ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশ: ১০ মে, ২০২৬ ১৪:২৩ অপরাহ্ন | দেখা হয়েছে ১৫ বার
সামুদ্রিক মৎস্য সম্পদ সংরক্ষণ ও অবৈধ আহরণ নিয়ন্ত্রণে সরকারের চলমান ৫৮ দিনের নিষেধাজ্ঞায় ১ হাজার ৬৩৬টি অভিযানে এখন পর্যন্ত ৯৬৩ মেট্রিক টন মাছ এবং ৯২ লাখ মিটার জাল জব্দ করা হয়েছে।
একই সঙ্গে ৬টি মামলা দায়ের, ৯ লাখ ৪২ হাজার টাকা জরিমানা আদায় এবং ৯ জন জেলেকে কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।
রোববার (১০ মে) মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
সামুদ্রিক মৎস্য সম্পদ সংরক্ষণ ও অবৈধ আহরণ নিয়ন্ত্রণে সরকারের চলমান ৫৮ দিনের নিষেধাজ্ঞা কার্যকরে দেশব্যাপী ব্যাপক অভিযান পরিচালনা করেছে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়।
১৫ এপ্রিল ২০২৬ থেকে শুরু হওয়া এ কর্মসূচি আগামী ১১ জুন পর্যন্ত চলবে।
মন্ত্রণালয়ের অগ্রগতি প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ৫৮ (আটান্ন) দিন বাংলাদেশের সামুদ্রিক জলসীমায় সকল প্রকার মৎস্য নৌযান দ্বারা যে কোনো প্রজাতির সামুদ্রিক মৎস্য আহরণ নিষিদ্ধকরণ কর্মসূচির আওতায় ১৫ এপ্রিল থেকে ৯ মে পর্যন্ত সারাদেশে ২৮টি মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়েছে।
একই সময়ে চালানো হয়েছে ১ হাজার ৬৩৬টি অভিযান।
এছাড়া অভিযান চলাকালে ১ হাজার ২০৪টি অবতরণ কেন্দ্র, ৪ হাজার ৩৪৭টি মাছঘাট, ৮ হাজার ১৩৯টি আড়ত এবং ৭ হাজার ৯৭৯টি বাজার পরিদর্শন করা হয়।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, অভিযানে এ পর্যন্ত ৯৬৩ দশমিক ৪৪২ মেট্রিক টন মাছ এবং ৯২ দশমিক ৮০১ লাখ মিটার জাল জব্দ করা হয়েছে। একই সঙ্গে ৬টি মামলা দায়ের, ৯ লাখ ৪২ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা আদায় এবং ৯ জন জেলেকে কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।
জব্দকৃত মাছ ও অন্যান্য সামগ্রী নিলামের মাধ্যমে সরকার ১৭ দশমিক ৫৮ লাখ টাকা রাজস্ব অর্জন করেছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, চট্টগ্রাম ও বরিশাল বিভাগে জেলে ও যান্ত্রিক নৌযানের সংখ্যা তুলনামূলক বেশি হওয়ায় এসব এলাকায় অভিযান কার্যক্রমও বেশি পরিচালিত হয়েছে।
সার্বিক কার্যক্রমে মৎস্য অধিদপ্তর, কোস্টগার্ড, নৌপুলিশসহ সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও বিভিন্ন সংস্থার সমন্বিত উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এ ধরনের অভিযান সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং টেকসই মৎস্যসম্পদ ব্যবস্থাপনায় কার্যকর অবদান রাখবে।