ঢাকা, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬,
সরকার অনুমোদিত নিবন্ধন নম্বর ১৯১
Reg:C-125478/2015

উইকেট হারিয়ে অস্বস্তিতে বাংলাদেশ

স্পোর্টস ডেস্ক


প্রকাশ: ২৩ অগাস্ট, ২০২৬ ১০:০১ পূর্বাহ্ন | দেখা হয়েছে ২৬ বার


উইকেট হারিয়ে অস্বস্তিতে বাংলাদেশ

ম্যাকাই টেস্টের প্রথম ইনিংসে ৬৪ রানে অলআউট হওয়ার পর দ্বিতীয় ইনিংসেও শুরুটা ভালো হলো না বাংলাদেশের। দ্রুত তিন উইকেট হারিয়ে লাঞ্চে গেছে সফরকারীরা।

তবে নাজমুল হোসেন শান্ত ও মুশফিকুর রহিমের ব্যাটে আপাতত কিছুটা স্বস্তি নিয়ে বিরতিতে গেছে বাংলাদেশ। লাঞ্চ বিরতিতে যাওয়ার আগে বাংলাদেশ ৩ উইকেট হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৩৯ রান।

এই মুহুর্তে আরও ১০৭ রান পিছিয়ে সফরকারীরা।

 

রোববার অস্ট্রেলিয়াকে দ্রুত গুটিয়ে দেওয়ার পর দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নামে বাংলাদেশ।

কিন্তু শুরুতেই আবারও স্টার্কের সামনে বিপর্যয়ের মুখে পড়ে টপ অর্ডার।।

পরপর দুই বলে সাদমান ইসলাম ও মুমিনুল হককে ফিরিয়ে দেন মিচেল স্টার্ক। বাঁহাতি পেসারের বলে লেগ সাইডে খেলতে গিয়ে ব্যাটের কানায় লেগে পয়েন্টে মার্নাস লাবুশেনের হাতে ধরা পড়েন সাদমান। ৩ বলে ১ রান করে ফেরেন তিনি।

 

পরের বলেই গোল্ডেন ডাক মুমিনুলের। ভেতরে ঢুকে আসা বলটি খেলবেন নাকি ছেড়ে দেবেন, এমন দ্বিধায় শেষ পর্যন্ত ব্যাট না বাড়িয়ে বিপদ ডেকে আনেন তিনি। বল আঘাত হানে অফ স্টাম্পের চূড়ায়। 

এরপর তানজিদ হাসানকে ফেরান অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক প্যাট কামিন্স। জশ হেইজেলউডের জায়গায় আক্রমণে এসে শর্ট বলের ফাঁদ পাতেন তিনি। একটু দ্বিধা নিয়ে পুল করতে গিয়ে লং লেগে মিচেল স্টার্কের হাতে ক্যাচ দেন তানজিদ। ৩৪ বলে এক চারে ৯ রান করেন এই ওপেনার।

তানজিদের বিদায়ের পর বাংলাদেশের স্কোর দাঁড়ায় ৮ ওভারে ৩ উইকেটে ২৪। সেখান থেকে অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ও মুশফিকুর রহিম দলকে আর কোনো বিপদে পড়তে দেননি।

লাঞ্চের ঠিক আগে অবশ্য একটি রিভিউ হারায় অস্ট্রেলিয়া। নাথান লায়নের অফ স্পিনে কট বিহাইন্ডের আবেদন করে অস্ট্রেলিয়া। আম্পায়ার সাড়া না দিলে ক্যারি নিজেই রিভিউ নেওয়ার পরামর্শ দেন কামিন্সকে। রিপ্লেতে দেখা যায়, ব্যাটে বলের কোনো ছোঁয়াই লাগেনি। ফলে অস্ট্রেলিয়ার প্রথম রিভিউটি ব্যর্থ হয়। ওই ওভার শেষেই লাঞ্চের ঘোষণা দেন আম্পায়াররা।

প্রথম সেশন শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ১১ ওভারে ৩ উইকেটে ৩৯ রান। শান্ত ২৪ বলে ২৩ ও মুশফিক ৬ বলে ৪ রানে অপরাজিত। 

এদিকে রোববার দ্বিতীয় দিনের প্রথম সেশনে অস্ট্রেলিয়ার ইনিংস শেষ হয় ২১০ রানে। জশ হেইজেলউডকে তাইজুল ইসলাম ফিরিয়ে দিলে ৫২.৩ ওভারে গুটিয়ে যায় স্বাগতিকদের ইনিংস। এতে প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের ৬৪ রানের জবাবে অস্ট্রেলিয়ার লিড দাঁড়ায় ১৪৬ রানে।

অস্ট্রেলিয়ার ইনিংসের শেষ উইকেটটি নেওয়ার আগেই অবশ্য ইতিহাস গড়ে ফেলেছেন শরিফুল ইসলাম। ৪৮ রানে ৭ উইকেট নিয়ে টেস্টে দেশের বাইরে এক ইনিংসে বাংলাদেশের সেরা বোলিং করেছেন বাঁহাতি পেসার। এর আগে রেকর্ডটি ছিল তাইজুল ইসলামের। হারারেতে ১৩৮ রানে বাঁহাতি এই স্পিনার নেন ৭ উইকেট। 

শুধু তাই নয়, অস্ট্রেলিয়ার মাটিতেও ১৯৯৩ সালের পর সফরকারী কোনো বোলারের সেরা বোলিং এখন শরিফুলের। তার দুর্দান্ত বোলিংয়ে মূলত ২১০ রানে অস্ট্রেলিয়াকে অলআউট করতে পারে বাংলাদেশ।


   আরও সংবাদ