আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: ২৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ০৯:৩১ পূর্বাহ্ন | দেখা হয়েছে ২২ বার
ইরানের বিরুদ্ধে হামলার হুমকি এবং মধ্যপ্রাচ্যে কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে বড় সামরিক সমাবেশ জোরদারের প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্র শুক্রবার ইসরায়েল থেকে অ-জরুরি দূতাবাস কর্মীদের প্রস্থান অনুমোদন দিয়েছে।
এই পদক্ষেপটি আসে ওমানের মধ্যস্থতায় ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে অনুষ্ঠিত এক দফা আলোচনার পরদিন-যা যুদ্ধ এড়ানোর শেষ প্রচেষ্টা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছিল। তবে তেহরান সতর্ক করে দেয়, চুক্তিতে পৌঁছাতে হলে ওয়াশিংটনকে ‘অতিরিক্ত দাবি’ প্রত্যাহার করতে হবে।
বিশ্বের বৃহত্তম বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস জেরাল্ড আর. ফোর্ড মিত্র ইসরায়েলের উপকূলে পৌঁছানোর কথা থাকায়, তেল আবিবে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস ঘোষণা দেয় যে ‘নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণে’ অ-জরুরি সরকারি কর্মী ও তাদের পরিবারকে দেশ ত্যাগের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে।
দূতাবাস তাদের ওয়েবসাইটে জানায়, ‘বাণিজ্যিক ফ্লাইট চালু থাকা অবস্থায় ইসরায়েল ত্যাগের বিষয়টি বিবেচনা করতে পারেন।’
নিউইয়র্ক টাইমস জানায়, ইসরায়েলে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত মাইক হাকাবি শুক্রবার সকালে দূতাবাস কর্মীদের কাছে ইমেইল পাঠিয়ে বলেন, যারা যেতে চান তারা ‘আজই’ তা করুন।
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও সোমবার ইসরায়েলে ইরান ইস্যুতে বৈঠক করবেন বলে স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে।
সংঘাতের আশঙ্কা বাড়তে থাকায় চীনসহ কয়েকটি দেশ তাদের নাগরিকদের ‘যত দ্রুত সম্ভব’ ইরান ত্যাগের আহ্বান জানিয়েছে।
ব্রিটেনও ইরান থেকে তাদের দূতাবাস কর্মীদের প্রত্যাহার করেছে।