ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬,
সরকার অনুমোদিত নিবন্ধন নম্বর ১৯১
Reg:C-125478/2015

সরকারের হস্তক্ষেপ চাইলেন লঙ্কান অধিনায়ক

স্পোর্টস ডেস্ক


প্রকাশ: ২৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:৩৯ অপরাহ্ন | দেখা হয়েছে ৬ বার


সরকারের হস্তক্ষেপ চাইলেন লঙ্কান অধিনায়ক

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সেমিফাইনালের দৌড় থেকে প্রথম দল হিসেবে ছিটকে গেছে সহ-আয়োজক শ্রীলঙ্কা। সুপার এইটে নিউজিল্যান্ডের কাছে ৬১ রানের বড় ব্যবধানে হেরে লঙ্কানদের বিদায় নিশ্চিত হয়। 

২০১৪ সালের চ্যাম্পিয়নদের এই টানা ব্যর্থতা এবং মাঠের বাইরের ‘নেতিবাচক পরিবেশ’ নিয়ে এবার মুখ খুলেছেন অধিনায়ক দাসুন শানাকা। এমনকি খেলোয়াড়দের মানসিক স্বাস্থ্য রক্ষায় সরকারি হস্তক্ষেপের দাবিও জানিয়েছেন তিনি।

 

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচটিতে এক পর্যায়ে জয়ের সম্ভাবনা জাগালেও শেষ পর্যন্ত ১০৭ রানেই থেমে যায় লঙ্কানদের ইনিংস। টানা তিন ম্যাচে পরাজয় এবং গত এক দশকে পাঁচটি বিশ্বকাপে টানা সেমিফাইনালে উঠতে না পারার আক্ষেপ অধিনায়ককে করে তুলেছে 'ফিল্টারহীন'।

ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে শানাকা বলেন, ‘বাইরে থেকে আসা নেতিবাচকতা দলের ড্রেসিংরুমের আবহে প্রভাব ফেলছে। আমরা ক্রিকেটাররা ইতিবাচক থাকার চেষ্টা করলেও চারপাশ থেকে আসা নেতিবাচক খবরগুলো শ্রীলঙ্কান ক্রিকেটের জন্য বড় ক্ষতি।

 

তিনি আরও যোগ করেন, ‘অনেকে ম্যাচ না দেখেই মাইক্রোফোন হাতে যা তা মন্তব্য করেন। পরবর্তী প্রজন্মের ক্রিকেটারদের মানসিক স্বাস্থ্য রক্ষায় যদি সরকার এই নেতিবাচকতা বন্ধে পদক্ষেপ নেয়, তবেই আমাদের ক্রিকেটের মঙ্গল।’

পিচের কন্ডিশন বুঝতে ভুল করার কথা স্বীকার করে শানাকা বলেন, ‘আমি ভেবেছিলাম উইকেট ব্যাটিং সহায়ক হবে। কিন্তু বাস্তবতা ছিল ভিন্ন।

’ 

 

এছাড়া চোট জর্জর স্কোয়াড নিয়ে হতাশা প্রকাশ করে তিনি জানান, ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা, মাথিশা পাথিরানা এবং এশান মালিঙ্গার মতো গুরুত্বপূর্ণ ক্রিকেটারদের ইনজুরি দলকে ছিটকে দিয়েছে। তার মতে, ফিটনেস নিয়ে কোনো প্রকার আপস করা উচিত নয়, কারণ ফিটনেসের অভাবেই বারবার চোটের সমস্যা ফিরে আসছে।

২০২৫ সালের মাঝামাঝি সময় থেকে বড় দলগুলোর (ভারত, অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা, নিউজিল্যান্ড ও ইংল্যান্ড) বিপক্ষে শ্রীলঙ্কার রেকর্ড বেশ হতাশাজনক। গত ১৮টি আন্তর্জাতিক ম্যাচের মধ্যে তারা জিতেছে মাত্র ৬টিতে। টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে বড় দলগুলোর বিপক্ষে ৮ ম্যাচের মাত্র ২টিতে জয় পেয়েছে লঙ্কানরা।

 

শ্রীলঙ্কার বিশ্বকাপ মিশন শেষ হয়ে গেলেও সুপার এইটে তাদের শেষ ম্যাচ পাকিস্তানের বিপক্ষে। যদিও এই ম্যাচ লঙ্কানদের ভাগ্য বদলাবে না, তবে পাকিস্তানের সেমিফাইনালের স্বপ্ন টিকিয়ে রাখার ক্ষেত্রে এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নিজেদের মাঠে অন্তত শেষ ম্যাচটি জিতে সম্মানজনক বিদায় নিতে চায় দ্বীপ রাষ্ট্রটি।


   আরও সংবাদ