আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: ২৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১০:৪৭ পূর্বাহ্ন | দেখা হয়েছে ১০ বার
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে শান্তি আলোচনা স্থবির হয়ে পড়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে আবারও ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে তেলের দাম। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ২ শতাংশের বেশি বেড়েছে বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা।
তবে কিছুটা ওঠানামার পর বাংলাদেশ সময় সকাল ৭টা ৩০ মিনিটে ব্যারেলপ্রতি তেলের দাম দাঁড়িয়েছে ১০৬ দশমিক ৯৯ ডলারে।
এই অচলাবস্থার মধ্যেও এশিয়ার শেয়ারবাজারে দেখা গেছে ইতিবাচক প্রবণতা।
সোমবার সকালে জাপানের নিকেই ২২৫ সূচক ০ দশমিক ৯ শতাংশ এবং দক্ষিণ কোরিয়ার কোসপি সূচক ১ দশমিক ৫ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে।
এদিকে কূটনৈতিক তৎপরতায়ও দেখা যাচ্ছে টানাপোড়েন।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ ও জ্যারেড কুশনারের পাকিস্তান সফর বাতিল করেছেন। অন্যদিকে, ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি ইসলামাবাদ ত্যাগ করায় সম্ভাব্য আলোচনা আর এগোয়নি।
বর্তমানে আরাগচি রাশিয়ার সেন্ট পিটার্সবার্গে অবস্থান করছেন, যেখানে তিনি প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে বৈঠক করবেন। ধারণা করা হচ্ছে, চলমান অচলাবস্থা নিরসনের পথ খুঁজতেই এই সফর।
সবচেয়ে বড় প্রভাব পড়েছে গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালীতে। ইরানের হুমকির কারণে এই পথে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। সামুদ্রিক তথ্য বিশ্লেষণ সংস্থা উইন্ডওয়ার্ড জানিয়েছে, শনিবার সেখানে মাত্র ১৯টি জাহাজ চলাচল করেছে।
অথচ স্বাভাবিক সময়ে বিশ্বের মোট তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই পথ দিয়ে পরিবাহিত হয়। জাতিসংঘ বাণিজ্য ও উন্নয়ন সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধ শুরুর আগে প্রতিদিন গড়ে ১২৯টি জাহাজ এই প্রণালী ব্যবহার করত।
বিশ্লেষকদের মতে, পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক না হলে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে আরও অস্থিরতা তৈরি হতে পারে, যার প্রভাব পড়বে বিশ্ব অর্থনীতিতেও
সূত্র: আল জাজিরা