ঢাকা, রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬,
সরকার অনুমোদিত নিবন্ধন নম্বর ১৯১
Reg:C-125478/2015

সহজ আমদানিনীতি ও ঋণ সুবিধা চান ব্যবসায়ীরা

ডেস্ক রিপোর্ট


প্রকাশ: ২১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ২১:২৩ অপরাহ্ন | দেখা হয়েছে ১৯ বার


সহজ আমদানিনীতি ও ঋণ সুবিধা চান ব্যবসায়ীরা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির ভূমিধস জয়ের পর দলের চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন পথচলা শুরু করেছে সরকার। ক্ষমতার এ পালাবদলের পর দেশের অর্থনীতিতে গতি ফেরাতে এবং স্থবির হয়ে পড়া ব্যবসাবাণিজ্যে প্রাণসঞ্চার করতে একগুচ্ছ দাবি ও প্রত্যাশা জানিয়েছেন দেশের অর্থনীতির প্রাণভোমরা চট্টগ্রামের শীর্ষ ব্যবসায়ীরা। তাদের দাবি-একটি ‘ব্যবসাবান্ধব সরকার’, যা আমলাতান্ত্রিক জটিলতা কমিয়ে বেসরকারি খাতকে এগিয়ে নেবে। সহজ হবে আমদানি-রপ্তানিনীতি।

বৃদ্ধি করা হবে ঋণ সুবিধা।

 

পিএইচপি গ্রুপের পরিচালক মোহাম্মদ আকতার পারভেজ বলেন, নতুন সরকারের উচিত ‘ইজ অব ডুইং বিজনেস’ (সহজ ব্যবসা করার সূচকের আন্তর্জাতিক পরিমাপক) পদ্ধতি অনুসরণ করা। এটা করলে দেশের ব্যবসার পরিবেশ আমূল পরিবর্তন হয়ে যাবে। যতটুকু জেনেছি নতুন অর্থমন্ত্রী এ পদ্ধতি অনুসরণ করার চিন্তাভাবনা শুরু করেছেন।

 

জিপিএইচ ইস্পাতের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক আলমাস শিমুল বলেন, নতুন সরকার যদি দ্রুততার সঙ্গে ব্যাংক খাত সংস্কার এবং আমদানিনীতি সহজ করতে পারে, তবেই দেশের ঝিমিয়ে পড়া বিনিয়োগে দ্রুত জোয়ার আসবে। একই সঙ্গে ব্যাংক ঋণ ও শর্তসমূহ সহজ করে বিনিয়োগের পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে।

দেশের ভোগ্যপণের বৃহৎ বাজার খাতুনগঞ্জ ট্রেড অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ অ্যাসোসিয়েশনের আইন সম্পাদক মোহাম্মদ মহিউদ্দিন বলেন, দেশের আমদানি-রপ্তানি সহজতর করতে এলসি মার্জিন সহনীয় মাত্রায় আনতে হবে। একই সঙ্গে ডলারের বাজার স্থির রাখতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।

 

বন্দর নগরীর ব্যবসায়ীদের দাবি, বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের ব্যবসা পরিপন্থি নীতির কারণে স্থবির হয়ে পড়েছে দেশের অর্থনীতি। থমকে গেছে অসংখ্য শিল্প-কারখানার চাকা। এমন পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে নতুন সরকারের কাছে ব্যবসায়ীদের চাওয়া ঋণপ্রাপ্তি ও শর্ত সহজ করা। তাদের মতে, উচ্চ সুদের হার এবং ঋণের কঠিন শর্তের কারণে হিমশিম খাচ্ছেন উদ্যোক্তারা। তাই বিনিয়োগ বাড়াতে ব্যাংক ঋণের সুদের হার একটি সহনীয় পর্যায়ে নামিয়ে আনা এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প খাতে বিশেষ প্রণোদনার দাবি তাদের।

একই সঙ্গে শিল্পের কাঁচামাল ও অত্যাবশ্যকীয় পণ্য আমদানিতে বিধিনিষেধ কমিয়ে প্রক্রিয়া দ্রুততর করা। প্রয়োজনীয় গ্যাস ও বিদ্যুতের অভাবে থমকে গেছে অনেক শিল্প-কারখানার চাকা। এ ছাড়া রয়েছে গ্যাস ও বিদ্যুতের উচ্চমূল্য। অপর্যাপ্ত গ্যাস-বিদ্যুৎ সরবরাহ এবং উচ্চমূল্যের কারণে হিমশিম খেতে হচ্ছে ব্যবসায়ীদের। তাই কল-কারখানায় নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস-বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করার পাশাপাশি শিল্পকারখানার গ্যাস ও বিদ্যুতের দাম কমানোরও দাবি জানিয়েছেন তারা। বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ ও নীতিমালার ধারাবাহিকতাও চান তারা। একই সঙ্গে কর ও শুল্ক কাঠামো সংস্কারের পাশাপাশি হয়রানিমুক্ত ট্যাক্স ও ভ্যাট আদায় ব্যবস্থা নিশ্চিত করার কথাও জানিয়েছেন তারা।

 

সৌজন্যে: বাংলাদেশ প্রতিদিন


   আরও সংবাদ