ঢাকা, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬,
সরকার অনুমোদিত নিবন্ধন নম্বর ১৯১
Reg:C-125478/2015

এশিয়া কাপের আগে শিরোপার স্বাদ পেতে চান লিটনরা

স্পোর্টস ডেস্ক


প্রকাশ: ১৭ অক্টোবর, ২০২৬ ০৯:৫৫ পূর্বাহ্ন | দেখা হয়েছে ৬ বার


এশিয়া কাপের আগে শিরোপার স্বাদ পেতে চান লিটনরা

সামনে এশিয়া কাপ ও ওয়ানডে বিশ্বকাপ। তার আগে  আফগানিস্তান, জিম্বাবুয়ের বিপক্ষেত্রিদেশীয় সিরিজকে নিজেদের প্রস্তুতি ঝালিয়ে নেওয়ার বড় সুযোগ হিসেবে দেখছেন বাংলাদেশের অধিনায়ক লিটন দাস।

তার বিশ্বাস, দলের সামর্থ্য অনুযায়ী সেরা ক্রিকেট খেলতে পারলে এই টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন হওয়া সম্ভব। 

 

ত্রিদেশীয় সিরিজের গুরুত্ব তুলে ধরে লিটন বলেন, ‘অধিনায়ক হিসেবে এটা আমার জন্য বড় সুযোগ।

সামনে আমাদের এশিয়া কাপ ও বিশ্বকাপ আছে। এশিয়া কাপ বাংলাদেশে হবে।

এই ত্রিদেশীয় সিরিজটা তাই আমাদের জন্য সেরা প্রস্তুতির সুযোগ। এশিয়া কাপ ও ত্রিদেশীয় সিরিজের মধ্যে মিল আছে।

দুই ক্ষেত্রেই চাপ থাকবে, ভালো ক্রিকেট খেলতে হবে। আমরা ভালো ক্রিকেট খেলতে পারলে অবশ্যই চ্যাম্পিয়ন হতে পারি।’

 

 

সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশের পারফরম্যান্সে ইতিবাচক দিক দেখছেন অধিনায়ক। তার মতে, দলে প্রতিভাবান ও অভিজ্ঞ ক্রিকেটারের সমন্বয় রয়েছে। সবাই নিজেদের সামর্থ্য অনুযায়ী খেলতে পারলে বিশ্বকাপেও ভালো কিছু করা সম্ভব।

এ প্রসঙ্গে লিটন বলেন, ‘আমরা বেশ কয়েকটি ভালো সিরিজ খেলেছি। বিশেষ করে ঘরের মাঠে আমাদের খেলার ধরন ভালো ছিল। এই দলে অনেক প্রতিভাবান ক্রিকেটার আছে, পাশাপাশি অভিজ্ঞ ক্রিকেটাররাও আছেন। আমরা যদি নিজেদের সেরা ক্রিকেট খেলতে পারি, তাহলে সবকিছুই সম্ভব।’

 ত্রিদেশীয় সিরিজে খুব বেশি শিরোপো জেতার ইতিহাস নেই বাংলাদেশের। ত্রিদেশীয় সিরিজের শিরোপা জিততে না পারার পেছনে এই ধরনের টুর্নামেন্টে অভিজ্ঞতার ঘাটতিকেও একটি কারণ হিসেবে দেখছেন লিটন। তাঁর মতে, দ্বিপক্ষীয় সিরিজের সঙ্গে ত্রিদেশীয় সিরিজের পার্থক্য রয়েছে। এখানে একটি ম্যাচের ফলও পরবর্তী সমীকরণে বড় প্রভাব ফেলতে পারে।

এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ অধিনায়ক বলেন, ‘আমরা খুব বেশি ত্রিদেশীয় সিরিজ খেলি না। আমি অনেক দিন ধরে খেলছি, কিন্তু এই ধরনের টুর্নামেন্ট খেলার অভিজ্ঞতা খুব বেশি নেই। ত্রিদেশীয় সিরিজে তিনটি দলেরই ফাইনালে ওঠার চাপ থাকে। প্রথম ম্যাচ হেরে গেলে রান রেটের হিসাবসহ নানা সমীকরণ চলে আসে, তখন পিছিয়ে পড়ার আশঙ্কা থাকে। দ্বিপক্ষীয় সিরিজে প্রথম ম্যাচ হারলেও ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ থাকে।’

তবে অতীতের ব্যর্থতা নিয়ে পড়ে থাকতে চান না তিনি। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচ সামনে রেখে ইতিবাচক মানসিকতা ও দায়িত্বশীল ক্রিকেটের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন লিটন, 'আগে কী হয়েছে, সেটা মাথায় রেখে আমরা প্রস্তুতি নিতে পারি। কিন্তু সব সময় আগের ব্যর্থতা নিয়ে পড়ে থাকলে চলবে না। আমাদের মানসিকতা ইতিবাচক রাখতে হবে এবং ইতিবাচক ক্রিকেট খেলতে হবে। সিনিয়র ক্রিকেটার হিসেবে আমাদের দায়িত্ব নিতে হবে। ব্যাটিংয়ে ছয়-সাত নম্বর পর্যন্ত যারা আছি, ওপরের দিক থেকে শুরু করে আমাদের সবার দায়িত্ব থাকবে ইনিংসটা শেষ করে আসার।’

ত্রিদেশীয় সিরিজে আফগানিস্তানের স্পিন আক্রমণও বাংলাদেশের জন্য বড় পরীক্ষা। তবে প্রতিপক্ষের বোলিং সম্পর্কে নিজেদের অভিজ্ঞতার কথা মনে করিয়ে দিয়ে লিটন জানিয়েছেন, ‘আফগানিস্তানের বিপক্ষে আমরা এই প্রথম খেলছি না। অনেক দিন ধরেই তাদের সঙ্গে খেলছি, আমাদের বেশির ভাগ ক্রিকেটারেরই অভিজ্ঞতা আছে। আগের ম্যাচগুলোতে আমাদের যে ঘাটতি ছিল, আশা করি, দেশে থাকা ক্রিকেটাররা তা নিয়ে কাজ করেছে। এখানে এক-দুই দিনের অনুশীলনে যতটুকু সুযোগ পেয়েছি, আমরা নিজেদের প্রস্তুত করার চেষ্টা করেছি। আফগানিস্তান ভালো দল। তাদের স্পিন আক্রমণ যেমন ভালো, পেস বোলিংও মানসম্পন্ন।’

এদিকে উইকেট নিয়েও কৌতূহল রয়েছে বাংলাদেশের অধিনায়কের, ‘কন্ডিশন একই রকম হওয়ায় উইকেটও খুব বেশি আলাদা হওয়ার কথা নয়। আমি দেখতে চেয়েছিলাম কী ধরনের উইকেট তৈরি হয়েছে। কারণ, ধারণা করেছিলাম মাঝের উইকেটে খেলা হবে, কিন্তু কিউরেটর পাশের উইকেটগুলো তৈরি করেছেন। আশা করি, উইকেট ভালো হবে এবং সব দিক থেকে ভারসাম্যপূর্ণ থাকবে।’


   আরও সংবাদ