ঢাকা, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬,
সরকার অনুমোদিত নিবন্ধন নম্বর ১৯১
Reg:C-125478/2015

যশোর বোর্ডে ১৬ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কেউ পাস করেনি

ডেস্ক রিপোর্ট


প্রকাশ: ৩১ অক্টোবর, ২০২৬ ১৫:৩৯ অপরাহ্ন | দেখা হয়েছে ৬ বার


যশোর বোর্ডে ১৬ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কেউ পাস করেনি

যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের অধীন ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় ১৬টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে কোনো পরীক্ষার্থী পাস করেননি। 

অন্যদিকে, শতভাগ পাসের সাফল্য অর্জন করেছে মাত্র তিনটি প্রতিষ্ঠান।

 

 

গত চার বছরের ফলাফল বিশ্লেষণে শতভাগ পাস করা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা কমার পাশাপাশি শতভাগ অকৃতকার্য প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বেড়েছে।

বোর্ডের ফলাফলের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৩ সালে শতভাগ অকৃতকার্য প্রতিষ্ঠান ছিল সাতটি এবং শতভাগ পাস করা প্রতিষ্ঠান ছিল ১০টি।

 

 

২০২৪ সালে শতভাগ ফেল করা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা সাত থাকলেও শতভাগ পাসের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ১৩টিতে। 

২০২৫ সালে শতভাগ অকৃতকার্য প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বেড়ে হয় ২০টি, বিপরীতে শতভাগ পাস করে মাত্র পাঁচটি প্রতিষ্ঠান।

 

 

আর ২০২৬ সালে শতভাগ ফেল করা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ১৬টি এবং শতভাগ পাস করা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা কমে দাঁড়িয়েছে তিনটিতে।

এবার শতভাগ অকৃতকার্য প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে কুষ্টিয়ার হাজী নুরুল ইসলাম কলেজ (পরীক্ষার্থী ৮ জন), মেহেরপুরের মোরকা জাগরণ কলেজ (১), ঝিনাইদহের মল্লিক শহিদুল ইসলাম কারিগরি কলেজ (১৯), খুলনার মডেল মহিলা কলেজ (৩), মাগুরার বুজরুক শ্রীকুন্দি কলেজ (১৫), যশোরের সবুজ পল্লী কলেজ (৭), খুলনার ইনডিপেনডেন্ট আইডিয়াল কলেজ (১১), সাতক্ষীরার ইসলামিয়া মহিলা কলেজ (৩), কুষ্টিয়ার জগন্নাথপুর আইডিয়াল কলেজ (১), মাগুরার গোপিনাথপুর এম এ খালেক স্কুল অ্যান্ড কলেজ (২), খুলনার কপিলমুনি সহচারী বিদ্যা মন্দির (৩), কয়রা শাকবাড়িয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজ (২৭), কমরেড রতন সেন কলেজিয়েট গার্লস কলেজ (১), নড়াইলের মাকরাইল করিম খালেক সোলায়মান ইনস্টিটিউট (৪৩), খুলনা নিউজপ্রিন্ট মিলস স্কুল অ্যান্ড কলেজ (১২) এবং সাতক্ষীরার এ কে ফজলুল হক এমসিএ কলেজ (৪৯)।

 

অন্যদিকে শতভাগ পাস করা তিনটি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে ঝিনাইদহের ক্যাডেট কলেজ (পরীক্ষার্থী ৪৩ জন), বাংলাদেশ নৌবাহিনী স্কুল অ্যান্ড কলেজ, খুলনা (৬১) এবং চুয়াডাঙ্গার ব্রাইট মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ (২৩)।

এ বিষয়ে বোর্ডের সচিব অধ্যাপক ড. আব্দুল মতিন বলেন, ২০২৫ সালে শতভাগ অকৃতকার্য হওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রধানদের কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছিল। 

তাদের বক্তব্যও শোনা হয়েছে। কারণগুলো বিশ্লেষণ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, এ বছরও শতভাগ অকৃতকার্য প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রধানদের কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হবে। 

প্রয়োজনে এসব প্রতিষ্ঠানের অধিভুক্তি নবায়ন বন্ধ করে দেওয়া হতে পারে।


   আরও সংবাদ