ঢাকা, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬,
সরকার অনুমোদিত নিবন্ধন নম্বর ১৯১
Reg:C-125478/2015

ইরানের দক্ষিণে আবারও বিস্ফোরণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক


প্রকাশ: ১৮ অক্টোবর, ২০২৬ ০৯:৪৩ পূর্বাহ্ন | দেখা হয়েছে ২৫ বার


ইরানের দক্ষিণে আবারও বিস্ফোরণ

ইরানের দক্ষিণাঞ্চলে আবারও শক্তিশালী বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। দেশটির হরমুজগান প্রদেশের সিরিক কাউন্টি ও কোহেস্তাক এলাকায় শনিবার (১৭ অক্টোবর) বিকেলে এসব বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।

তবে বিস্ফোরণের কারণ এবং এতে কোনো হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে কি না, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

 

স্থানীয় বাসিন্দাদের বরাতে ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা ফার্স এ তথ্য জানিয়েছে।

পরে চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা সিনহুয়াও এ বিষয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করে।

 

ফার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, হরমুজগান প্রদেশের উপকূলীয় এলাকায় বিস্ফোরণের শব্দ শুনেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

তবে এ বিষয়ে ইরানি কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। বিস্ফোরণের সঙ্গে চলমান সংঘাতের কোনো যোগসূত্র রয়েছে কি না, সেটিও স্পষ্ট নয়।

 

এর আগে শনিবার ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড কোর (আইআরজিসি) দাবি করে, হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলের সময় ইরানের পুঁতে রাখা নৌ মাইনের সঙ্গে ধাক্কা লেগে তেলবাহী দুটি সুপার ট্যাংকারে আগুন ধরে যায়।

আইআরজিসির ভাষ্য অনুযায়ী, ট্যাংকার দুটি ইরানের অনুমোদনহীন সামুদ্রিক এলাকা দিয়ে চলাচল করছিল। এ সময় সেগুলো নৌ মাইনের সংস্পর্শে আসে। তবে এ ঘটনার বিষয়ে স্বাধীনভাবে বিস্তারিত তথ্য যাচাই করা যায়নি।

বিপ্লবী গার্ডের এক বিবৃতিতে বলা হয়, দ্বিতীয় ট্যাংকারটিতে ২০ লাখ ব্যারেল অপরিশোধিত তেল ছিল। জাহাজটি নেভিগেশন ও রাডার ব্যবস্থা বন্ধ রেখে অনুমোদনহীন পথে চলাচলের চেষ্টা করছিল বলে দাবি করেছে সংস্থাটি। পরে মাইনের সঙ্গে সংঘর্ষের পর জাহাজটির ইঞ্জিনকক্ষে বড় ধরনের বিস্ফোরণ ঘটে এবং এতে আগুন ছড়িয়ে পড়ে।

 

 

অন্যদিকে, পশ্চিমা ও আরব দেশগুলোর পক্ষ থেকে ইরানি বাহিনীর বিরুদ্ধে সরাসরি জাহাজে হামলার অভিযোগ রয়েছে। ফলে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলের নিরাপত্তা এবং সামুদ্রিক উত্তেজনা নিয়ে উদ্বেগ অব্যাহত রয়েছে।

এদিকে ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে চলমান সংঘাতের মধ্যে নতুন করে বিস্ফোরণের এ খবর সামনে এল। সংঘাতের সূত্রপাত, হামলার সময়কাল এবং সাম্প্রতিক ঘটনাগুলোর পারস্পরিক সম্পর্ক নিয়ে বিভিন্ন দাবি সামনে এলেও শনিবারের বিস্ফোরণের প্রকৃত কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

বিস্ফোরণের ঘটনায় কোনো সামরিক স্থাপনা বা বেসামরিক অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কি না, সে বিষয়েও বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি। পরিস্থিতি সম্পর্কে ইরানি কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্যের অপেক্ষা রয়েছে।


   আরও সংবাদ