ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬,
সরকার অনুমোদিত নিবন্ধন নম্বর ১৯১
Reg:C-125478/2015

বগুড়া উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ আইন-২০২৬-এর খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন

ডেস্ক রিপোর্ট


প্রকাশ: ২৩ জুলাই, ২০২৬ ২০:২৮ অপরাহ্ন | দেখা হয়েছে ৪ বার


বগুড়া উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ আইন-২০২৬-এর খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন

বগুড়া ও এর আশপাশের এলাকাকে সমন্বিতভাবে পরিকল্পিত আধুনিক নগর হিসেবে গড়ে তুলতে ‘বগুড়া উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ আইন, ২০২৬’-এর খসড়ার নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার ১৪তম বৈঠকে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের উত্থাপিত আইনটির খসড়া উপস্থাপন করা হলে লেজিসলেটিভ ও সংসদবিষয়ক বিভাগের ভেটিং-সাপেক্ষে এর চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়।

মন্ত্রিসভার বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

 

 

প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি সুজন মাহমুদ সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

 

প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং থেকে জানানো হয়, বগুড়া ও এর সন্নিহিত এলাকায় পরিকল্পিত নগরায়ন নিশ্চিত করা, ভূ-প্রাকৃতিক পরিবেশ ও প্রতিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, অপরিকল্পিত নগরায়ন রোধ, দুর্যোগ-সহনশীল নগর ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলা, তথ্যপ্রযুক্তি ও পর্যটন শিল্পের বিকাশ এবং উন্নত নাগরিক জীবন নিশ্চিত করাই এ আইনের মূল উদ্দেশ্য।

আইন অনুযায়ী, বগুড়া সিটি কর্পোরেশন ও সংলগ্ন এলাকা নিয়ে চেয়ারম্যান, সার্বক্ষণিক সদস্য এবং বিভিন্ন সরকারি সংস্থার প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে ‘বগুড়া উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ’ নামে একটি সংবিধিবদ্ধ সংস্থা গঠন করা হবে।

 

এ কর্তৃপক্ষ গণশুনানি ও প্রাক-প্রকাশসহ নির্ধারিত আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে মহাপরিকল্পনা, উন্নয়ন প্রকল্প এবং স্থানীয় পরিকল্পনাসহ ধাপভিত্তিক পরিকল্পনা কাঠামো প্রণয়ন করবে। কর্তৃপক্ষের ছাড়পত্র ছাড়া কোনো নির্মাণকাজ বা উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ করা যাবে না।

 

খসড়া আইনে নদী-নালা, খাল, জলাশয়, খেলার মাঠ ও উন্মুক্ত স্থান সংরক্ষণে কঠোর পরিবেশগত বিধিনিষেধ আরোপের প্রস্তাব রাখা হয়েছে। পাশাপাশি ল্যান্ড রিডজাস্টমেন্টপদ্ধতি চালুর কথা বলা হয়েছে, যেখানে ন্যূনতম ৬০ শতাংশ ভূমির মালিকের সম্মতিতে ভূমি পুনর্বিন্যাস করা যাবে। এছাড়া ল্যান্ড রিডেভেলপমেন্টের মতো আধুনিক ভূমি ব্যবস্থাপনার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।

আইনে অননুমোদিত নির্মাণ, জলাধার ভরাটসহ বিভিন্ন অপরাধের জন্য কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। একই সঙ্গে কর্তৃপক্ষের নিজস্ব তহবিল গঠন, উন্নয়ন ফি নির্ধারণ, ঋণ গ্রহণ এবং নিরীক্ষার ব্যবস্থাও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।


   আরও সংবাদ