ঢাকা, মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬,
সরকার অনুমোদিত নিবন্ধন নম্বর ১৯১
Reg:C-125478/2015

আকাশপথে বেড়েছে নিরাপত্তা

ডেস্ক রিপোর্ট


প্রকাশ: ৬ অক্টোবর, ২০২৬ ০৯:০৪ পূর্বাহ্ন | দেখা হয়েছে ৩ বার


আকাশপথে বেড়েছে নিরাপত্তা

হজরত শাহাজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যুক্ত হয়েছে অত্যাধুনিক নতুন এয়ার ট্র্যাফিক কন্ট্রোল (এটিসি) টাওয়ার। আধুনিক প্রযুক্তি নির্ভর এ টাওয়ার চালুর পর দেশের আকাশপথ ব্যবহারকারী বিদেশি উড়োজাহাজ থেকে ওভার ফ্লাইং চার্জ আদায় উল্লেখযোগ্যহারে বেড়েছে।

 ফলে আগের তুলনায় একদিকে সরকারের রাজস্ব আয় যেমন বেড়েছে, তেমনি দেশের আকাশসীমায় নিরাপত্তাও বেড়েছে।

 

চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত এই ৬ মাসে এ খাত থেকে সরকারের আয় হয়েছে ৪১৬ কোটি ৯১ লাখ টাকা।

বিগত সময় থেকে আয় বেড়েছে প্রায় ৮-১০ শতাংশ।

 

এটিসির সদস্য এয়ার কমডোর মো. নুর-ই-আলম বলেন, আপনারা বলছেন আমাদের রাজস্ব বেড়েছে।

বিষয়টা হচ্ছে আমাদের রাজস্ব বাড়ার প্রবৃদ্ধির যে হার আছে ৬-৮ ভাগ। সেই হিসেবে রাজস্ব বাড়ছে।

২০২৫ ও ২০২৬ সালের দিকে তাকালে দেখা যায়, আগে প্রতি মাসে যেখানে ৬০-৭০ কোটি টাকা আসত। শুধু ওভার ফ্লাইং এর কথা বলছি। সেখানে আমাদের বর্তমানে ৬৯-৭১ কোটি টাকার আশেপাশে আসছে।

 

তিনি বলেন, ফ্রান্সের থেলাস কোম্পানির রাডার বসাতে সকারের ব্যয় হয়েছে ৯৪২ কোটি টাকা। বর্তমানে যা আয় হচ্ছে, আগামী ১৬-১৮ মাসের মধ্যে সম্পূর্ণ রাডারের ব্যয় তোলা সম্ভব। 

তিনি আরও বলেন, সেখানে যেটুকু ট্র্যাফিক আমি ধারণ করতে পারছি, সামনের দিনগুলোতে দূরত্বের উপর বেজ করে আমি জায়গা দিতে পারবো। ফলে আমি বর্তমান সময়ের থেকে ৩-৪ গুণ বেশি ট্র্যাফিক রাখতে পারব। এর ফলে আমার ৩-৪ গুণ বেশি রাজস্ব আদায় করতে পারব। 

জানা যায়, নতুন ফরাসি প্রযুক্তির রাডার ব্যবস্থা ও আধুনিক এটিসি টাওয়ার চালুর পর পরিস্থিতির আমূল পরিবর্তন হয়েছে। বর্তমানে দেশের আকাশসীমা, বিশেষ করে বঙ্গোপসাগর এলাকায় শতভাগ নজরদারি নিশ্চিত হচ্ছে। বর্তমানে দেশের আকাশসীমায় প্রবেশ করা প্রত্যেকটি ফ্লাইট শনাক্ত করে তাদের কাছে নির্ধারিত ফি আদায় সম্ভব হচ্ছে।

নতুন এটিসি টাওয়ার ও আধুনিক নেভিগেশন চালুর ফলে ঢাকা থেকে প্রায় ৩৫০ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত আকাশসীমা পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব হচ্ছে। ফলে, কোনো ফ্লাইটের পক্ষে রাডারের নজর এড়িয়ে বাংলাদেশের আকাশসীমায় ব্যবহার সম্ভব নয়।

মো. নুর-ই-আলম বলেন, আমাদের বঙ্গোপসাগরের দিকে বিশাল জলরাশি আগে আমাদের রাডারের আওতায় সেভাবে ছিলো না। বর্তমানে চট্টগ্রাম রাডার ইন্টিগ্রেটেড হওয়ার কারণে আমি দক্ষিণ দিকে বহুদূর পর্যন্ত রাডার কাভারেজ দিতে পারি। যেটুকু আমি রাডার পাচ্ছি না, সেখানে আমাদের অন্যান্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে আমাদের সক্ষমতা তৈরি হয়েছে। আমরা তখন বঙ্গোপসাগরের উপর যেসব রুট আছে, সেখান থেকেও রাজস্ব আদায় করতে পারব। 


   আরও সংবাদ