ঢাকা, রবিবার, ০১ মার্চ ২০২৬,
সরকার অনুমোদিত নিবন্ধন নম্বর ১৯১
Reg:C-125478/2015

ভেঙে যাচ্ছে জেলা ও বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থা

স্পোর্টস ডেস্ক


প্রকাশ: ২৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ২১:১৯ অপরাহ্ন | দেখা হয়েছে ১৯ বার


ভেঙে যাচ্ছে জেলা ও বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থা

দেশের প্রতিটি জেলা ও বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থায় দীর্ঘদিনের অচলাবস্থা কাটাতে বড় পদক্ষেপ নিয়েছে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি)। প্রতিটি সংস্থায় আগামী ৯০ দিনের মধ্যে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনের জন্য জেলা প্রশাসক ও বিভাগীয় কমিশনারদের জরুরি চিঠি পাঠানো হয়েছে। নির্বাচন সম্পন্ন হওয়ার পরপরই বর্তমান আহ্বায়ক কমিটিগুলো ভেঙে যাবে এবং নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে পূর্ণাঙ্গ ক্রীড়া সংস্থা গঠিত হবে।

জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ সূত্রে জানা গেছে, বর্তমান ৭ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটিগুলোর মেয়াদ ইতোমধ্যে শেষ হয়ে গেছে।

গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, এই আহ্বায়ক কমিটিগুলোর মূল দায়িত্ব হলো নির্ধারিত ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন সম্পন্ন করা। ফলে বর্তমান কমিটির সদস্যদের পুনরায় নির্বাচনে অংশ নেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। এই নির্বাচন প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই প্রতিটি জেলা ও বিভাগে অ্যাড-হক বা আহ্বায়ক কমিটির বদলে নির্বাচিত পূর্ণাঙ্গ ক্রীড়া সংস্থা কার্যকর হবে।

 

এই নির্বাচনী প্রক্রিয়ার ফলে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডেও (বিসিবি) বড় ধরনের পরিবর্তনের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

বর্তমানে বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল এবং বিশিষ্ট কোচ নাজমুল আবেদিন ফাহিমসহ বোর্ডের ৮ জন পরিচালক বিভিন্ন জেলা বা বিভাগের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, যেহেতু তারা আহ্বায়ক কমিটিতে আছেন, তাই তারা আসন্ন নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন না।

 

এর ফলে, নির্বাচন শেষে নতুন নির্বাচিত প্রতিনিধিরা যখন জেলা ও বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার দায়িত্ব নেবেন, তখন বিসিবিসহ অন্যান্য ফেডারেশনে কাউন্সিলরশিপের ক্ষেত্রেও পরিবর্তন আসবে। নির্বাচিত নতুন সংস্থাই তখন বিসিবিতে তাদের নতুন কাউন্সিলর নিয়োগ দেবে।

 

আদালত কাউন্সিলরশিপ সংক্রান্ত রিটের স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করলেও, জেলা ও বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার কোটায় বর্তমানে যারা দায়িত্বে আছেন, তাদের কাউন্সিলরশিপ এই প্রক্রিয়ায় বাতিল হয়ে যাবে। আগামী তিন মাসের মধ্যে বর্তমান কমিটিগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে ভেঙে যাওয়ার পর নতুন নির্বাচিত প্রতিনিধিরাই ক্রীড়াঙ্গনের মূল দায়িত্বে আসবেন। মূলত তৃণমূল পর্যায় থেকে ক্রীড়া সংস্থাগুলোকে গণতান্ত্রিক ও শক্তিশালী করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।


   আরও সংবাদ