আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: ২৮ মে, ২০২৬ ১৭:৫২ অপরাহ্ন | দেখা হয়েছে ১৬ বার
দক্ষিণ ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের হামলার জবাবে ওই অঞ্চলের একটি মার্কিন বিমান ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। তবে এই ঘাঁটি ঠিক কোথায় অবস্থিত তা উল্লেখ করেনি তারা।
তবে কুয়েত জানিয়েছে, তারা আকাশপথে ‘শত্রুভাবাপন্ন ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের হুমকি’ প্রতিহত করেছে, দেশটিতে একটি মার্কিন ঘাঁটি রয়েছে। অবশ্য কুয়েত এই হুমকি কোথা থেকে এসেছে তা স্পষ্টভাবে জানায়নি।
এর আগে মার্কিন সামরিক বাহিনী জানায়, তারা হরমুজ প্রণালীর ওপর ইরানের বেশ কিছু ড্রোন গুলি করে ভূপাতিত করেছে এবং কৌশলগত বন্দরনগরী বন্দর আব্বাসে একটি সামরিক স্থাপনায় হামলা করেছে।
নতুন করে ছড়িয়ে পড়া এ উত্তেজনা যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতিকে হুমকির মুখে ফেলেছে।
গত তিন দিনের মধ্যে এ নিয়ে দ্বিতীয়বার ইরানের লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালাল যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে, আত্মরক্ষার স্বার্থেই এ হামলাগুলো চালানো হয়েছে।
মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে, বন্দর আব্বাসের যে স্থাপনাটিতে হামলা হয়েছে, সেখান থেকে পঞ্চম একটি ড্রোন উৎক্ষেপণের প্রস্তুতি চলছিল। ইরানি সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, শহরটির পূর্ব দিকে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে।
সেন্টকম তাদের এই পদক্ষেপকে ‘পরিমিত, সম্পূর্ণ আত্মরক্ষামূলক এবং যুদ্ধবিরতি বজায় রাখার উদ্দেশ্যে নেওয়া’ ব্যবস্থা হিসেবে বর্ণনা করেছে। পাশাপাশি তারা জানিয়েছে, তাদের বাহিনী ইরানের চারটি আত্মঘাতী ড্রোন ভূপাতিত করেছে, যেগুলো ‘হরমুজ প্রণালীর আশেপাশে হুমকি তৈরি করেছিল’।
ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচার মাধ্যম আইআরআইবির তথ্য অনুযায়ী, আইআরজিসি দাবি করেছে তারা এমন একটি আমেরিকান বিমান ঘাঁটিকে লক্ষ্যবস্তু করেছে, যেখান থেকে বন্দর আব্বাসে হামলাটি পরিচালনা করা হয়েছিল।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই মার্কিন হামলার নিন্দা জানিয়েছেন এবং বলেছেন, এই হামলাগুলো যুদ্ধবিরতির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।
তিনি আরও বলেন, ইরান তাদের ‘জাতীয় সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সব ধরনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে’।
সূত্র: বিবিসি