ঢাকা, বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬,
সরকার অনুমোদিত নিবন্ধন নম্বর ১৯১
Reg:C-125478/2015

প্রধানমন্ত্রী পদে শপথ নিলেন তারেক রহমান

ডেস্ক রিপোর্ট


প্রকাশ: ১৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১৬:২৩ অপরাহ্ন | দেখা হয়েছে ৩০ বার


প্রধানমন্ত্রী পদে শপথ নিলেন তারেক রহমান

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারম্যান তারেক রহমান। 

মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় প্রধানমন্ত্রী পদে শপথ নেন তিনি। তারেক রহমানকে শপথ বাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।

শপথ অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গণি।


 
শপথ অনুষ্ঠানে বিদায়ী অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস, মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট ড. মোহাম্মদ মুইজ্জু, ভুটানের প্রধানমন্ত্রী দাশো শেরিং তোবগেসহ বিভিন্ন বিদেশের প্রতিনিধি, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য, প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী, বিচারপতি, কূটনৈতিক, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাসহ আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।

 

এর আগে বেলা পৌনে ১১টার দিকে সংসদ ভবনের শপথ গ্রহণ কক্ষে শপথ নেন সংখ্যাগরিষ্ঠ দল বিএনপির সংসদ সদস্যরা। তবে সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিলেও সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নেননি তারা। শপথ বাক্য পাঠ করান প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন।

 

পরে একই স্থানে শপথ নেন জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-সহ ১১ দলীয় জোটের সংসদ সদস্য এবং স্বতন্ত্র সদস্যরা। ১১ দলীয় জোটের সংসদ সদস্যরা একইসঙ্গে সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবেও শপথ নেন। শপথ বাক্য পাঠ করান সিইসি।

গত ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০টি আসনের মধ্যে ২৯৯টিতে ভোটগ্রহণ হয়।

যার মধ্যে ২৯৭ আসনের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। ২৯৯ আসনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হলেও আদালতের নির্দেশনার কারণে চট্টগ্রামের দুটি আসনের (চট্টগ্রাম ২ ও ৪) ফল ঘোষণা করা হয়নি।

 

নির্বাচনে ২৯৭ আসনের মধ্যে ২০৯টিতে জয় পেয়েছে বিএনপি। ফল ঘোষণা স্থগিত থাকা দুটি আসনেও দলটির প্রার্থীরা এগিয়ে আছেন।  বিএনপির শরিকরা জয় পেয়েছে তিনটি আসনে।

 

 

অন্যদিকে, জামায়াতে ইসলামী জয় পেয়েছে ৬৮টি আসনে। জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের অন্য শরিকরা পেয়েছে ৯টি আসন। তাদের মধ্যে এনসিপি ৬টি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ২টি আসনে বিজয়ী হয়েছে।

এছাড়া ইসলামী আন্দোলন, গণঅধিকার পরিষদ, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি, গণসংহতি আন্দোলন ও খেলাফত মজলিস একটি করে আসনে জয়ী হয়েছে। বাকি সাতটি আসনে জয়ী হয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী।


   আরও সংবাদ