ধামইরহাটে কৃষকের আহজারি।
স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশ:
১৮ মে, ২০২৬ ০৯:৪১ পূর্বাহ্ন
| দেখা হয়েছে ৫ বার
ধামইরহাট প্রতিনিধি, নওগাঁ।
মাঠে ধান পাকলেও মিলছে না কামলা,দিশেহারা কৃষক।
কৃষকের আক্ষেপ, এক বিঘা জমিতে অনেক খরচ সার ও কীটনাশকের মুল্য অনেক বেশি ধান রোপন করেও নেই কোন শান্তি।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় নওগাঁর ধামইরহাটে মাঠ ভরা অনেক ফসল, কেটে ঘরে তোলার কামলা নেই কৃষকের বুক ফাটা কান্না শোনার যেনো কেউ নেই।
কি করে উঠবে এই সোনার ফসল ঘরে এরই মধ্যে যদি সঠিক মুল্য না পায় তাহলেতো আরো কষ্ট তাদের।
ধামইরহাট উপজেলা কৃষি অফিসার মো,দেলোয়ার হোসেন বলেন এবার চলতি মৌসুমে ধামইরহাট উপজেলা র আট ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা মিলে ইরি- বোরো ধানের আবাদ লক্ষ মাত্রা প্রায় ১৮৭৫৫ হেক্টর নির্ধারন করা হয়ছিল।এর মধ্যে উপশী ও হাইব্রিড উভয়জাতের ধান অন্তর্ভুক্ত। আবহাওয়া অনকুলে থাকায় এবার আশানুরূপ ফলন হয়েছে। কিন্তু ধান তোলায় সময় প্রকৃতিক দুর্যোগের কারণে কৃষক দিশেহারা।
ধামইরহাট ১ং ইউনিয়নের কৃষক শাহজাহান আলীর সঙ্গে কথা হয় তিনি দুঃখ নিয়ে কথা বলেন যে,
যারা এসি গাড়িতে ঘুরে এসি বাড়িতে বসে চিকন চালের ভাত খাচ্ছেন তারা কি একবারও ভেবে দেখেছেন কৃষকের কি কষ্ট যারা এই সোনার মাটিতে সোনার ফসল ফলাচ্ছে তাদের কথা কি একবারও ভেবে দেখেছেন? আপনাদের একটি সিগনেচারে একটু নজরদারিতে তারা হয়তো বা সার ও কীটনাশকের মূল্য কম পেতে পারতো কিন্তু আপনারা কখনো কৃষকের কষ্ট বুঝেছেন কি? কখনোই না সাবধান হয়ে যান কৃষক যদি এত হয়রানির পরে ফসল চাষ না করে কিভাবে খাবেন আপনারা সেই চিকন চালের ভাত কৃষকের এই চাপা কান্না একবারও কি সরেজমিনে দেখেছেন?
আর এক কৃষক হবিবর জানায় ফসল রোপনের সময় অনেক কষ্ট অনেক খরচ তারপরে আবার অনেক বালা মুসিবত। তিনি আরো বলেন এবার ধান তোলার জন্য নেই কোন কামলা ধান খুলে পড়েছে জমিনে যদিও দু একজন কামলা পাচ্ছে অধিক মজুরি দিতে হচ্ছে কি করে লাভবান হবে এই কৃষক বলতে পারেন?অনেক দুঃখ ভরা ক্লান্ত মন নিয়ে হাহাকার করছেন কৃষক এই বুকফাটা চাপা কান্নার দায় কে নিবে বলতে পারেন?
আক্ষেপ করে আরেক কৃষক গোলজার হোসেন বলেন যদি ধান চাষে একটু খরচ কম লাগতো সার কিটনাশক,কামলার দাম যদি কম পাইতো তাহলে হয়তোবা কৃষকরা বেচে যেত কিন্তু তার উল্টা হচ্ছে ন্যায্য মুল্যে সার পাচ্ছে না ডিজেল পাচ্ছে না আসলেই আমাদের কৃষি প্রধান দেশ কিন্তু কৃষককে নিয়ে ভাবার যেন কেউ নেই ঝড়-বৃষ্টি হলে দিঘা কে বিঘা জমির ধান নষ্ট হয়ে যায় কৃষকের নেই খতি স্বাধনের ব্যবস্থা কৃষকের এই মাথার ঘাম পায়ে ফেলা হাড়ভাঙ্গা পরিশ্রমের কষ্ট বোঝার কেউ নেই? কৃষক বাচলে দেশ বাঁচবে আমরাও বাঁচবো দেশের অর্থনৈতিকের চাকাও ঘুরবে সচল ভাবে। ন্যায্য মূল্যের সার কিনতে গিয়েও যে হয় রানী হতে হয় এর মধ্যে আবার কীটনাশকের অনেক ব্যয়বহুল খরচ কোন লাভ নেই কৃষকের অতি তাড়াতাড়ি সার কীটনাশকের দাম কমিয়ে কৃষক কে বাঁচার ব্যবস্থা করে দিন এই আমার অনাকাঙ্ক্ষিত প্রত্যাশা।
আরও সংবাদ