ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশ: ২৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১৪:০৬ অপরাহ্ন | দেখা হয়েছে ২৪ বার
দলীয় প্রতীকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন হবে কিনা-সংসদের প্রথম অধিবেশনেই সেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
তিনি বলেন, আমার ব্যক্তিগত মতামতের কোনো সুযোগ নেই এখানে। এখানে আমাদের দলীয় সিদ্ধান্ত আছে, সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কাজ করবো।
মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) ছয় সিটি করপোরেশনের নতুন নিয়োগ পাওয়া প্রশাসকরা যোগ দিতে এলে সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মির্জা ফখরুল এ কথা জানান।
স্থানীয় সরকার নির্বাচন কী দলীয় প্রতীকে হবে, নাকি হবে না-জানতে চাইলে তিনি বলেন, ইট উইল বি ডিসাইডেড ইন দ্য পার্লামেন্ট (সে সিদ্ধান্ত সংসদে হবে)। আর এখানে (সিটি করপোরেশনগুলোতে) যেহেতু সরকারি কর্মকর্তারা দায়িত্বে ছিলেন, আমরা মনে করছি যে এখানে রাজনৈতিক ব্যক্তিরা থাকলে জনগণ সেবা বেশি পাবে এবং ভালোভাবে পাবে। এটা আমাদের বিশ্বাস। সেই কারণেই আমরা রাজনৈতিক ব্যক্তিদের প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দিয়েছি।
এতে জনগণের সঙ্গে সম্পৃক্ততা বাড়বে।
দলীয় প্রতীকে নির্বাচনের সিদ্ধান্ত কী আগামী ১২ মার্চ যে সংসদের প্রথম অধিবেশন বসছে, সেখানে হবে-এ বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, অবশ্যই।
স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, যেসব স্থানীয় সরকারের মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে, সেগুলো থেকেই নির্বাচন শুরু হবে। ঢাকার আগে দুটিতে হওয়ার সম্ভাবনা আছে।
আর কয়েকটি আছে, যাদের মেয়াদ শেষ হয়েছে, সেগুলো আগে হবে।
স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু করে কতদিনের মধ্যে শেষ করার পরিকল্পনা-এ বিষয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, এখনই বলা যাবে না। আমরা যখন একেকটি ধাপে দেখব, তখন সিদ্ধান্ত হবে। এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া। স্থানীয় সরকার নির্বাচনও একটি চলমান প্রক্রিয়া।
কারও মেয়াদ শেষ হয়, আবার নির্বাচন হয়। ইউনিয়ন পরিষদেও তাই হয়, উপজেলাতেও তাই হয়। সুতারাং ইট ইজ আ কন্টিনিউয়াস প্রসেস।
স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, জনগণের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকায় সরকারি কর্মকর্তাদের চেয়ে রাজনৈতিক প্রশাসকরা সিটি করপোরেশনে ভালো কাজ করতে পারবেন। তাই অকার্যকর স্থানীয় সরকারকে সচল করার জন্য সিটি করপোরেশনে রাজনৈতিক প্রশাসক বসানো হয়েছে।
মশা নিধন, যানজট নিরসন, রাস্তাঘাট মেরামতসহ জনদুর্ভোগ এড়াতে কাজ করার অঙ্গীকার জানিয়েছেন ছয় প্রশাসক। তারা জানান, জনগণের সেবা নিশ্চিত করাই তাদের অঙ্গীকার। দ্রুত কাজ শুরু করতে ৬০ দিনের কর্মসূচি নেবেন নতুন প্রশাসকরা।