ঢাকা, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬,
সরকার অনুমোদিত নিবন্ধন নম্বর ১৯১
Reg:C-125478/2015

খালের সীমানা নির্ধারণে উত্তর-দক্ষিণে পৃথক কমিটি

ডেস্ক রিপোর্ট


প্রকাশ: ১৪ জুন, ২০২৬ ১৪:৫৮ অপরাহ্ন | দেখা হয়েছে ১৮ বার


 খালের সীমানা নির্ধারণে উত্তর-দক্ষিণে পৃথক কমিটি

ঢাকা : রাজধানীর খালগুলোর প্রকৃত সীমানা নির্ধারণ, দখলমুক্তকরণ ও পুনরুদ্ধার কার্যক্রম জোরদার করতে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের জন্য পৃথক দুটি কমিটি গঠন করেছে স্থানীয় সরকার বিভাগ। 

আগামী তিন মাসের মধ্যে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট এলাকার সব খালের সীমানা চিহ্নিত করে বিস্তারিত প্রতিবেদন জমা দিতে হবে এসব কমিটিকে।

 

সম্প্রতি স্থানীয় সরকার বিভাগের সিটি করপোরেশন-১ শাখা থেকে জারি করা এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

আদেশে বলা হয়, সম্প্রতি স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক জরুরি সভায় ঢাকার খালগুলোর সীমানা নির্ধারণ, পুনরুদ্ধার এবং জলাবদ্ধতা নিরসনে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

এর পরিপ্রেক্ষিতেই ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের জন্য পৃথক কমিটি গঠন করা হয়েছে।

 

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) জন্য ১২ সদস্যের কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে সংস্থাটির প্রধান প্রকৌশলীকে।

কমিটিতে সদস্য হিসেবে রয়েছেন সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা, অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী ও নির্বাহী প্রকৌশলী, ঢাকার জোনাল সেটেলমেন্ট কর্মকর্তা, ঢাকা জেলার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব), কনস্ট্রাকশন সুপারভিশন কনসালট্যান্ট (সিএসসি), ঢাকা মহানগর পুলিশ, ঢাকা ওয়াসা, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক), বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড এবং সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের প্রতিনিধিরা।

 

অন্যদিকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) জন্য গঠিত ১১ সদস্যের কমিটির আহ্বায়কও প্রধান প্রকৌশলী।

এ কমিটিতে সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের কর্মকর্তাদের পাশাপাশি ঢাকা মহানগর পুলিশ, ঢাকা ওয়াসা, পানি উন্নয়ন বোর্ড এবং সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের প্রতিনিধিদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

 

কমিটির কার্যপরিধি অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট সিটি করপোরেশনের আওতাধীন সব খাল ডিমার্কেশন করে সীমানা চিহ্নিত করতে হবে এবং এ বিষয়ে বিস্তারিত প্রতিবেদন স্থানীয় সরকার বিভাগে জমা দিতে হবে। প্রয়োজনে সিটি করপোরেশনের প্রশাসকের পরামর্শ নেওয়া যাবে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী অতিরিক্ত সদস্যও কো-অপ্ট করা যাবে।

এ উদ্যোগের মাধ্যমে রাজধানীর খালগুলোর প্রকৃত সীমানা নির্ধারণ, দখলমুক্তকরণ ও পুনরুদ্ধার কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে এবং জলাবদ্ধতা নিরসনে কার্যকর অগ্রগতি অর্জন করা সম্ভব হবে।


   আরও সংবাদ