্রতিনিধি পরিষদে ২১৪-২১১ ভোটে বিলটি একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়াগত ধাপ পার হয়। দুই ডেমোক্র্যাট সদস্য রিপাবলিকানদের সঙ্গে ভোট দেওয়ায় বিলটি এগিয়ে নেওয়ার প্রস্তাব পাস হয়।

এর আগে গত ৭ আগস্ট মার্কিন সিনেটে ৮৬-১১ ভোটে বিলটি পাস হয়েছিল।

 

প্রস্তাবিত আইনে রাশিয়ার নেতৃত্ব, জ্বালানি ও প্রতিরক্ষা খাতের ওপর নিষেধাজ্ঞার পাশাপাশি নিষেধাজ্ঞা এড়িয়ে তেল পরিবহনে সহায়তাকারী ‘ছায়া বহর’-এর বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

একই সঙ্গে রাশিয়ার বড় জ্বালানি আমদানিকারক দেশগুলোর ওপর শুল্ক আরোপের ক্ষমতা প্রেসিডেন্টকে দেওয়ার প্রস্তাব রয়েছে।

 

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস জানিয়েছে, প্রতিনিধি পরিষদে জমা দেওয়া একটি সংশোধনীতে ভারত, চীন, তুরস্ক, আজারবাইজান, হাঙ্গেরি, স্লোভাকিয়া, সংযুক্ত আরব আমিরাত, সিঙ্গাপুর, কাজাখস্তান ও কিরগিজস্তানের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এসব দেশের ওপর ১০০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপের সুযোগ রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে।

তবে বিলটির বিরোধিতা করেছেন ডেমোক্র্যাট সদস্য গ্রেগরি মিকস। তার দাবি, এতে প্রেসিডেন্টকে শুল্ক আরোপের ক্ষেত্রে ব্যাপক ক্ষমতা দেওয়া হচ্ছে, যার ওপর পর্যাপ্ত নিয়ন্ত্রণ থাকবে না। বিলের বিরোধিতাকারী কয়েকজন ডেমোক্র্যাট আইনপ্রণেতা মনে করেন, এতে মার্কিন প্রেসিডেন্টের শুল্ক আরোপের ক্ষমতা ব্যাপকভাবে বাড়বে।

যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, রাশিয়ার অপরিশোধিত তেল বাণিজ্য ইউক্রেনের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধে অর্থ জোগাতে সহায়তা করছে। এ কারণেই রাশিয়ার তেল ও গ্যাসের বড় ক্রেতা দেশগুলোর ওপর চাপ বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

 

 

এদিকে ওয়াশিংটনে ইউক্রেনপন্থি সংগঠনগুলোও আইনপ্রণেতাদের ওপর চাপ বাড়াচ্ছে। ইউক্রেন অ্যাকশন সামিটে কিয়েভকে অব্যাহত সমর্থনের পক্ষে মার্কিন আইনপ্রণেতাদের কাছে প্রচার চালানো হচ্ছে।

প্রতিনিধি পরিষদে বিলটি পাস হলে তা প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের স্বাক্ষরের জন্য পাঠানো হবে। বৃহস্পতিবার থেকে প্রতিনিধি পরিষদের আগাম অবকাশ শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।

সূত্র: দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস।


   আরও সংবাদ