ঢাকা, রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২৬,
সরকার অনুমোদিত নিবন্ধন নম্বর ১৯১
Reg:C-125478/2015

আলী খামেনির জানাজায় তার তিন ছেলেকে দেখা গেছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক


প্রকাশ: ৫ জুলাই, ২০২৬ ১৩:১০ অপরাহ্ন | দেখা হয়েছে ২১ বার


আলী খামেনির জানাজায় তার তিন ছেলেকে দেখা গেছে

তেহরানে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি ও তাঁর পরিবারের চার সদস্যের জানাজায় তার তিন ছেলেকে দেখা গেছে।

এসোসিয়েটেড প্রেস সংবাদ সংস্থা জানিয়েছে, প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা খামেনির জানাজায় তার তিন ছেলে মাসুদ, মেসাম এবং মোস্তফা অংশ নিয়েছেন।

 

 

তবে আলী খামেনির আরেক ছেলে বর্তমান সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণে জানাজায় উপস্থিত ছিলেন না।

রোববার (৫ জুলাই) স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ৮টার পর তেহরানে ইমাম খোমেনি গ্র্যান্ড মোসাল্লায় এ জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়।

 

ইরানের অন্যতম জ্যেষ্ঠ ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব আয়াতুল্লাহ জাফর সোবহানি নিহত খামেনি এবং তার পরিবারের চার সদস্যের জানাজার নামাজের নেতৃত্ব দিয়েছেন।

জানাজার নামাজে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান, স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ এবং বিচার বিভাগের প্রধান গোলাম হোসেইন মোহসেনি।

আইআরজিসি কমান্ডার আহমেদ ভাহিদি, আইআরজিসি কুদস ফোর্সের কমান্ডার ইসমাইল কানিও এতে অংশগ্রহণ করেন।

 

জানাজার নামাজের শুরুর কয়েক ঘণ্টা আগেই মোসাল্লার প্রধান প্রাঙ্গণ কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায়।

গত শনিবার থেকে জনসাধারণের শোক এবং আনুষ্ঠানিক বিদায় অনুষ্ঠানের জন্য আলী খামেনির মরদেহ এখানে রাখা হয়েছে।

 

জানাজার পর আগামীকাল সোমবার তেহরানে এবং মঙ্গলবার পবিত্র শহর কোমে শোকযাত্রা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর খামেনির মরদেহ ইরাকের নাজাফ ও কারবালা শহরে নেওয়া হবে। আগামী বৃহস্পতিবার ইরানের মাশহাদ শহরে দাফনের জন্য তার মরদেহ ফিরিয়ে আনা হবে।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান যুদ্ধের প্রথম দিন মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় ৮৬ বছর বয়সী খামেনি নিহত হন। ১৯৮৯ সাল থেকে তিনি ইরান শাসন করে আসছিলেন। আলী খামেনি নিহত হওয়ার পর তার ছেলে মোজতবা খামেনিকে সর্বোচ্চ নেতা করা হয়। তিনিও যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি হামলায় আহত হয়েছেন। দায়িত্ব পাওয়ার পর তাকে জনসমক্ষে দেখা যায়নি।

গত শনিবার জানাজার আনুষ্ঠানিকতার প্রথম দিনে লাখ লাখ মানুষ কালো পোশাক পরে ও প্রতিশোধের প্রতীক লাল পতাকা হাতে অংশ নেন। শোকের পাশাপাশি সমবেত মানুষেরা ‘যুক্তরাষ্ট্র ধ্বংস হোক’ এবং ‘প্রতিশোধ’ স্লোগান দেন।

ইরান কর্তৃপক্ষ এই বিশাল জমায়েতকে যুদ্ধের পর তাদের শক্তি ও প্রতিরোধের বার্তা হিসেবে তুলে ধরতে চাইছে।

সূত্র: আল-জাজিরা ও তাসনিম নিউজ


   আরও সংবাদ