স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশ: ২৩ মে, ২০২৬ ০৯:০৮ পূর্বাহ্ন | দেখা হয়েছে ২২ বার
ধামইরহাট (নওগাঁ) প্রতিনিধি
নওগাঁর ধামইরহাটে ১০ বছর বয়সের এক শিশু শিক্ষার্থীকে বলাৎকারের অভিযোগে মাদরাসার আরবি শিক্ষক হাফেজ মমিনুল হককে (২৬) গ্রেফতার করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার রাতে এ তথ্য নিশ্চিত করেন ধামইরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিন্টু রহমান।
মঙ্গলবার (১৯ মে) রাতে উপজেলার ইসবপুর ইউনিয়নের বাদাল উলুম আশরাফিয়া থানবিয়া কওমি হাফিজিয়া মাদরাসয় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় বাদাল উলুম আশরাফিয়া থানবিয়া কওমি হাফিজিয়া মাদরাসার সভাপতি নূরন্নবী হোসেন বৃহস্পতিবার বিকেলে বাদি হয়ে ধামইরহাট ধানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
শিক্ষকের বিচার চেয়ে ভুক্তভোগীর মা খাতিজা বলেন, ছেলেকে কোরআনের হাফেজ বানানোর জন্য মাদরাসায় ভর্তি করেছিলাম। আজ সকালে জানতে পারি মাদরাসার শিক্ষক ছেলের সঙ্গে খারাপ কাজ করেছে। একজন হুজুর কি করে এমন খারাপ কাজ করতে পারে। এমন ঘটনার যেন পুনরাবৃত্তি না ঘটে এ কারণে প্রশাসনের কাছে সহযোগিতা চেয়েছেন তিনি।
এবিষয়ে মাদরাসার সভাপতি নূরন্নবী বলেন, বাদাল উলুম আশরাফিয়া থানবিয়া কওমি হাফিজিয়া মাদরাসার বোর্ডিংয়ে ভুক্তভোগী ওই শিক্ষার্থীকে কোরআনের হাফেজের জন্য পড়াশোনা করাচ্ছিলেন তাঁর পরিবার। গত মঙ্গলবার রাতে ওই শিক্ষক তার শোবার কক্ষে নিয়ে গিয়ে জোরপূর্বক বলাৎকার করে।
নূরন্নবী আরও জানান, ঘটনার পরের দিন বুধবার বলাৎকারের বিষয়টি সহপাঠীদের জানালে, সহপাঠীরা পরিবারের কাছে শিক্ষকের বিরুদ্ধে এবিষয়ে অভিযোগ করে। এরপর বিষয়টি জানাজানি হলে মাদরাসা কমিটির অন্যান্য সদস্যদের সহযোগিতায় স্থানীয়রা হাফেজ মমিনুল হককে বৃহস্পতিবার সকালে আটক করে পুলিশকে খবর দেয়।
ধামইরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিন্টু রহমান বলেন, স্থানীয়দের কাছ থেকে শিক্ষার্থী বলাৎকারের বিষয়টি জানতে পেরে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। এরপর ভুক্তভোগী ওই শিক্ষার্থী ও শিক্ষককে উদ্ধার করে থানা হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। পরবর্তীতে ধর্ষণ মামলা দায়েরের মাধ্যমে ওই শিক্ষককে জেলা কোর্ট হাজতে প্রেরণ করা হবে।