ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশ: ৩ মে, ২০২৬ ০৯:৪৯ পূর্বাহ্ন | দেখা হয়েছে ২০ বার
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় দীর্ঘদিন পর সোহাগী জাহান তনু হত্যা মামলার অগ্রগতি দৃশ্যমান হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। তিনি জানান, মামলার অগ্রগতি সম্পর্কে জানতে প্রধানমন্ত্রী নিজেই ঈদের দিন সকালে একটি গণমাধ্যমের প্রতিবেদন তার মোবাইল ফোনে পাঠান।
শনিবার (২ মে) রাজধানীর মহাখালীর ব্র্যাক সেন্টারে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে আইনমন্ত্রী এ কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে ‘নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পদ্ধতিগত প্রতিবন্ধকতা এবং উক্ত প্রতিবন্ধকতাসমূহ নিরসনের কার্যকর উপায় চিহ্নিতকরণ’ শীর্ষক গবেষণার ফলাফল প্রকাশ করা হয়।
বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট ও ব্র্যাকের যৌথ উদ্যোগে গবেষণাটি পরিচালিত হয়েছে।
আইনমন্ত্রী বলেন, ‘ঈদের দিন সকালে প্রধানমন্ত্রী আমাকে একটি খুদে বার্তা পাঠান।
সেখানে একটি প্রতিবেদনের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে তনু হত্যা মামলার সর্বশেষ অগ্রগতি সম্পর্কে জানতে চাওয়া হয়। ঈদের পর প্রথম কর্মদিবসেই বিষয়টি নিয়ে আমি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা করি।
’
তিনি আরও বলেন, দীর্ঘ ১০ বছর পর তনু হত্যা মামলার অগ্রগতি এখন দৃশ্যমান হতে শুরু করেছে। ইতোমধ্যে একজন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘গত ১০ বছরে যেসব কাজ সম্পন্ন করা সম্ভব হয়নি, তার অনেকগুলোই প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় গত দুই মাসে এগিয়ে নেওয়ার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। তবে বিষয়টি এখনো মূলত স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এখতিয়ারভুক্ত।’
তিনি আরও বলেন, মামলার অন্যান্য দিক নিয়ে আইনগত ব্যাখ্যা ও নির্দেশনার আলোকে সরকার প্রয়োজনীয় অবস্থান স্পষ্ট করবে।
উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের ২০ মার্চ কুমিল্লা সেনানিবাস এলাকায় পাওয়ার হাউস সংলগ্ন ঝোপ থেকে সোহাগী জাহান তনুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এর আগের সন্ধ্যায় তিনি সেনানিবাসের ভেতরে একটি বাসায় টিউশনি করতে গিয়ে নিখোঁজ হন।
এ ঘটনায় পরদিন তনুর বাবা কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় ক্যান্টনমেন্ট বোর্ডের তৎকালীন অফিস সহায়ক (বর্তমানে অবসরপ্রাপ্ত) ইয়ার হোসেনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করা হয়।